কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ হাসনাবাদ বাজারের প্রধান গলি দখল করে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে গলি দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, হাসনাবাদ বাজারের গলিটি হাজারো মানুষের যাতায়াতের প্রধান সংযোগপথ ছিল। কিন্তু গলি দখল করে দোকান নির্মাণের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতারা মারাত্মক দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন, এবং কাঁচা বাজারের ব্যবসা ধীরে ধীরে অচল হয়ে পড়ছে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এই দখলদারি চলছে, যার ফলে তাদের ব্যবসায়িক ক্ষতি দিন দিন বাড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেন, "হাসনাবাদ বাজারের জায়গা সোনার চেয়েও দামি তাই প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে বাজারের অলি-গলি দখল করে বিক্রি করে দিচ্ছেন। সম্প্রতি দখল হওয়া গলির কারণে শতশত ক্রেতা বিক্রেতা বিড়ম্বনায় পড়েছেন। সচেতন মহলের দাবি অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করে গলি উন্মুক্ত করা হোক।” এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বলেন বাজারের গলি দখল করে দোকান নির্মাণের কোনো নিয়ম নেই। অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।” ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে গলি থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনারুদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ হাসনাবাদ বাজারের প্রধান গলি দখল করে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে গলি দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, হাসনাবাদ বাজারের গলিটি হাজারো মানুষের যাতায়াতের প্রধান সংযোগপথ ছিল। কিন্তু গলি দখল করে দোকান নির্মাণের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতারা মারাত্মক দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন, এবং কাঁচা বাজারের ব্যবসা ধীরে ধীরে অচল হয়ে পড়ছে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এই দখলদারি চলছে, যার ফলে তাদের ব্যবসায়িক ক্ষতি দিন দিন বাড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেন, "হাসনাবাদ বাজারের জায়গা সোনার চেয়েও দামি তাই প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে বাজারের অলি-গলি দখল করে বিক্রি করে দিচ্ছেন। সম্প্রতি দখল হওয়া গলির কারণে শতশত ক্রেতা বিক্রেতা বিড়ম্বনায় পড়েছেন। সচেতন মহলের দাবি অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করে গলি উন্মুক্ত করা হোক।” এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বলেন বাজারের গলি দখল করে দোকান নির্মাণের কোনো নিয়ম নেই। অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।” ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে গলি থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনারুদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন