শনির দশায় পতিত কুমিল্লার লাকাসামের ঐতিয্যবাহী নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারী কলেজে। বিশাল ক্যাম্পাস,আলীন ভবন,দৃষ্টি নন্দন অবকাঠামো দেখলে মনে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবসাব। কিন্তু বাস্তবে প্রেক্ষাপট ঠন ঠন।
দীর্ঘদিন ধরে ঘুনেধরা প্রশাসন আর লক্কর ঝক্কর শিক্ষাক্রমে চলছে এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। শিক্ষকদের প্রায় অর্ধেক আসন খালি। কেউ আসলেও স্হানীয় শিক্ষকদের সিন্ডিকেটের কারনে এখানে থাকতে চাননা। আওয়ামীলীগের শাসনামলে স্হানীয় শিক্ষক সিন্ডিকেট ফখরুল লতিফ, মুসলিম সর্দার ও শরিফুল ইসলামের নিয়ন্ত্রণে ছিলো কলেজ প্রশাসন। এখন এই সিন্ডিকেট রাতারাতি বিএনপির ছত্রছায়ায় চলে গেছে। দুবছর আগে ব্যবস্হা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু সায়েদকে লাঞ্চিত করে স্হানীয় শিক্ষক শরিফুল ইসলাম । প্রিন্সিপাল বিষয়টি জানলেও কোন ব্যবস্হা নেননি। অপমান ও মনে কষ্ট নিয়ে তিনি দুমাস আগে বদলী হয়ে এখন রামগঞ্জ সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল।
শিক্ষক সংকটের কারনে পড়াশোনার মান পৌঁছেছে তলানিতে। তাই এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিবছর ছাত্র ভর্তির নির্ধারিত অনেক আসন ফাঁকা থাকে। রেজাল্ট আশানুরুপ নয়।
জানাগেছে, প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা ব্যায়ে ছাত্রদের জন্য নির্মিত হোস্টেলের ৪০০ আসনের বিপরীতে চলতি বছর আবেদন জমা পড়েছে মাত্র ৪০ টি। বাকী ৩৬০ সিট জ্বীন-ভূত দ্বারা পরিপূর্ণের বিকল্প নেই।
মেয়েদের জন্য ৩০০ আসনের হোস্টেল নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলে হয়তো সবগুলো আসন খালি থাকবে বলে পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত। যা কলেজটি পৌঁছে দিবে খাদের কিনারায়।
উল্লেখ্য,প্রফেসর মুনির আহাম্মদ কলেজের প্রিন্সিপাল। সাপ্তাহে একদিনের বেশী কলেজে আসেন না তিনি। একবছরে আগে দুর্ঘটনায় পা ভাংগার পর দীর্ঘ দিন বাসায় বিশ্রামে ছিলেন। মাঝে মাঝে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর ও বেতনের জন্য লাঠিভর করে আসতেন কলেজে।
অধ্যক্ষের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠি ব্যাক্তির দায়িত্ব পালনে গাফিলতির কারনে কলেজের প্রশাসন ও শিক্ষাক্রম চলে খুড়িয়ে খুড়িয়ে।
যা গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ কলেজের নবীন বরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হলে সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালামের চোখে ধরা পড়ে। এনিয়ে তিনি প্রকাশ্যে হতাশা ব্যাক্ত করেন।
কলেজে ৮.১১ সম্পদ মধ্যে ক্যান্টিন সহ অনেক জায়গা দখল করেছে ভূমিদস্যরা। অথচ কলেজ প্রশাসন এব্যাপার রহস্যজনকভাবে নিরব।
কলেজের সমুদয় জায়গা উদ্ধারে এমপি মোঃ আবুল কালাম নির্দেশ দিলেও এব্যাপার প্রিন্সিপাল মনির আহমেদ দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
জানাগেছে, কলেজে কয়েকজন শিক্ষক ভূমিদস্যু সিন্ডিকেটের সাথে জড়িয়ে পড়ায় এমপি সাহেবের নির্দেশ বাস্তবায়নে এই গড়িমসি।
নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের এই শনিরদশা উত্তোরনে কান্ডারির ভূমিকা পালনে সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালামের হস্তক্ষেপ অনস্বীকার্য।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
শনির দশায় পতিত কুমিল্লার লাকাসামের ঐতিয্যবাহী নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারী কলেজে। বিশাল ক্যাম্পাস,আলীন ভবন,দৃষ্টি নন্দন অবকাঠামো দেখলে মনে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবসাব। কিন্তু বাস্তবে প্রেক্ষাপট ঠন ঠন।
দীর্ঘদিন ধরে ঘুনেধরা প্রশাসন আর লক্কর ঝক্কর শিক্ষাক্রমে চলছে এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। শিক্ষকদের প্রায় অর্ধেক আসন খালি। কেউ আসলেও স্হানীয় শিক্ষকদের সিন্ডিকেটের কারনে এখানে থাকতে চাননা। আওয়ামীলীগের শাসনামলে স্হানীয় শিক্ষক সিন্ডিকেট ফখরুল লতিফ, মুসলিম সর্দার ও শরিফুল ইসলামের নিয়ন্ত্রণে ছিলো কলেজ প্রশাসন। এখন এই সিন্ডিকেট রাতারাতি বিএনপির ছত্রছায়ায় চলে গেছে। দুবছর আগে ব্যবস্হা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু সায়েদকে লাঞ্চিত করে স্হানীয় শিক্ষক শরিফুল ইসলাম । প্রিন্সিপাল বিষয়টি জানলেও কোন ব্যবস্হা নেননি। অপমান ও মনে কষ্ট নিয়ে তিনি দুমাস আগে বদলী হয়ে এখন রামগঞ্জ সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল।
শিক্ষক সংকটের কারনে পড়াশোনার মান পৌঁছেছে তলানিতে। তাই এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিবছর ছাত্র ভর্তির নির্ধারিত অনেক আসন ফাঁকা থাকে। রেজাল্ট আশানুরুপ নয়।
জানাগেছে, প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা ব্যায়ে ছাত্রদের জন্য নির্মিত হোস্টেলের ৪০০ আসনের বিপরীতে চলতি বছর আবেদন জমা পড়েছে মাত্র ৪০ টি। বাকী ৩৬০ সিট জ্বীন-ভূত দ্বারা পরিপূর্ণের বিকল্প নেই।
মেয়েদের জন্য ৩০০ আসনের হোস্টেল নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলে হয়তো সবগুলো আসন খালি থাকবে বলে পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত। যা কলেজটি পৌঁছে দিবে খাদের কিনারায়।
উল্লেখ্য,প্রফেসর মুনির আহাম্মদ কলেজের প্রিন্সিপাল। সাপ্তাহে একদিনের বেশী কলেজে আসেন না তিনি। একবছরে আগে দুর্ঘটনায় পা ভাংগার পর দীর্ঘ দিন বাসায় বিশ্রামে ছিলেন। মাঝে মাঝে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর ও বেতনের জন্য লাঠিভর করে আসতেন কলেজে।
অধ্যক্ষের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠি ব্যাক্তির দায়িত্ব পালনে গাফিলতির কারনে কলেজের প্রশাসন ও শিক্ষাক্রম চলে খুড়িয়ে খুড়িয়ে।
যা গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ কলেজের নবীন বরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হলে সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালামের চোখে ধরা পড়ে। এনিয়ে তিনি প্রকাশ্যে হতাশা ব্যাক্ত করেন।
কলেজে ৮.১১ সম্পদ মধ্যে ক্যান্টিন সহ অনেক জায়গা দখল করেছে ভূমিদস্যরা। অথচ কলেজ প্রশাসন এব্যাপার রহস্যজনকভাবে নিরব।
কলেজের সমুদয় জায়গা উদ্ধারে এমপি মোঃ আবুল কালাম নির্দেশ দিলেও এব্যাপার প্রিন্সিপাল মনির আহমেদ দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
জানাগেছে, কলেজে কয়েকজন শিক্ষক ভূমিদস্যু সিন্ডিকেটের সাথে জড়িয়ে পড়ায় এমপি সাহেবের নির্দেশ বাস্তবায়নে এই গড়িমসি।
নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের এই শনিরদশা উত্তোরনে কান্ডারির ভূমিকা পালনে সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালামের হস্তক্ষেপ অনস্বীকার্য।

আপনার মতামত লিখুন