ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
সবুজ পত্র

এমপি মোবাশ্বেরের বিরুদ্ধে শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ সাবেক এমপি গফুর ভূঁইয়ার



এমপি মোবাশ্বেরের বিরুদ্ধে শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ সাবেক এমপি গফুর ভূঁইয়ার

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলমকে ঘিরে সাবেক সংসদ সদস্য গফুর ভূঁইয়ার অভিযোগ। ভোটের সময় ও ভোট-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক আচরণ নিয়ে মোবাশ্বের আলমের একটি বক্তব্যকে অশালীন ও শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। তাঁর মতে, একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এমন বক্তব্য কোনোভাবেই কাম্য নয়।

 নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন বলে জানা গেছে। সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে গফুর ভূঁইয়া সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলমের কথিত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটের সময় এক ধরনের সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখার কথা বলা হলেও ভোটের পর সেই আচরণের বিপরীত চিত্র প্রকাশ পেয়েছে।

গফুর ভূঁইয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, মোবাশ্বের আলমের কথিত মন্তব্য ছিল—‘ভোটের সময় বড় ভাই, আর ভোটের পরে বড় ভাইকে একহাত ঢুকিয়ে দিয়েছি!’ বক্তব্যটির ভাষা ও তাৎপর্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি একে অশালীন এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে অভিযোগ করেন।

রাজনীতিতে মতপার্থক্য, প্রতিদ্বন্দ্বিতা কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধ নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে রাজনৈতিক মতবিরোধ প্রকাশের ক্ষেত্রেও ভাষার সংযম, পারস্পরিক সম্মান ও শিষ্টাচার বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে একজন সংসদ সদস্য যখন জনসমক্ষে বক্তব্য দেন, তখন তাঁর কথাবার্তা রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জনমানসের ওপর প্রভাব ফেলে।

গফুর ভূঁইয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাই প্রশ্ন উঠেছে—রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা কি পারস্পরিক সম্মানবোধের সীমা অতিক্রম করছে? ভোটের সময়কার রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং ভোটের পরবর্তী আচরণের মধ্যে যদি বাস্তবেই এমন বৈপরীত্য থাকে, তবে তা নিয়ে প্রকাশ্য আলোচনার পরিবর্তে দায়িত্বশীল ও শালীন ভাষায় বক্তব্য দেওয়াই কি অধিক সমীচীন নয়?

নাঙ্গলকোটের রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাদের পারস্পরিক সম্পর্ক স্থানীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাজনৈতিক অবস্থান, নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে নেতাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে। কিন্তু সেই দূরত্ব প্রকাশের ভাষা যদি বিতর্কের জন্ম দেয়, তাহলে তা রাজনৈতিক সৌজন্য ও নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে।

জনগণ জনপ্রতিনিধিদের কাছে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য প্রত্যাশা করে না; প্রত্যাশা করে দায়িত্বশীল আচরণ, সংযত ভাষা এবং ভিন্নমতের প্রতি সম্মান। তাই কোনো নেতার বক্তব্য নিয়ে অভিযোগ উঠলে সেটিকে কেবল রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। 

উল্লেখ্য, শনিবার (২৪ অক্টোবর)  উপজেলার গোহারুয়া হাজী ওসমান গনি নূরানি হাফেজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আক্কাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ভূঁইয়া। সভাটি সঞ্চালনা করেন নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের নেতা আলমগীর হোসেন।


সভায় বক্তব্য দেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজানুর রহমান, নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মিয়া মোহাম্মদ ইদ্রিস, উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাজহারুল ইসলাম ছুফু, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এনাম ভূঁইয়া, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন, পেরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর, রায়কোট উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী শাহ আলম, হেসাখাল ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলাউদ্দিন মেম্বার, মক্রামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি সাইফুল মালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন, মৌকরা ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাছেল আহমেদ, ঢালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এসহাক মজুমদার, বটতলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নবী হাজারী, বক্সগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোয়াব মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, দৌলখাঁড় ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হাজী সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জাকের হোসেন দুলাল, জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা. শাহজাহান মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল কোম্পানি ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইমদাদুল হক ভূঁইয়া, জোড্ডা পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির দুলাল, সাধারণ সম্পাদক বাবুল চৌধুরী ও সহসভাপতি মাস্টার দেলোয়ার, আদ্রা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাপ হোসেন, আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক এবং সাতবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক লিটন চৌধুরীসহ উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : বিএনপি

আপনার মতামত লিখুন

সবুজ পত্র

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


এমপি মোবাশ্বেরের বিরুদ্ধে শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ সাবেক এমপি গফুর ভূঁইয়ার

প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলমকে ঘিরে সাবেক সংসদ সদস্য গফুর ভূঁইয়ার অভিযোগ। ভোটের সময় ও ভোট-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক আচরণ নিয়ে মোবাশ্বের আলমের একটি বক্তব্যকে অশালীন ও শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। তাঁর মতে, একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এমন বক্তব্য কোনোভাবেই কাম্য নয়।

 নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন বলে জানা গেছে। সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে গফুর ভূঁইয়া সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলমের কথিত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটের সময় এক ধরনের সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখার কথা বলা হলেও ভোটের পর সেই আচরণের বিপরীত চিত্র প্রকাশ পেয়েছে।

গফুর ভূঁইয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, মোবাশ্বের আলমের কথিত মন্তব্য ছিল—‘ভোটের সময় বড় ভাই, আর ভোটের পরে বড় ভাইকে একহাত ঢুকিয়ে দিয়েছি!’ বক্তব্যটির ভাষা ও তাৎপর্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি একে অশালীন এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে অভিযোগ করেন।

রাজনীতিতে মতপার্থক্য, প্রতিদ্বন্দ্বিতা কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধ নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে রাজনৈতিক মতবিরোধ প্রকাশের ক্ষেত্রেও ভাষার সংযম, পারস্পরিক সম্মান ও শিষ্টাচার বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে একজন সংসদ সদস্য যখন জনসমক্ষে বক্তব্য দেন, তখন তাঁর কথাবার্তা রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জনমানসের ওপর প্রভাব ফেলে।

গফুর ভূঁইয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাই প্রশ্ন উঠেছে—রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা কি পারস্পরিক সম্মানবোধের সীমা অতিক্রম করছে? ভোটের সময়কার রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং ভোটের পরবর্তী আচরণের মধ্যে যদি বাস্তবেই এমন বৈপরীত্য থাকে, তবে তা নিয়ে প্রকাশ্য আলোচনার পরিবর্তে দায়িত্বশীল ও শালীন ভাষায় বক্তব্য দেওয়াই কি অধিক সমীচীন নয়?

নাঙ্গলকোটের রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাদের পারস্পরিক সম্পর্ক স্থানীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাজনৈতিক অবস্থান, নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে নেতাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে। কিন্তু সেই দূরত্ব প্রকাশের ভাষা যদি বিতর্কের জন্ম দেয়, তাহলে তা রাজনৈতিক সৌজন্য ও নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে।

জনগণ জনপ্রতিনিধিদের কাছে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য প্রত্যাশা করে না; প্রত্যাশা করে দায়িত্বশীল আচরণ, সংযত ভাষা এবং ভিন্নমতের প্রতি সম্মান। তাই কোনো নেতার বক্তব্য নিয়ে অভিযোগ উঠলে সেটিকে কেবল রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। 

উল্লেখ্য, শনিবার (২৪ অক্টোবর)  উপজেলার গোহারুয়া হাজী ওসমান গনি নূরানি হাফেজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আক্কাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ভূঁইয়া। সভাটি সঞ্চালনা করেন নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের নেতা আলমগীর হোসেন।


সভায় বক্তব্য দেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজানুর রহমান, নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মিয়া মোহাম্মদ ইদ্রিস, উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাজহারুল ইসলাম ছুফু, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এনাম ভূঁইয়া, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন, পেরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর, রায়কোট উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী শাহ আলম, হেসাখাল ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলাউদ্দিন মেম্বার, মক্রামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি সাইফুল মালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন, মৌকরা ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাছেল আহমেদ, ঢালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এসহাক মজুমদার, বটতলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নবী হাজারী, বক্সগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোয়াব মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, দৌলখাঁড় ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হাজী সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জাকের হোসেন দুলাল, জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা. শাহজাহান মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল কোম্পানি ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইমদাদুল হক ভূঁইয়া, জোড্ডা পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির দুলাল, সাধারণ সম্পাদক বাবুল চৌধুরী ও সহসভাপতি মাস্টার দেলোয়ার, আদ্রা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাপ হোসেন, আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক এবং সাতবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক লিটন চৌধুরীসহ উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সবুজ পত্র

প্রধান সম্পাদক: জামাল উদ্দিন স্বপন, প্রধান সম্পাদক কর্তৃক শতরূপা প্রিন্টার্স, সালাম কমপ্লেক্স দ্বিতীয় তলা, নিউ মার্কেট কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ৮২, বাইপাস সড়ক মধ্য লাকসাম, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৪, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন খান্দানি মার্কেট, লাকসাম, কুমিল্লা।

কপিরাইট © ২০২৬ সবুজ পত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত