স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার আশায় বেসরকারি হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ছুটছেন রোগীরা। অথচ সেবার নামে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও অনুমোদনসংক্রান্ত নানা অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বেসরকারি স্বাস্থ্য খাত। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, উপজেলায় ১১টি বেসরকারি হাসপিটাল ও ১৬টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটির কিছু কিছু কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ৯টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ও নিবন্ধন নবায়ন নেই বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ও অনুমোদন ছাড়াই প্রায় প্রতিষ্ঠানই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কোথাও অদক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হচ্ছে, আবার কোথাও ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল ও অনুমোদন ছাড়াই অপারেশন থিয়েটার পরিচালনার অভিযোগও উঠেছে। কিছু বেসরকারি হাসপিটালে একজন চিকিৎসক দিয়েই একই সময়ে অ্যানেস্থেশিয়া ও সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার পরিচালনা করা হচ্ছে। অথচ অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষ চিকিৎসক, অ্যানেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ, নার্স ও সহায়ক জনবল থাকা জরুরি।
এর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে ‘২৪ ঘণ্টা সিজারিয়ান সেবা’সহ নানা ধরনের বিজ্ঞাপন দিয়ে রোগীদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনের আড়ালে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, লাইসেন্স ও নিবন্ধন নবায়ন নেই—এমন প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট আল্ট্রামডার্ন হাসপাতাল, পদ্মা হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট ভূঁঞা হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট ডায়াবেটিক সমিতি, আলিয়ারা আল ওবায়েদ মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াবেটিস সেন্টার, শান্তির বাজার কেয়ার মেডিকেল সেন্টার, ঢালুয়া মেডিকেল সেন্টার ও নাঙ্গলকোট নোভা হাসপাতাল। অন্যদিকে কিছু কিছু লাইসেন্স ও নিবন্ধন নবায়ন রয়েছে
এমন প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—নাঙ্গলকোট জামান্স ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট আধুনিক মেডিকেল সার্ভিসেস, নাঙ্গলকোট পাটোয়ারী হসপিটাল, নাঙ্গলকোট ট্রমা সেন্টার ও জেনারেল হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতাল, বক্সগঞ্জ প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাঙ্গলকোট সিটি হাসপাতাল, বাঙ্গড্ডা হলি ফ্লাওয়ার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতাল, ওমরগঞ্জ বাজার শামসুন্নাহার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাঙ্গলকোট ল্যাব ওয়ান ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, নাঙ্গলকোট অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাঙ্গলকোট পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মাতৃছাড়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইজি ভূঁইয়া মেডিকেল সেন্টার, মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও সাফিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যথাযথ দক্ষ জনবল ও মান নিয়ন্ত্রণের অভাবে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ছেন রোগীরা। এতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নিয়ে তৈরি হচ্ছে জটিলতা।
মাহিনী গ্রামের বাসিন্দা আলী আকবর বলেন, নাঙ্গলকোটের একটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করানোর পর তাঁকে যে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে কুমিল্লা শহরে গিয়ে একই পরীক্ষা করালে আগের রিপোর্টের সঙ্গে মিল পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
সম্প্রতি উপজেলার তিনটি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এরপর অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধারাবাহিক অভিযান না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তাঁদের অভিযোগ, অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা না থাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ফলে স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে পড়তে হচ্ছে বাড়তি ঝুঁকি ও ভোগান্তিতে।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু লাইসেন্স আছে কি না—এটি যাচাই করলেই হবে না। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক ও নার্সের তালিকা, টেকনিশিয়ানের যোগ্যতা, অপারেশন থিয়েটারের অনুমোদন, অ্যানেস্থেশিয়া ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামও যাচাই করা দরকার।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, তিনি একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের প্রভাবে কাজ করছেন এবং পছন্দসই কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে দায়সারা অভিযান পরিচালনা করেছেন। তবে অভিযোগটির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে সেটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলার স্বাস্থ্য খাতের অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চাকমা বলেন, স্বাস্থ্য খাতের কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপজেলার প্রতিটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ধাপে ধাপে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
বিষয় : স্বাস্থ্য

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার আশায় বেসরকারি হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ছুটছেন রোগীরা। অথচ সেবার নামে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও অনুমোদনসংক্রান্ত নানা অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বেসরকারি স্বাস্থ্য খাত। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, উপজেলায় ১১টি বেসরকারি হাসপিটাল ও ১৬টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটির কিছু কিছু কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ৯টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ও নিবন্ধন নবায়ন নেই বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ও অনুমোদন ছাড়াই প্রায় প্রতিষ্ঠানই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কোথাও অদক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হচ্ছে, আবার কোথাও ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল ও অনুমোদন ছাড়াই অপারেশন থিয়েটার পরিচালনার অভিযোগও উঠেছে। কিছু বেসরকারি হাসপিটালে একজন চিকিৎসক দিয়েই একই সময়ে অ্যানেস্থেশিয়া ও সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার পরিচালনা করা হচ্ছে। অথচ অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষ চিকিৎসক, অ্যানেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ, নার্স ও সহায়ক জনবল থাকা জরুরি।
এর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে ‘২৪ ঘণ্টা সিজারিয়ান সেবা’সহ নানা ধরনের বিজ্ঞাপন দিয়ে রোগীদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনের আড়ালে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, লাইসেন্স ও নিবন্ধন নবায়ন নেই—এমন প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট আল্ট্রামডার্ন হাসপাতাল, পদ্মা হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট ভূঁঞা হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট ডায়াবেটিক সমিতি, আলিয়ারা আল ওবায়েদ মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াবেটিস সেন্টার, শান্তির বাজার কেয়ার মেডিকেল সেন্টার, ঢালুয়া মেডিকেল সেন্টার ও নাঙ্গলকোট নোভা হাসপাতাল। অন্যদিকে কিছু কিছু লাইসেন্স ও নিবন্ধন নবায়ন রয়েছে
এমন প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—নাঙ্গলকোট জামান্স ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট আধুনিক মেডিকেল সার্ভিসেস, নাঙ্গলকোট পাটোয়ারী হসপিটাল, নাঙ্গলকোট ট্রমা সেন্টার ও জেনারেল হাসপাতাল, নাঙ্গলকোট ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতাল, বক্সগঞ্জ প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাঙ্গলকোট সিটি হাসপাতাল, বাঙ্গড্ডা হলি ফ্লাওয়ার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতাল, ওমরগঞ্জ বাজার শামসুন্নাহার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাঙ্গলকোট ল্যাব ওয়ান ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, নাঙ্গলকোট অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাঙ্গলকোট পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মাতৃছাড়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইজি ভূঁইয়া মেডিকেল সেন্টার, মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও সাফিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যথাযথ দক্ষ জনবল ও মান নিয়ন্ত্রণের অভাবে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ছেন রোগীরা। এতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নিয়ে তৈরি হচ্ছে জটিলতা।
মাহিনী গ্রামের বাসিন্দা আলী আকবর বলেন, নাঙ্গলকোটের একটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করানোর পর তাঁকে যে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে কুমিল্লা শহরে গিয়ে একই পরীক্ষা করালে আগের রিপোর্টের সঙ্গে মিল পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
সম্প্রতি উপজেলার তিনটি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এরপর অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধারাবাহিক অভিযান না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তাঁদের অভিযোগ, অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা না থাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ফলে স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে পড়তে হচ্ছে বাড়তি ঝুঁকি ও ভোগান্তিতে।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু লাইসেন্স আছে কি না—এটি যাচাই করলেই হবে না। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক ও নার্সের তালিকা, টেকনিশিয়ানের যোগ্যতা, অপারেশন থিয়েটারের অনুমোদন, অ্যানেস্থেশিয়া ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামও যাচাই করা দরকার।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, তিনি একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের প্রভাবে কাজ করছেন এবং পছন্দসই কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে দায়সারা অভিযান পরিচালনা করেছেন। তবে অভিযোগটির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে সেটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলার স্বাস্থ্য খাতের অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চাকমা বলেন, স্বাস্থ্য খাতের কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপজেলার প্রতিটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ধাপে ধাপে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন