ঢাকা    শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সবুজ পত্র

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

নাঙ্গলকোটে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ ৫বছরেও শেষ হয়নি



নাঙ্গলকোটে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ ৫বছরেও শেষ হয়নি

নাঙ্গলকোট  জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহলোয় চরাঞ্চল বেষ্টিত চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের কাজ দীর্ঘ ৫বছরেও শেষ হয়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে বার-বার যোগাযোগ করেও অর্ধ-নির্মিত ওয়াশব্লকের কাজ শেষ করতে পারেননি। ওয়াশব্লকের কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্যানিটাইজেশন এবং টয়লেট ব্যবহারে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ২০২২ সালে এন এন জি পি এস প্রকল্পের মাধ্যমে চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ভবানিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাওগোদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং উত্তর শাকতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এরমধ্যে ভবানিপুর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও চরজামুরাইলসহ অন্য ২টি সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ গত প্রায় ৫ বছরেও শেষ হয়নি।

জানা যায়, দ্বি-তল বিশিষ্ট চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লকের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময়ে কাজ শুরু করে আবার চলে যায়। দ্বি-তল বিশিষ্ট ওয়াশ ব্লকটির দ্বি-তলার ভবনের কাজ শেষ হলেও ফিটিংস, ইলেকট্রিক্যাল, রং, বেসিন, বাথরুম, বাহিরের প্লাষ্টার, পানির সরবরাহ লাইন এবং টাইলসের কাজ অবশিষ্ট রয়েছে। এছাড়া সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা পর্যন্ত লাগানো হয়নি। বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশ্ববর্তী মসজিদের টয়লেট ব্যবহার করতে হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।

বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের স্যানিটাইজেশন এবং টয়লেট সারতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে অভিযোগ দিয়েও এখনো অবশিষ্ট নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকসানা আক্তার বলেন, ২০২২ সালে বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের কাজ শুরু হলেও গত ৫বছরেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওয়াশ ব্লকের কাজ শেষ না করায় আমাদেরকে স্যানিটাইজেশন এবং টয়লেট সারতে গিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শফিউল হক বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অবশিষ্ট দু‘টি ওয়াশ ব্লকের কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করবো।

আপনার মতামত লিখুন

সবুজ পত্র

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


নাঙ্গলকোটে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ ৫বছরেও শেষ হয়নি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নাঙ্গলকোট  জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহলোয় চরাঞ্চল বেষ্টিত চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের কাজ দীর্ঘ ৫বছরেও শেষ হয়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে বার-বার যোগাযোগ করেও অর্ধ-নির্মিত ওয়াশব্লকের কাজ শেষ করতে পারেননি। ওয়াশব্লকের কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্যানিটাইজেশন এবং টয়লেট ব্যবহারে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ২০২২ সালে এন এন জি পি এস প্রকল্পের মাধ্যমে চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ভবানিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাওগোদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং উত্তর শাকতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এরমধ্যে ভবানিপুর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও চরজামুরাইলসহ অন্য ২টি সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ গত প্রায় ৫ বছরেও শেষ হয়নি।

জানা যায়, দ্বি-তল বিশিষ্ট চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লকের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময়ে কাজ শুরু করে আবার চলে যায়। দ্বি-তল বিশিষ্ট ওয়াশ ব্লকটির দ্বি-তলার ভবনের কাজ শেষ হলেও ফিটিংস, ইলেকট্রিক্যাল, রং, বেসিন, বাথরুম, বাহিরের প্লাষ্টার, পানির সরবরাহ লাইন এবং টাইলসের কাজ অবশিষ্ট রয়েছে। এছাড়া সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা পর্যন্ত লাগানো হয়নি। বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশ্ববর্তী মসজিদের টয়লেট ব্যবহার করতে হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।

বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের স্যানিটাইজেশন এবং টয়লেট সারতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে অভিযোগ দিয়েও এখনো অবশিষ্ট নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকসানা আক্তার বলেন, ২০২২ সালে বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের কাজ শুরু হলেও গত ৫বছরেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওয়াশ ব্লকের কাজ শেষ না করায় আমাদেরকে স্যানিটাইজেশন এবং টয়লেট সারতে গিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শফিউল হক বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে চরজামুরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অবশিষ্ট দু‘টি ওয়াশ ব্লকের কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করবো।


সবুজ পত্র

প্রধান সম্পাদক: জামাল উদ্দিন স্বপন, প্রধান সম্পাদক কর্তৃক শতরূপা প্রিন্টার্স, সালাম কমপ্লেক্স দ্বিতীয় তলা, নিউ মার্কেট কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ৮২, বাইপাস সড়ক মধ্য লাকসাম, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৪, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন খান্দানি মার্কেট, লাকসাম, কুমিল্লা।

কপিরাইট © ২০২৬ সবুজ পত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত