কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত ও গাছ কাটার বিরোধের জের ধরে এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে জখম, স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই এবং বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ও শুক্রবার (১৫ মে) উপজেলার দাদঘর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বৃদ্ধা মোসাঃ আয়রা বেগম মায়া (৫০) বাদী হয়ে মনোহরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দাদঘর গ্রামের বাসিন্দা মৃত নূরুল ইসলামের মেয়ে এবং মোশারফ হোসেনের স্ত্রী আয়রা বেগম মায়ার সাথে একই এলাকার বিবাদীদের পূর্ব বিরোধ চলছিল। গত বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০:৩০ মিনিটে বিবাদী কোহিনুর বেগম (৫৩) ও খাদিজা আক্তারসহ (২৫) অন্যরা আয়েশা বেগমের বাগানের ফলদ গাছ কেটে নষ্ট করতে থাকেন। এর প্রতিবাদ জানালে বিবাদীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
এর প্রায় ১ ঘণ্টা পর বিবাদীরা দলবদ্ধ হয়ে আয়রা বেগম মায়ার উঠানে প্রবেশ করে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে। হামলাকারীরা তার গলা থেকে ১ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ভেঙে ফেলে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
ভুক্তভোগী আয়রা বেগম জানান, ঘটনার পরদিন শুক্রবার তার মেয়েরা বাগান সুরক্ষার জন্য বেড়া দিতে গেলে প্রতিপক্ষরা আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ওইদিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের ১৫-২০ জন ভাড়াটে সন্ত্রা'সী নিয়ে জাবেদ ও মাদক ব্যবসায়ী রাহুল নামের দুই যুবকের নেতৃত্বে তাদের বাড়িতে পুনরায় হা"মলা চালানো হয়। হাম'লাকারীরা ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে এবং বাগানের গাছপালা কু'ড়াল দিয়ে কেটে সাবাড় করে দেয়।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হামলাকারীরা আয়রা বেগমের একটি দেশি মুরগির খামার থেকে প্রায় ১৫০টি মুরগি লুট করে নিয়ে যায় এবং তার এতিম নাতির একটি বাইসাইকেল ছিনিয়ে নেয়।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে তারা চরম নিরা"পত্তাহীন'তায় ভুগছেন। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক জড়িতদের বি'রুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আয়শা বেগম।
এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, অভিযোগটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষ দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত ও গাছ কাটার বিরোধের জের ধরে এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে জখম, স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই এবং বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ও শুক্রবার (১৫ মে) উপজেলার দাদঘর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বৃদ্ধা মোসাঃ আয়রা বেগম মায়া (৫০) বাদী হয়ে মনোহরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দাদঘর গ্রামের বাসিন্দা মৃত নূরুল ইসলামের মেয়ে এবং মোশারফ হোসেনের স্ত্রী আয়রা বেগম মায়ার সাথে একই এলাকার বিবাদীদের পূর্ব বিরোধ চলছিল। গত বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০:৩০ মিনিটে বিবাদী কোহিনুর বেগম (৫৩) ও খাদিজা আক্তারসহ (২৫) অন্যরা আয়েশা বেগমের বাগানের ফলদ গাছ কেটে নষ্ট করতে থাকেন। এর প্রতিবাদ জানালে বিবাদীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
এর প্রায় ১ ঘণ্টা পর বিবাদীরা দলবদ্ধ হয়ে আয়রা বেগম মায়ার উঠানে প্রবেশ করে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে। হামলাকারীরা তার গলা থেকে ১ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ভেঙে ফেলে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
ভুক্তভোগী আয়রা বেগম জানান, ঘটনার পরদিন শুক্রবার তার মেয়েরা বাগান সুরক্ষার জন্য বেড়া দিতে গেলে প্রতিপক্ষরা আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ওইদিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের ১৫-২০ জন ভাড়াটে সন্ত্রা'সী নিয়ে জাবেদ ও মাদক ব্যবসায়ী রাহুল নামের দুই যুবকের নেতৃত্বে তাদের বাড়িতে পুনরায় হা"মলা চালানো হয়। হাম'লাকারীরা ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে এবং বাগানের গাছপালা কু'ড়াল দিয়ে কেটে সাবাড় করে দেয়।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হামলাকারীরা আয়রা বেগমের একটি দেশি মুরগির খামার থেকে প্রায় ১৫০টি মুরগি লুট করে নিয়ে যায় এবং তার এতিম নাতির একটি বাইসাইকেল ছিনিয়ে নেয়।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে তারা চরম নিরা"পত্তাহীন'তায় ভুগছেন। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক জড়িতদের বি'রুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আয়শা বেগম।
এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, অভিযোগটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষ দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন