কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌর যুবদলের সাংগঠনিক কমিটি নিয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সতর্কবার্তার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি। কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে বহিষ্কৃত দুই নেতার দলীয় পরিচয় ব্যবহার এবং নতুন কমিটি ঘোষণা নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানোর পর কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার পাল্টা বক্তব্যে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।
২৭ সেপ্টেম্বর জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌর যুবদলের পূর্বের বিলুপ্ত কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে কেন্দ্র থেকে নতুন করে কোনো কমিটি অনুমোদন বা কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে দল থেকে বহিষ্কৃত নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মমিন এবং পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুর আহমদের দলীয় পরিচয় ব্যবহার না করার বিষয়ে চূড়ান্ত সতর্ক করা হয়।
এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় যুবদল আব্দুল মমিন ও নুর আহমদকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের সহযোদ্ধাকে রক্তাক্ত করা, পেশিশক্তি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অনাচারে জড়িত থাকার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয় এবং নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
কেন্দ্রের ওই বহিষ্কারাদেশের কয়েক দিন পরই বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। ১৮ সেপ্টেম্বর নাঙ্গলকোটে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া আব্দুল মমিনকে নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের সভাপতি এবং নুর আহমদকে নাঙ্গলকোট পৌর যুবদলের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন বলে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়। এ ঘোষণার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
কেন্দ্রীয় যুবদলের বহিষ্কারাদেশের পর একজন সংসদ সদস্য কীভাবে ওই দুই নেতাকে আবার যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে ঘোষণা করলেন, তা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের একাংশ প্রশ্ন তোলেন। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এদিকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সর্বশেষ সতর্কবার্তার চিঠি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া লিখেছেন, “ধন্যবাদ কেন্দ্রীয় যুবদলকে, বহিষ্কার করার পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতিকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছি। আজকে পুনরায় এই চিঠি পাওয়ার পর তাদের পদের ভিত্তি আরেকটু মজবুত হয়েছে। আমি নিজেও আল্লাহ প্রদত্ত এমপি। কোনো কমিটি ছাড়া এমপি হয়েছি।”
কেন্দ্রীয় যুবদলের নতুন সতর্কবার্তা এবং এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এই বক্তব্যের পর নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌর যুবদলের নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ আরও প্রকাশ্য আলোচনায় এসেছে।
তবে কেন্দ্রীয় যুবদলের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কোনো কমিটি অনুমোদন বা কাউকে সভাপতি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার ঘোষণার সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নটি এখনও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌর যুবদলের সাংগঠনিক কমিটি নিয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সতর্কবার্তার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি। কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে বহিষ্কৃত দুই নেতার দলীয় পরিচয় ব্যবহার এবং নতুন কমিটি ঘোষণা নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানোর পর কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার পাল্টা বক্তব্যে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।
২৭ সেপ্টেম্বর জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌর যুবদলের পূর্বের বিলুপ্ত কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে কেন্দ্র থেকে নতুন করে কোনো কমিটি অনুমোদন বা কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে দল থেকে বহিষ্কৃত নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মমিন এবং পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুর আহমদের দলীয় পরিচয় ব্যবহার না করার বিষয়ে চূড়ান্ত সতর্ক করা হয়।
এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় যুবদল আব্দুল মমিন ও নুর আহমদকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের সহযোদ্ধাকে রক্তাক্ত করা, পেশিশক্তি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অনাচারে জড়িত থাকার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয় এবং নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
কেন্দ্রের ওই বহিষ্কারাদেশের কয়েক দিন পরই বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। ১৮ সেপ্টেম্বর নাঙ্গলকোটে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া আব্দুল মমিনকে নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের সভাপতি এবং নুর আহমদকে নাঙ্গলকোট পৌর যুবদলের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন বলে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়। এ ঘোষণার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
কেন্দ্রীয় যুবদলের বহিষ্কারাদেশের পর একজন সংসদ সদস্য কীভাবে ওই দুই নেতাকে আবার যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে ঘোষণা করলেন, তা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের একাংশ প্রশ্ন তোলেন। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এদিকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সর্বশেষ সতর্কবার্তার চিঠি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া লিখেছেন, “ধন্যবাদ কেন্দ্রীয় যুবদলকে, বহিষ্কার করার পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতিকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছি। আজকে পুনরায় এই চিঠি পাওয়ার পর তাদের পদের ভিত্তি আরেকটু মজবুত হয়েছে। আমি নিজেও আল্লাহ প্রদত্ত এমপি। কোনো কমিটি ছাড়া এমপি হয়েছি।”
কেন্দ্রীয় যুবদলের নতুন সতর্কবার্তা এবং এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এই বক্তব্যের পর নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌর যুবদলের নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ আরও প্রকাশ্য আলোচনায় এসেছে।
তবে কেন্দ্রীয় যুবদলের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কোনো কমিটি অনুমোদন বা কাউকে সভাপতি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার ঘোষণার সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নটি এখনও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন