ঢাকা    সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সবুজ পত্র

লাকসামে জ্বাল স্বাক্ষরে দলিল সৃজন; বৃদ্ধার জমি দখলের চেষ্টা, সু বিচার ছেয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবার



লাকসামে জ্বাল স্বাক্ষরে দলিল সৃজন; বৃদ্ধার জমি দখলের চেষ্টা, সু বিচার ছেয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবার

কুমিল্লা জেলার লাকসাম বাকই ইউনিয়ন ১২১ নম্বর কোয়ার মৌজায় ৭৮ বছরের বৃদ্ধ আবুল হাশেমকে প্রতারণায় বোকা সাজিয়ে ১৭ শতক নাল ভূমি মালিকানা দাবী করে প্রতিবেশী ইয়াছিন নামক এক প্রতারক। ৭৮ বছরের বৃদ্ধ আবুল হাশেম এর স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে জাল দলিল সৃজনের ঘটনা ঘটেছে বলে ভূক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক এবং প্রশাসনের বরাবর একাধিক অভিযোগ দায়ের করে সুষ্ঠু তদন্ত মুলক সু বিচার চেয়েছেন আবুল হাশেম এর ছেলে মোঃ শাহাজাহান কবির, তিনি এক অভিযোগে জানান,আমার পিতা আবুল হাশেম বয়স ৭৮ দ্বিতীয় বিয়ে করার করনে পৃথক বাড়ীতে বসবাস করেন। নতুন বাড়ী করার সময় ও আমার সতাই ভাই শাহপরান কে প্রবাসে পাঠানোর জন্য টাকার প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন সতাই মাতা চন্দ্রা বিবি। প্রতিবেশী,এলাকার মুরব্বী গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা এ বিষয়ে অবগত রয়েছেন । নিজস্ব প্রয়োজনে টাকা ফেরত চাইলে সতাই মাতা ও আমার পিতার সিদ্ধান্ত মতে ২০২৫ইং আত্মীয় স্বজন সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে ১১২ নম্বর খতিয়ানের দাগ নম্বর ৬৪৯, মোট ১৭ শতক ভূমি আমারে নামে হেবা দলিল দিলে সরকারি খারিজ খতিয়ানে ভূমির মালিকানা হিসেবে নিযুক্ত হই। পিতার অসুস্থতায় ঔষধ ও সাধারণ খরচ বহনে এলাকাবাসীর মৌখিক পরামর্শে ভূমিটি বিশেষ কারনে ব্যবহার, নিজের দায়িত্বে চাষাবাদ করেন। ওই ভূমিটি বর্তমানে আমার নামে সরকারী খারিজে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সম্প্রতি জানতে পাই ওই জমির মালিক অন্যজন বনে গেছেন বলে এলাকায় বলাবলি প্রচার করেন। এতে আইনগত ভাবে প্রতিবাদ করিলে ঘটনায় আসল সত্যতা প্রকাশ পেলে ব্যাপক প্রতারণা করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় প্রশাসনকে ভূল বুঝিয়ে ভূমি অফসের অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়।আমার আব্বা কখনো স্বাক্ষর জানেন না, টিপসহি মাধ্যমে সকল দায়িত্ব পূর্ণ কাজ চলে। জাতীয় পরিচয়পত্র তা প্রমান মিলবে, তিনিএকজন দিশেহার, একটু পর পর শ্রবন ভূলে উলট পালট কথা বলে আসছেন, মাঝে মধ্যে কাউকে চিনেন না, বুঝেন না এ কারনে মানুষিক রোগী হওয়ায় চিকিৎসা চলছে। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর কয়কটি অভিযোগ দায়ের করিলে স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্তমুলক প্রয়োজনীয় ব্যাস্থাগ্রহনের আহবান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সবুজ পত্র

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লাকসামে জ্বাল স্বাক্ষরে দলিল সৃজন; বৃদ্ধার জমি দখলের চেষ্টা, সু বিচার ছেয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুমিল্লা জেলার লাকসাম বাকই ইউনিয়ন ১২১ নম্বর কোয়ার মৌজায় ৭৮ বছরের বৃদ্ধ আবুল হাশেমকে প্রতারণায় বোকা সাজিয়ে ১৭ শতক নাল ভূমি মালিকানা দাবী করে প্রতিবেশী ইয়াছিন নামক এক প্রতারক। ৭৮ বছরের বৃদ্ধ আবুল হাশেম এর স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে জাল দলিল সৃজনের ঘটনা ঘটেছে বলে ভূক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক এবং প্রশাসনের বরাবর একাধিক অভিযোগ দায়ের করে সুষ্ঠু তদন্ত মুলক সু বিচার চেয়েছেন আবুল হাশেম এর ছেলে মোঃ শাহাজাহান কবির, তিনি এক অভিযোগে জানান,আমার পিতা আবুল হাশেম বয়স ৭৮ দ্বিতীয় বিয়ে করার করনে পৃথক বাড়ীতে বসবাস করেন। নতুন বাড়ী করার সময় ও আমার সতাই ভাই শাহপরান কে প্রবাসে পাঠানোর জন্য টাকার প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন সতাই মাতা চন্দ্রা বিবি। প্রতিবেশী,এলাকার মুরব্বী গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা এ বিষয়ে অবগত রয়েছেন । নিজস্ব প্রয়োজনে টাকা ফেরত চাইলে সতাই মাতা ও আমার পিতার সিদ্ধান্ত মতে ২০২৫ইং আত্মীয় স্বজন সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে ১১২ নম্বর খতিয়ানের দাগ নম্বর ৬৪৯, মোট ১৭ শতক ভূমি আমারে নামে হেবা দলিল দিলে সরকারি খারিজ খতিয়ানে ভূমির মালিকানা হিসেবে নিযুক্ত হই। পিতার অসুস্থতায় ঔষধ ও সাধারণ খরচ বহনে এলাকাবাসীর মৌখিক পরামর্শে ভূমিটি বিশেষ কারনে ব্যবহার, নিজের দায়িত্বে চাষাবাদ করেন। ওই ভূমিটি বর্তমানে আমার নামে সরকারী খারিজে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সম্প্রতি জানতে পাই ওই জমির মালিক অন্যজন বনে গেছেন বলে এলাকায় বলাবলি প্রচার করেন। এতে আইনগত ভাবে প্রতিবাদ করিলে ঘটনায় আসল সত্যতা প্রকাশ পেলে ব্যাপক প্রতারণা করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় প্রশাসনকে ভূল বুঝিয়ে ভূমি অফসের অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়।আমার আব্বা কখনো স্বাক্ষর জানেন না, টিপসহি মাধ্যমে সকল দায়িত্ব পূর্ণ কাজ চলে। জাতীয় পরিচয়পত্র তা প্রমান মিলবে, তিনিএকজন দিশেহার, একটু পর পর শ্রবন ভূলে উলট পালট কথা বলে আসছেন, মাঝে মধ্যে কাউকে চিনেন না, বুঝেন না এ কারনে মানুষিক রোগী হওয়ায় চিকিৎসা চলছে। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর কয়কটি অভিযোগ দায়ের করিলে স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্তমুলক প্রয়োজনীয় ব্যাস্থাগ্রহনের আহবান জানানো হয়।


সবুজ পত্র

প্রধান সম্পাদক: জামাল উদ্দিন স্বপন, প্রধান সম্পাদক কর্তৃক শতরূপা প্রিন্টার্স, সালাম কমপ্লেক্স দ্বিতীয় তলা, নিউ মার্কেট কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ৮২, বাইপাস সড়ক মধ্য লাকসাম, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৪, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন খান্দানি মার্কেট, লাকসাম, কুমিল্লা।

কপিরাইট © ২০২৬ সবুজ পত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত