কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি এলাকার প্রায় তিন বিঘা পরিত্যক্ত একটি বাড়ী ঘিরে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। গহীন জঙ্গল আর ঝোপঝাড়ে ঘেরা জায়গাটিতে দিনের বেলাতেও সাধারণ মানুষ যেতে সাহস পান না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকা থেকে অটোচালকদের ভাড়া করে এনে এই নির্জন স্থানে আটকে রেখে রাতের আঁধারে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা ঘটছে।
সম্প্রতি ওমরগঞ্জ বাজারের অটোচালক মেহেদী হাসান ৭ আগস্ট নিখোঁজ হওয়ার দিন পর ১২ আগস্ট এই পরিত্যক্ত বাড়ী থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ। পরে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনে পুলিশ।
এরই মধ্যে বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, আসামিদের রিমান্ডে দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়ে নাঙ্গলকোট উপজেলার মক্রবপুর ইউনিয়নের টুয়া গ্রামের আরমান নামের আরও এক যুবককে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে।
খবর পেয়ে রাত প্রায় ১০টার দিকে জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মজুমদার ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে উপস্থিত হন আইআর টিভি নিউজ বাংলার প্রতিনিধিরাও। পরে বিষয়টি নাঙ্গলকোট থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায়। তবে তল্লাশিতে এখন পর্যন্ত আরমানের মরদেহ পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য যে গত ২৩ জুলাই আরমান নামের ১৪/১৫ বছরের অটোচালক কিশোরটি অটোসহ নিখোঁজ হয়। সম্প্রতি পাটোয়ারের নিহত মেহেদির অটোটি যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় সেখান থেকে আরমানের অটোটিও উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। কিন্তু আরমানে খোঁজ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মজুমদার বলেন, প্রায় তিন বিঘা জমির এই বসতভিটা দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় এটি এখন ঘন জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। তার দাবি,বাড়িটির মালিক হয়তো বাড়িতে বসবাস কর না হয় জায়গাটি সরকারি উদ্যোগে পরিষ্কার করে অসহায় ও ভূমিহীন মানুষের বসবাসের উপযোগী করে দেওয়া হোক।
পরিত্যক্ত এই জায়গাকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগে এখন স্থানীয়দের প্রশ্ন—আর কত লাশের পর টনক নড়বে প্রশাসনের?

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি এলাকার প্রায় তিন বিঘা পরিত্যক্ত একটি বাড়ী ঘিরে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। গহীন জঙ্গল আর ঝোপঝাড়ে ঘেরা জায়গাটিতে দিনের বেলাতেও সাধারণ মানুষ যেতে সাহস পান না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকা থেকে অটোচালকদের ভাড়া করে এনে এই নির্জন স্থানে আটকে রেখে রাতের আঁধারে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা ঘটছে।
সম্প্রতি ওমরগঞ্জ বাজারের অটোচালক মেহেদী হাসান ৭ আগস্ট নিখোঁজ হওয়ার দিন পর ১২ আগস্ট এই পরিত্যক্ত বাড়ী থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ। পরে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনে পুলিশ।
এরই মধ্যে বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, আসামিদের রিমান্ডে দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়ে নাঙ্গলকোট উপজেলার মক্রবপুর ইউনিয়নের টুয়া গ্রামের আরমান নামের আরও এক যুবককে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে।
খবর পেয়ে রাত প্রায় ১০টার দিকে জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মজুমদার ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে উপস্থিত হন আইআর টিভি নিউজ বাংলার প্রতিনিধিরাও। পরে বিষয়টি নাঙ্গলকোট থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায়। তবে তল্লাশিতে এখন পর্যন্ত আরমানের মরদেহ পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য যে গত ২৩ জুলাই আরমান নামের ১৪/১৫ বছরের অটোচালক কিশোরটি অটোসহ নিখোঁজ হয়। সম্প্রতি পাটোয়ারের নিহত মেহেদির অটোটি যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় সেখান থেকে আরমানের অটোটিও উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। কিন্তু আরমানে খোঁজ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মজুমদার বলেন, প্রায় তিন বিঘা জমির এই বসতভিটা দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় এটি এখন ঘন জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। তার দাবি,বাড়িটির মালিক হয়তো বাড়িতে বসবাস কর না হয় জায়গাটি সরকারি উদ্যোগে পরিষ্কার করে অসহায় ও ভূমিহীন মানুষের বসবাসের উপযোগী করে দেওয়া হোক।
পরিত্যক্ত এই জায়গাকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগে এখন স্থানীয়দের প্রশ্ন—আর কত লাশের পর টনক নড়বে প্রশাসনের?

আপনার মতামত লিখুন