ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সবুজ পত্র

মনোহরগঞ্জে চুরির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১



মনোহরগঞ্জে চুরির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় চুরির মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি সুজুকি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা থেকে আন্তঃজেলা চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম মো. ইমরাজ খান পিন্টু (৪২)। সে নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার চরপারবতী ইউনিয়নের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত দিবাগত রাতে মনোহরগঞ্জ থানার ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের কেশতলা এলাকার হাজী বাড়ির বাসিন্দা শামীম আলম সৈকতের বসতবাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে অজ্ঞাতনামা চোরেরা ঘরে প্রবেশ করে। পরে সিঁড়ি কক্ষ থেকে তাঁর ব্যবহৃত সুজুকি মোনোটন ১৫৫ সিসি মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী শামীম আলম সৈকত মনোহরগঞ্জ থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাকসুদুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় তদন্ত শুরু হয়। জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. সুদীপ্ত শাহীনের নেতৃত্বে, এএসআই (নিঃ) মোছলেহ উদ্দিনসহ থানার একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানের একপর্যায়ে ৮ জুলাই রাতে আসামির নিজ বাড়ি থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ ইমরাজ খান পিন্টুকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে চুরির কথা স্বীকার করেছে।

মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ইমরাজ খান পিন্টুকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এই চুরির সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চোর চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। অপরাধ দমনে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ফলেই এত দ্রুত সময়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন

সবুজ পত্র

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মনোহরগঞ্জে চুরির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় চুরির মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি সুজুকি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা থেকে আন্তঃজেলা চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম মো. ইমরাজ খান পিন্টু (৪২)। সে নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার চরপারবতী ইউনিয়নের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত দিবাগত রাতে মনোহরগঞ্জ থানার ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের কেশতলা এলাকার হাজী বাড়ির বাসিন্দা শামীম আলম সৈকতের বসতবাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে অজ্ঞাতনামা চোরেরা ঘরে প্রবেশ করে। পরে সিঁড়ি কক্ষ থেকে তাঁর ব্যবহৃত সুজুকি মোনোটন ১৫৫ সিসি মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী শামীম আলম সৈকত মনোহরগঞ্জ থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাকসুদুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় তদন্ত শুরু হয়। জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. সুদীপ্ত শাহীনের নেতৃত্বে, এএসআই (নিঃ) মোছলেহ উদ্দিনসহ থানার একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানের একপর্যায়ে ৮ জুলাই রাতে আসামির নিজ বাড়ি থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ ইমরাজ খান পিন্টুকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে চুরির কথা স্বীকার করেছে।

মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ইমরাজ খান পিন্টুকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এই চুরির সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চোর চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। অপরাধ দমনে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ফলেই এত দ্রুত সময়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।


সবুজ পত্র

প্রধান সম্পাদক: জামাল উদ্দিন স্বপন, প্রধান সম্পাদক কর্তৃক শতরূপা প্রিন্টার্স, সালাম কমপ্লেক্স দ্বিতীয় তলা, নিউ মার্কেট কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ৮২, বাইপাস সড়ক মধ্য লাকসাম, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৪, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন খান্দানি মার্কেট, লাকসাম, কুমিল্লা।

কপিরাইট © ২০২৬ সবুজ পত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত