কুমিল্লার লাকসাম-মনোহরগঞ্জের এইচএসসি ও আলিম সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ কৃতকার্য সকল শিক্ষার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সিআইপি। একই সঙ্গে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা অর্জনে আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ও দিগন্ত এক্সপ্রেস কনস্ট্রাক্টিংয়ের সিইও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সিআইপি বলেন, দেশের সুশিক্ষিত, দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক গড়ে তুলতে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এবারের পরীক্ষায় যারা জিপিএ-৫ অর্জনসহ কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের এ সাফল্য নিঃসন্দেহে আনন্দ ও গর্বের বিষয়। শিক্ষার্থীদের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে তাদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং এটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমগ্র সমাজের জন্য গৌরবময় অধ্যায়। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। অর্জিত জ্ঞান, মেধা ও যোগ্যতাকে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আজ যারা পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে, তারাই আগামীদিনে সমৃদ্ধ ও উন্নত লাকসাম-মনোহরগঞ্জ গড়ার কারিগর হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। পরীক্ষার এই সাফল্যকে পুঁজি করে তারা উচ্চশিক্ষায় আরও ভালো করবে এবং ভবিষ্যতে লাকসাম-মনোহরগঞ্জ তথা দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে- এটাই আমার প্রত্যাশা।
মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সিআইপি বলেন, কৃতকার্য শিক্ষার্থীরা মেধা, মনন ও যোগ্যতায় নিজেদের স্বপ্নের চেয়েও বড় হোক। তারা দেশের স্বনামধন্য মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ লাভ করুকঁ- এটাই আমার আন্তরিক কামনা। কোনো মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা অর্জনে আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হলে আমি তার পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ। অর্থের অভাবে কোনো মেধাবীর শিক্ষাজীবন যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে আমি আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে চাই।
তিনি লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের কৃতকার্য সকল শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, সুন্দর জীবন ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
পরিশেষে তিনি সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে এবং এলাকার উন্নয়নে যেন সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন, সে জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার লাকসাম-মনোহরগঞ্জের এইচএসসি ও আলিম সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ কৃতকার্য সকল শিক্ষার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সিআইপি। একই সঙ্গে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা অর্জনে আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ও দিগন্ত এক্সপ্রেস কনস্ট্রাক্টিংয়ের সিইও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সিআইপি বলেন, দেশের সুশিক্ষিত, দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক গড়ে তুলতে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এবারের পরীক্ষায় যারা জিপিএ-৫ অর্জনসহ কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের এ সাফল্য নিঃসন্দেহে আনন্দ ও গর্বের বিষয়। শিক্ষার্থীদের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে তাদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং এটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমগ্র সমাজের জন্য গৌরবময় অধ্যায়। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। অর্জিত জ্ঞান, মেধা ও যোগ্যতাকে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আজ যারা পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে, তারাই আগামীদিনে সমৃদ্ধ ও উন্নত লাকসাম-মনোহরগঞ্জ গড়ার কারিগর হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। পরীক্ষার এই সাফল্যকে পুঁজি করে তারা উচ্চশিক্ষায় আরও ভালো করবে এবং ভবিষ্যতে লাকসাম-মনোহরগঞ্জ তথা দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে- এটাই আমার প্রত্যাশা।
মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সিআইপি বলেন, কৃতকার্য শিক্ষার্থীরা মেধা, মনন ও যোগ্যতায় নিজেদের স্বপ্নের চেয়েও বড় হোক। তারা দেশের স্বনামধন্য মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ লাভ করুকঁ- এটাই আমার আন্তরিক কামনা। কোনো মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা অর্জনে আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হলে আমি তার পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ। অর্থের অভাবে কোনো মেধাবীর শিক্ষাজীবন যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে আমি আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে চাই।
তিনি লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের কৃতকার্য সকল শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, সুন্দর জীবন ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
পরিশেষে তিনি সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে এবং এলাকার উন্নয়নে যেন সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন, সে জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন