কুমিল্লার লাকসামে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের সরকারি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন বসবাসরত অসহায় পরিবারগুলো। উপজেলার মুদাফরগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের কাগেয়া উত্তরপাড়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রে এ ঘটনায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বাসিন্দাদের পক্ষে স্বপ্না আক্তার, শাহিদা বেগম, মো. শিপন মিয়া, রহিমা বেগম ও সাজুদা বেগম লাকসাম সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কাগেয়া উত্তরপাড়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলো সরকারি বরাদ্দকৃত ঘরে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি স্থানীয় মো. বাচ্চু মিয়া কয়েকজন লোকজন নিয়ে আশ্রয়ণ কেন্দ্রে গিয়ে ওই জমি নিজের বলে দাবি করেন। এ সময় বাসিন্দাদের আগামী এক মাসের মধ্যে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘর না ছাড়লে ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রশাসনকে না জানিয়ে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের সরকারি জমিতে সীমানা খুঁটি স্থাপন করে দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বাসিন্দাদের মধ্যে ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমি রক্ষা এবং সেখানে বসবাসরত অসহায় পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে সরকারি জমি দখলের অপচেষ্টা বন্ধ, বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. বাচ্চু মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এ ধরনের কোনো ঘটনা এখানে ঘটেনি।”
এ বিষয়ে প্রশাসনের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বাসিন্দারা।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার লাকসামে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের সরকারি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন বসবাসরত অসহায় পরিবারগুলো। উপজেলার মুদাফরগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের কাগেয়া উত্তরপাড়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রে এ ঘটনায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বাসিন্দাদের পক্ষে স্বপ্না আক্তার, শাহিদা বেগম, মো. শিপন মিয়া, রহিমা বেগম ও সাজুদা বেগম লাকসাম সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কাগেয়া উত্তরপাড়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলো সরকারি বরাদ্দকৃত ঘরে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি স্থানীয় মো. বাচ্চু মিয়া কয়েকজন লোকজন নিয়ে আশ্রয়ণ কেন্দ্রে গিয়ে ওই জমি নিজের বলে দাবি করেন। এ সময় বাসিন্দাদের আগামী এক মাসের মধ্যে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘর না ছাড়লে ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রশাসনকে না জানিয়ে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের সরকারি জমিতে সীমানা খুঁটি স্থাপন করে দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বাসিন্দাদের মধ্যে ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমি রক্ষা এবং সেখানে বসবাসরত অসহায় পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে সরকারি জমি দখলের অপচেষ্টা বন্ধ, বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. বাচ্চু মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এ ধরনের কোনো ঘটনা এখানে ঘটেনি।”
এ বিষয়ে প্রশাসনের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন