পুলিশ মানেই কি কেবল কঠোর শাসন আর আইনের বেড়াজাল? নাকি এর বাইরেও থাকা যায় সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেলেন লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকসুদ আহমেদ। তার কর্মকাল খুব বেশি দীর্ঘ না হলেও, এই অল্প দিনেই তিনি জয় করে নিয়েছেন লাকসামের সর্বস্তরের মানুষের মন। আজ তার বদলির খবরে লাকসামের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনদের মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
মাকসুদ আহমেদ লাকসাম থানায় যোগদানের পর থেকেই আমূল পরিবর্তনের ডাক দেন। সাধারণ মানুষ যেন কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি ওসির রুমে ঢুকে নিজের সমস্যার কথা বলতে পারেন, সেই ব্যবস্থা তিনি নিশ্চিত করেছিলেন। দালালের দৌরাত্ম্যমুক্ত এক স্বচ্ছ পুলিশি সেবা উপহার দিয়ে তিনি লাকসামে আস্থার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি ছিলেন অকুতোভয়। লাকসামে মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং কালচার বন্ধ এবং ইভটিজিং প্রতিরোধে তার নেওয়া কঠোর পদক্ষেপগুলো জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে রাতে টহল ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি নিজে মাঠে থেকে তদারকি করতেন। তার সময়ে লাকসামের সাধারণ মানুষ এক ধরণের স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে।
ওসি মাকসুদ আহমেদের বদলির সংবাদ জানাজানি হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে যেন ভালোবাসার বান ডেকেছে। কত কত মানুষ তার মানবিক কাজের স্মৃতিচারণ করছেন। নেটিজেনদের মতে, চেয়ারে অনেকেই আসেন এবং চলেও যান, কিন্তু মাকসুদ আহমেদ সাহেবের মতো মানুষরা মানুষের হৃদয়ে আজীবন গেঁথে থাকেন।
সরকারি চাকরিতে বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে লাকসামের মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা আর সহযোগিতা পেয়েছেন তা আমার সারা জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন হয়ে থাকবে।
লাকসামের সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, ওসি মাকসুদ আহমেদ পুলিশিং পেশার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া নতুন কর্মকর্তাও (নতুন ওসি কামরুন নাহার লাইলী) একইভাবে লাকসামের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে জনবান্ধব হয়ে কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
পুলিশ মানেই কি কেবল কঠোর শাসন আর আইনের বেড়াজাল? নাকি এর বাইরেও থাকা যায় সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেলেন লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকসুদ আহমেদ। তার কর্মকাল খুব বেশি দীর্ঘ না হলেও, এই অল্প দিনেই তিনি জয় করে নিয়েছেন লাকসামের সর্বস্তরের মানুষের মন। আজ তার বদলির খবরে লাকসামের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনদের মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
মাকসুদ আহমেদ লাকসাম থানায় যোগদানের পর থেকেই আমূল পরিবর্তনের ডাক দেন। সাধারণ মানুষ যেন কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি ওসির রুমে ঢুকে নিজের সমস্যার কথা বলতে পারেন, সেই ব্যবস্থা তিনি নিশ্চিত করেছিলেন। দালালের দৌরাত্ম্যমুক্ত এক স্বচ্ছ পুলিশি সেবা উপহার দিয়ে তিনি লাকসামে আস্থার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি ছিলেন অকুতোভয়। লাকসামে মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং কালচার বন্ধ এবং ইভটিজিং প্রতিরোধে তার নেওয়া কঠোর পদক্ষেপগুলো জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে রাতে টহল ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি নিজে মাঠে থেকে তদারকি করতেন। তার সময়ে লাকসামের সাধারণ মানুষ এক ধরণের স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে।
ওসি মাকসুদ আহমেদের বদলির সংবাদ জানাজানি হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে যেন ভালোবাসার বান ডেকেছে। কত কত মানুষ তার মানবিক কাজের স্মৃতিচারণ করছেন। নেটিজেনদের মতে, চেয়ারে অনেকেই আসেন এবং চলেও যান, কিন্তু মাকসুদ আহমেদ সাহেবের মতো মানুষরা মানুষের হৃদয়ে আজীবন গেঁথে থাকেন।
সরকারি চাকরিতে বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে লাকসামের মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা আর সহযোগিতা পেয়েছেন তা আমার সারা জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন হয়ে থাকবে।
লাকসামের সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, ওসি মাকসুদ আহমেদ পুলিশিং পেশার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া নতুন কর্মকর্তাও (নতুন ওসি কামরুন নাহার লাইলী) একইভাবে লাকসামের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে জনবান্ধব হয়ে কাজ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন