লাকসাম পৌরবাসীর হৃদয়ে আলহাজ্ব মজির আহমেদের জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে তাঁর সততা, সাহসিকতা ও উন্নয়নমূলক কাজের উজ্জ্বল ইতিহাস। সংক্ষেপে তাঁর অবদানগুলো তুলে ধরা হলো—
০১। ২০০১ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া ও পৌরসভার উন্নয়ন ২০০১ সালে তিনি লাকসাম পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বে পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হয়। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান পদ থেকে মেয়র পদে অধিষ্ঠিত হন।
২️। বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো উন্নয়ন তৎকালীন মেয়র হিসেবে তাঁর উদ্যোগে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের প্রধান সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করা হয়। ফলে পুরো পৌরসভা আলোকিত হয়ে ওঠে।
৩️। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা পৌরসভার মূল্যবান কিছু জায়গা ভূমিদস্যুদের কবল থেকে তিনি উদ্ধার ও সংরক্ষণ করেন।
৪️। অসহায়দের পাশে মানবিকতা যারা পৌর কর (ট্যাক্স) দিতে অক্ষম ছিলেন, অনেক সময় তিনি নিজের অর্থ দিয়ে তা পরিশোধ করতেন। এই মানবিকতার জন্য আজও তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে আছেন।
৫️। চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান তাঁর মেয়াদকালে পৌরসভায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি হতে দেননি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের পৌরসভা ভবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।
৬️। এক-এগারোর সময়ে সাহসী ভূমিকা ২০০৭ সালের এক-এগারোর সময়, যখন দেশের অনেক জনপ্রতিনিধি আত্মগোপনে চলে যান, তখন তিনি নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করে যান। এতে তিনি বিশেষভাবে আলোচনায় আসেন।
৭️। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তিনি নিজে যেমন দুর্নীতিমুক্ত ছিলেন, তেমনি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও কোনো ধরনের দুর্নীতি করতে দেননি।
৮️। সরকারি সুযোগ-সুবিধা পরিহার মেয়র থাকা অবস্থায় তিনি কোনো ব্যক্তিগত সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেননি। এমনকি সরকারি কাজেও পৌরসভার গাড়ি ব্যবহার না করে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করতেন।
৯️। স্বচ্ছ হিসাব ও আর্থিক শৃঙ্খলা দায়িত্ব ছাড়ার সময় তিনি পৌরসভার হিসাবে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা রেখে যান, যা তাঁর সুশাসনের প্রমাণ বহন করে।
১০। সরকারি স্বীকৃতি তাঁর সফল নেতৃত্ব ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি শ্রেষ্ঠ মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন এবং বাংলাদেশ সরকার থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
সব মিলিয়ে, সততা, সাহস, উন্নয়ন ও মানবিকতার অনন্য সমন্বয়ই আলহাজ্ব মজির আহমেদকে লাকসাম পৌরবাসীর প্রথম পছন্দে পরিণত করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
লাকসাম পৌরবাসীর হৃদয়ে আলহাজ্ব মজির আহমেদের জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে তাঁর সততা, সাহসিকতা ও উন্নয়নমূলক কাজের উজ্জ্বল ইতিহাস। সংক্ষেপে তাঁর অবদানগুলো তুলে ধরা হলো—
০১। ২০০১ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া ও পৌরসভার উন্নয়ন ২০০১ সালে তিনি লাকসাম পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বে পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হয়। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান পদ থেকে মেয়র পদে অধিষ্ঠিত হন।
২️। বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো উন্নয়ন তৎকালীন মেয়র হিসেবে তাঁর উদ্যোগে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের প্রধান সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করা হয়। ফলে পুরো পৌরসভা আলোকিত হয়ে ওঠে।
৩️। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা পৌরসভার মূল্যবান কিছু জায়গা ভূমিদস্যুদের কবল থেকে তিনি উদ্ধার ও সংরক্ষণ করেন।
৪️। অসহায়দের পাশে মানবিকতা যারা পৌর কর (ট্যাক্স) দিতে অক্ষম ছিলেন, অনেক সময় তিনি নিজের অর্থ দিয়ে তা পরিশোধ করতেন। এই মানবিকতার জন্য আজও তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে আছেন।
৫️। চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান তাঁর মেয়াদকালে পৌরসভায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি হতে দেননি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের পৌরসভা ভবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।
৬️। এক-এগারোর সময়ে সাহসী ভূমিকা ২০০৭ সালের এক-এগারোর সময়, যখন দেশের অনেক জনপ্রতিনিধি আত্মগোপনে চলে যান, তখন তিনি নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করে যান। এতে তিনি বিশেষভাবে আলোচনায় আসেন।
৭️। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তিনি নিজে যেমন দুর্নীতিমুক্ত ছিলেন, তেমনি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও কোনো ধরনের দুর্নীতি করতে দেননি।
৮️। সরকারি সুযোগ-সুবিধা পরিহার মেয়র থাকা অবস্থায় তিনি কোনো ব্যক্তিগত সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেননি। এমনকি সরকারি কাজেও পৌরসভার গাড়ি ব্যবহার না করে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করতেন।
৯️। স্বচ্ছ হিসাব ও আর্থিক শৃঙ্খলা দায়িত্ব ছাড়ার সময় তিনি পৌরসভার হিসাবে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা রেখে যান, যা তাঁর সুশাসনের প্রমাণ বহন করে।
১০। সরকারি স্বীকৃতি তাঁর সফল নেতৃত্ব ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি শ্রেষ্ঠ মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন এবং বাংলাদেশ সরকার থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
সব মিলিয়ে, সততা, সাহস, উন্নয়ন ও মানবিকতার অনন্য সমন্বয়ই আলহাজ্ব মজির আহমেদকে লাকসাম পৌরবাসীর প্রথম পছন্দে পরিণত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন