লাকসাম পৌর শহর হাউজিং এস্টেটে নীতিমালা অমান্য করে বাণিজ্যিক আখড়ায় পরিণত হয়েছে। শান্ত ও নিরাপদ আবাসনের বিঘ্ন সৃষ্টিসহ নানাহ সমস্যা দেখা দিয়েছে।
জানা যায় ১৯৮৭ সালে লাকসাম পৌর শহরে নিরাপদ আবাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে তৎকালীন উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান ও ভাইয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব মোকছোদ আলী লাকসাম হাউজিং এস্টেটের যাত্রা শুরু করেন। এর পর দ্বিতীয় বার উপজেলা চেয়ারম্যান হন আবদুল খালেক দয়াল এবং মরহুম এডভোকেট এ টি এম আলমগীর (সাবেক এমপি) সাহেবের আমলে হাউজিং এস্টেটের সরকারি জায়গা বিভিন্ন নামে বেনামে ব্যাক্তিবর্গ লীজ নেন। হাউজিং এস্টেটে আবাসন গড়ে তোলা হয়। বর্তমানে হাউজিং এস্টেটে বাণিজ্যিক আখড়ায় পরিণত এবং প্রভাবশালী ও অসাধু চক্রের সীমাহীন লোভের বলি হয়েছে সরকারি জায়গা হাউজিং এস্টেট। হাউজিং এস্টেটের প্রতি প্লটেই এখন চলছে রমরমা বাণিজ্যিক আখড়া। হাউজিং এস্টেটে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে ৮২টি। হাউজিং এস্টেটে সরেজমিনে দেখা যায় অনুমোদিত প্লটের বাহিরেও বহু আবাসিক প্লট বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবসা করছে। এদিকে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর পার হলেও হাউজিং এস্টেটের নকশায় ১০-২২ শতক জায়গার মধ্যে কোন প্রাথমিক স্কুল স্থাপন হয়নি। অপরদিকে বরাদ্দকৃত কমিউনিটি সেন্টারের মূল্যবান জায়গায় এখনো কমিউনিটি সেন্টার নির্মান করা হয়নি। কমিউনিটি সেন্টারের এই জায়গায় সিএনজি স্ট্যান্ড করেছে প্রভাবশালীরা। শহরের মনোরম আবাসিক এলাকা হাউজিং এস্টেটে অবাধে ব্যবসা বাণিজ্য গড়ে তোলায় তীব্র শব্দ দূষণ হচ্ছে এবং বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে পড়েছে। হাউজিং এস্টেট বাসিন্দা কল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মীর হোসেন বলেন নিরাপদ আবাসনের জন্য হাউজিং এস্টেট স্থাপন করা হয়েছিল। বাসিন্দারা এখন নিরাপত্তাহীন। শব্দ দূষণ, ব্যবসা বাণিজ্যের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। হাউজিং এস্টেটের চারপাশে বাউন্ডারী ওয়াল নেই, কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ করা হয়নি। সিএনজি স্ট্যান্ড সরানো হয়নি। চারতলা ভবনের মসজিদ স্থাপন হলেও শব্দ দূষণের আওয়াজে মসজিদে নামাজ আদায় করতে সমস্যা হচ্ছে। লাকসাম পৌরসভা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস সুলাতানা বলেন হাউজিং এস্টেটে বাণিজ্যিক ব্যবসা বন্ধে হাউজিং বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে। নীতিমালার বাহিরে গিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করলে হাউজিংয়ের পরিবেশ নষ্ট হবে। হাউজিং বাসিন্দাদের কল্যাণ সমিতি রয়েছে। বাসিন্দারা অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লাকসাম পৌর শহর হাউজিং এস্টেটে নীতিমালা অমান্য করে বাণিজ্যিক আখড়ায় পরিণত হয়েছে। শান্ত ও নিরাপদ আবাসনের বিঘ্ন সৃষ্টিসহ নানাহ সমস্যা দেখা দিয়েছে।
জানা যায় ১৯৮৭ সালে লাকসাম পৌর শহরে নিরাপদ আবাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে তৎকালীন উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান ও ভাইয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব মোকছোদ আলী লাকসাম হাউজিং এস্টেটের যাত্রা শুরু করেন। এর পর দ্বিতীয় বার উপজেলা চেয়ারম্যান হন আবদুল খালেক দয়াল এবং মরহুম এডভোকেট এ টি এম আলমগীর (সাবেক এমপি) সাহেবের আমলে হাউজিং এস্টেটের সরকারি জায়গা বিভিন্ন নামে বেনামে ব্যাক্তিবর্গ লীজ নেন। হাউজিং এস্টেটে আবাসন গড়ে তোলা হয়। বর্তমানে হাউজিং এস্টেটে বাণিজ্যিক আখড়ায় পরিণত এবং প্রভাবশালী ও অসাধু চক্রের সীমাহীন লোভের বলি হয়েছে সরকারি জায়গা হাউজিং এস্টেট। হাউজিং এস্টেটের প্রতি প্লটেই এখন চলছে রমরমা বাণিজ্যিক আখড়া। হাউজিং এস্টেটে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে ৮২টি। হাউজিং এস্টেটে সরেজমিনে দেখা যায় অনুমোদিত প্লটের বাহিরেও বহু আবাসিক প্লট বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবসা করছে। এদিকে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর পার হলেও হাউজিং এস্টেটের নকশায় ১০-২২ শতক জায়গার মধ্যে কোন প্রাথমিক স্কুল স্থাপন হয়নি। অপরদিকে বরাদ্দকৃত কমিউনিটি সেন্টারের মূল্যবান জায়গায় এখনো কমিউনিটি সেন্টার নির্মান করা হয়নি। কমিউনিটি সেন্টারের এই জায়গায় সিএনজি স্ট্যান্ড করেছে প্রভাবশালীরা। শহরের মনোরম আবাসিক এলাকা হাউজিং এস্টেটে অবাধে ব্যবসা বাণিজ্য গড়ে তোলায় তীব্র শব্দ দূষণ হচ্ছে এবং বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে পড়েছে। হাউজিং এস্টেট বাসিন্দা কল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মীর হোসেন বলেন নিরাপদ আবাসনের জন্য হাউজিং এস্টেট স্থাপন করা হয়েছিল। বাসিন্দারা এখন নিরাপত্তাহীন। শব্দ দূষণ, ব্যবসা বাণিজ্যের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। হাউজিং এস্টেটের চারপাশে বাউন্ডারী ওয়াল নেই, কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ করা হয়নি। সিএনজি স্ট্যান্ড সরানো হয়নি। চারতলা ভবনের মসজিদ স্থাপন হলেও শব্দ দূষণের আওয়াজে মসজিদে নামাজ আদায় করতে সমস্যা হচ্ছে। লাকসাম পৌরসভা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস সুলাতানা বলেন হাউজিং এস্টেটে বাণিজ্যিক ব্যবসা বন্ধে হাউজিং বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে। নীতিমালার বাহিরে গিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করলে হাউজিংয়ের পরিবেশ নষ্ট হবে। হাউজিং বাসিন্দাদের কল্যাণ সমিতি রয়েছে। বাসিন্দারা অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন