কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিএস খতিয়ানে নাম তুলে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ভোগদখলে থাকা দোকান ঘরসহ একটি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর আব্দুল জলিল গংদের বিরুদ্ধে। উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিষ্ণপুর মৌজার ২১২ নম্বর বিএস খতিয়ানভুক্ত ৫৫৬ দাগের ৩৫ শতক জমি পৈতৃক সূত্রে পান প্রয়াত আসলাম মিয়া। জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি স্ত্রী ছালেমা বেগম এবং দুই ছেলে ইউসূফ ও লোকমান হোসেনের নামে জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেন। পরে লোকমান হোসেন তাঁর মায়ের কাছ থেকে ১১ শতক জমি কিনে তা নিজ নামে নামজারি (খারিজ) করেন। বিগত ৩৫ বছর ধরে ওই জমির কিছু অংশে দোকান ঘর নির্মাণ এবং আর কিছু অংশে পুকুর করে মাছ চাষ করে আসছে পরিবারটি।
তবে অভিযোগ উঠেছে, ১৯৮৮ সালের ভূমি জরিপের সময় আসলাম মিয়ার ভাই প্রয়াত ইসমাইল হোসেন কৌশলে ওই দাগে বিএস খতিয়ানে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। দীর্ঘ সময় এ নিয়ে কোনো বিরোধ না থাকলেও সম্প্রতি ইসমাইল হোসেনের ছেলে আব্দুল জলিল জমিটি নিজের দাবি করে উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন করেন (আবেদন নম্বর: ২১৪৯)। বর্তমানে আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী লোকমান হোসেন বলেন, আমার দাদা প্রয়াত আহাম্মদ উল্ল্যাহর তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে জমি আগেই বণ্টন করা হয়। সেই অনুযায়ী আমার বাবা ৩৫ শতক জমির মালিক হন এবং আমাদের নামে রেজিস্ট্রি দেন। কিন্তু জেঠা ইসমাইল কৌশলে বিএস খতিয়ানে নিজের নাম ঢুকিয়ে দেন। এখন ৩৫ বছর ধরে আমাদের দখলে থাকা জমি দখলের চেষ্টা করছেন তাঁর ছেলে আব্দুল জলিল। আমরা প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আব্দুল জলিল বলেন, বিএস খতিয়ান অনুযায়ী আমার বাবা এই জমির মালিক। তাই নামজারির আবেদন করেছি। নামজারি সম্পন্ন হলে আমরা জমির দখলে যাব।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম জানান, জমির বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেখবেন। তবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি বা মারামারির কোনো আশঙ্কা থাকলে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চাকমা জানান, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরজমিনে গিয়ে জমিটি কার দখলে রয়েছে, তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিএস খতিয়ানে নাম তুলে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ভোগদখলে থাকা দোকান ঘরসহ একটি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর আব্দুল জলিল গংদের বিরুদ্ধে। উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিষ্ণপুর মৌজার ২১২ নম্বর বিএস খতিয়ানভুক্ত ৫৫৬ দাগের ৩৫ শতক জমি পৈতৃক সূত্রে পান প্রয়াত আসলাম মিয়া। জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি স্ত্রী ছালেমা বেগম এবং দুই ছেলে ইউসূফ ও লোকমান হোসেনের নামে জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেন। পরে লোকমান হোসেন তাঁর মায়ের কাছ থেকে ১১ শতক জমি কিনে তা নিজ নামে নামজারি (খারিজ) করেন। বিগত ৩৫ বছর ধরে ওই জমির কিছু অংশে দোকান ঘর নির্মাণ এবং আর কিছু অংশে পুকুর করে মাছ চাষ করে আসছে পরিবারটি।
তবে অভিযোগ উঠেছে, ১৯৮৮ সালের ভূমি জরিপের সময় আসলাম মিয়ার ভাই প্রয়াত ইসমাইল হোসেন কৌশলে ওই দাগে বিএস খতিয়ানে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। দীর্ঘ সময় এ নিয়ে কোনো বিরোধ না থাকলেও সম্প্রতি ইসমাইল হোসেনের ছেলে আব্দুল জলিল জমিটি নিজের দাবি করে উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন করেন (আবেদন নম্বর: ২১৪৯)। বর্তমানে আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী লোকমান হোসেন বলেন, আমার দাদা প্রয়াত আহাম্মদ উল্ল্যাহর তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে জমি আগেই বণ্টন করা হয়। সেই অনুযায়ী আমার বাবা ৩৫ শতক জমির মালিক হন এবং আমাদের নামে রেজিস্ট্রি দেন। কিন্তু জেঠা ইসমাইল কৌশলে বিএস খতিয়ানে নিজের নাম ঢুকিয়ে দেন। এখন ৩৫ বছর ধরে আমাদের দখলে থাকা জমি দখলের চেষ্টা করছেন তাঁর ছেলে আব্দুল জলিল। আমরা প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আব্দুল জলিল বলেন, বিএস খতিয়ান অনুযায়ী আমার বাবা এই জমির মালিক। তাই নামজারির আবেদন করেছি। নামজারি সম্পন্ন হলে আমরা জমির দখলে যাব।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম জানান, জমির বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেখবেন। তবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি বা মারামারির কোনো আশঙ্কা থাকলে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চাকমা জানান, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরজমিনে গিয়ে জমিটি কার দখলে রয়েছে, তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন