কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে সাকিব খানের নাম ও ছবি ব্যবহার করে তৈরি একটি ব্যতিক্রমী পোস্টার ঘিরে এলাকায় কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টারটিতে জনকল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান খাইরুল দেওয়ান ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সিদ্দিকের ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে।
পোস্টারটির নকশা, ছবির সমন্বয় এবং রাজনৈতিক স্লোগানের উপস্থাপন দেখে অনেকে এটিকে প্রচলিত নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টারের চেয়ে ব্যঙ্গাত্মক বা ট্রোলধর্মী পোস্টার হিসেবে দেখছেন। পরিচিত ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করে এমন পোস্টার তৈরি করা হয়েছে কেন, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
তবে পোস্টারটি কে তৈরি করেছেন, এটি নিছক হাস্যরসের উদ্দেশ্যে তৈরি, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পোস্টারে যাঁদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, তাঁদের সম্মতি ছিল কি না, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে পোস্টারে সাকিব খানকে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সব মিলিয়ে, ব্যতিক্রমী এই পোস্টারটি স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। তবে এর প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পোস্টারটির নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে সাকিব খানের নাম ও ছবি ব্যবহার করে তৈরি একটি ব্যতিক্রমী পোস্টার ঘিরে এলাকায় কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টারটিতে জনকল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান খাইরুল দেওয়ান ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সিদ্দিকের ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে।
পোস্টারটির নকশা, ছবির সমন্বয় এবং রাজনৈতিক স্লোগানের উপস্থাপন দেখে অনেকে এটিকে প্রচলিত নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টারের চেয়ে ব্যঙ্গাত্মক বা ট্রোলধর্মী পোস্টার হিসেবে দেখছেন। পরিচিত ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করে এমন পোস্টার তৈরি করা হয়েছে কেন, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
তবে পোস্টারটি কে তৈরি করেছেন, এটি নিছক হাস্যরসের উদ্দেশ্যে তৈরি, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পোস্টারে যাঁদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, তাঁদের সম্মতি ছিল কি না, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে পোস্টারে সাকিব খানকে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সব মিলিয়ে, ব্যতিক্রমী এই পোস্টারটি স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। তবে এর প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পোস্টারটির নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন