কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের খিলা বাজার সড়কে নতুন নির্মিত পাকা সড়ক কেটে ড্রেন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে সড়কের স্থায়িত্ব নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ ও সরকারি অর্থের অপচয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলজিইডির আওতাধীন সড়কটি নির্মাণের পরপরই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে এ কাজের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত না করেই সড়ক কেটে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, যে স্থানে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে, সেটি বাস্তবে কতটা জনসাধারণের উপকারে আসবে—তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে সড়ক কাটার কারণে নতুন পাকা সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি ভেঙে গিয়ে যান চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
তাদের প্রশ্ন, জনগণের অর্থে নির্মিত একটি নতুন পাকা সড়ক যদি অন্য একটি প্রকল্পের কাজের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়, তাহলে এর দায়ভার কে নেবে? সড়ক পুনরায় সংস্কারের প্রয়োজন হলে সেই ব্যয়ই বা বহন করবে কোন কর্তৃপক্ষ?

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের খিলা বাজার সড়কে নতুন নির্মিত পাকা সড়ক কেটে ড্রেন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে সড়কের স্থায়িত্ব নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ ও সরকারি অর্থের অপচয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলজিইডির আওতাধীন সড়কটি নির্মাণের পরপরই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে এ কাজের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত না করেই সড়ক কেটে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, যে স্থানে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে, সেটি বাস্তবে কতটা জনসাধারণের উপকারে আসবে—তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে সড়ক কাটার কারণে নতুন পাকা সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি ভেঙে গিয়ে যান চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
তাদের প্রশ্ন, জনগণের অর্থে নির্মিত একটি নতুন পাকা সড়ক যদি অন্য একটি প্রকল্পের কাজের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়, তাহলে এর দায়ভার কে নেবে? সড়ক পুনরায় সংস্কারের প্রয়োজন হলে সেই ব্যয়ই বা বহন করবে কোন কর্তৃপক্ষ?

আপনার মতামত লিখুন