কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিচার চাইতে গিয়ে সৌদি আরব প্রবাসী ছালেহ আহমেদের পরিবার পুলিশের রোষানালে পড়ে হাজতবাসের অভিযোগ পাওয় গেছে।
জানাগেছে, গত ২ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের কান্দাল পশ্চিমপাড়া মোল্লা বাড়ি এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় সৌদি আরব প্রবাসী ছালেহ আহমদ এবং তার বড় ভাই হারুন অর রশিদ জসিম গুরুতর আহত হন।
প্রবাসী ছালেহ আহমেদের বড়ভাই হারুন অর রশিদ জসিম ন্যায় বিচারের আশায় নাঙ্গলকোট থানায় হাজির হয় উল্টো পুলিশী হয়রানির শিকার হন। কিন্তুু পুলিশ রহস্যজনক কারনে প্রবাসী ছালেহ আহমেদের পরিবারের অভিযোগ আমলে না নিয়ে বাদী পক্ষের লোকজনকে সারারাত থানা হাজতে আটকে রাখে। পরের মুছলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়।
নাংগলকোট সরকারি হাসপাতালে প্রবাসী ছালেহ আহমেদ ও তার বড়ভাই হারুনের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
ভুক্তভুগি প্রবাসী ছালেহ আহমেদ থানায় বিচার না-পেয়ে কুমিল্লা সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।
জানাগেছে, প্রতিবশী মিজানুর রহমানের সাথে প্রবাসী ছালেহ আহমেদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। প্রবাসে থাকার সুযোগে প্রতিবশী মিজান জাল জালিয়াতি মাধ্যমে ছালেহ আহমেদের বেশ কিছু জায়গা জবর দখল করে। যাকে কেন্দ্র করে গত ২ অক্টোবর তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রুপ নেয়। প্রবাসী ছালেহ আহমেদকে প্রাণনাশের উদ্দেশ্য কান্দাল গ্রামের উক্ত মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে শামীম, সিহাব উদ্দিন, ইমাম হোসেন, রাকিব, রাসেল আহমেদ, রবিউল হকের স্ত্রী বিলকিছ বেগম এবং মিজানুর রহমানের স্ত্রী ফেরদৌসি বেগম পরিকল্পিতভাবে প্রবাসী ছালেহ আহমেদের উপর হামলা চালায়।
মেডিকেল রিপোর্ট ও ভিডিও ফুটেজে ছালেহ আহমদের মাথার ডান পাশে লোহার অস্ত্র দিয়ে আঘাতের দৃশ্যমান। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। পরে তাকে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় হামলাকারীদের কয়েকজন লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাঁর হাত-পা, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।হামলার একপর্যায়ে ছালেহ আহমদের বুকের পকেটে থাকা ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
হামলার খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালায় সন্ত্রাসী মিজানের লোকজন।
অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন, প্রবাসী ছালেহ আহমেদের পক্ষে থানায় মামল করতে এসেছিলেন। আইডি কার্ড নিয়ে আসতে বলা হয়েছিলো তাদের। এরপর আর কেউ এব্যাপারে যোগাযোগ করনি। থানা হাজতে আটকে রাখার বিষয়টি অস্বীকার তিনি।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিচার চাইতে গিয়ে সৌদি আরব প্রবাসী ছালেহ আহমেদের পরিবার পুলিশের রোষানালে পড়ে হাজতবাসের অভিযোগ পাওয় গেছে।
জানাগেছে, গত ২ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের কান্দাল পশ্চিমপাড়া মোল্লা বাড়ি এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় সৌদি আরব প্রবাসী ছালেহ আহমদ এবং তার বড় ভাই হারুন অর রশিদ জসিম গুরুতর আহত হন।
প্রবাসী ছালেহ আহমেদের বড়ভাই হারুন অর রশিদ জসিম ন্যায় বিচারের আশায় নাঙ্গলকোট থানায় হাজির হয় উল্টো পুলিশী হয়রানির শিকার হন। কিন্তুু পুলিশ রহস্যজনক কারনে প্রবাসী ছালেহ আহমেদের পরিবারের অভিযোগ আমলে না নিয়ে বাদী পক্ষের লোকজনকে সারারাত থানা হাজতে আটকে রাখে। পরের মুছলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়।
নাংগলকোট সরকারি হাসপাতালে প্রবাসী ছালেহ আহমেদ ও তার বড়ভাই হারুনের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
ভুক্তভুগি প্রবাসী ছালেহ আহমেদ থানায় বিচার না-পেয়ে কুমিল্লা সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।
জানাগেছে, প্রতিবশী মিজানুর রহমানের সাথে প্রবাসী ছালেহ আহমেদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। প্রবাসে থাকার সুযোগে প্রতিবশী মিজান জাল জালিয়াতি মাধ্যমে ছালেহ আহমেদের বেশ কিছু জায়গা জবর দখল করে। যাকে কেন্দ্র করে গত ২ অক্টোবর তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রুপ নেয়। প্রবাসী ছালেহ আহমেদকে প্রাণনাশের উদ্দেশ্য কান্দাল গ্রামের উক্ত মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে শামীম, সিহাব উদ্দিন, ইমাম হোসেন, রাকিব, রাসেল আহমেদ, রবিউল হকের স্ত্রী বিলকিছ বেগম এবং মিজানুর রহমানের স্ত্রী ফেরদৌসি বেগম পরিকল্পিতভাবে প্রবাসী ছালেহ আহমেদের উপর হামলা চালায়।
মেডিকেল রিপোর্ট ও ভিডিও ফুটেজে ছালেহ আহমদের মাথার ডান পাশে লোহার অস্ত্র দিয়ে আঘাতের দৃশ্যমান। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। পরে তাকে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় হামলাকারীদের কয়েকজন লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাঁর হাত-পা, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।হামলার একপর্যায়ে ছালেহ আহমদের বুকের পকেটে থাকা ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
হামলার খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালায় সন্ত্রাসী মিজানের লোকজন।
অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন, প্রবাসী ছালেহ আহমেদের পক্ষে থানায় মামল করতে এসেছিলেন। আইডি কার্ড নিয়ে আসতে বলা হয়েছিলো তাদের। এরপর আর কেউ এব্যাপারে যোগাযোগ করনি। থানা হাজতে আটকে রাখার বিষয়টি অস্বীকার তিনি।

আপনার মতামত লিখুন