কুমিল্লায় বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুমকে আটক প্রসঙ্গে ৪মে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাসস্ট্যান্ড ও সিএনজি স্ট্যান্ডে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ জিজ্ঞেসাবাদের জন্য তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তী মুচলেকা আদায়ের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও থানা থেকে বের হয়ে বিএনপি নেতা রেজাউল বিষয়টিকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই সাথে নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন। উল্লেখ্য, দলের অভ্যান্তরে লুকিয়ে থাকা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযানের সুচনা ৩ মার্চ কুমিল্লা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউলকে দিয়ে শুরু হয়।কুমিল্লার শাসনগাছা এলাকার শাসক বিএনপির এই নেতা। বাসস্ট্যান্ড ও সিএনজি স্টেশনের নিয়ন্ত্রক তিনি। ৫ আগস্টের পূর্বে কুমিল্লা -ঢাকা রুটে বাসভাড়া ছিলো ২০০ টাকা। কিন্ত রেজাউলের নির্দেশে এই ভাড়া ২৫০টাকায় উন্নীতকরণের অভিযোগ রয়েছে। শাসনগাছা- বুড়িচং রুটে সিএনজি থেকে দৈনিক ১৫ টাকা জিপি আদায়ের কথা। কিন্তু দৈনিক ৩ দফা ১২০ টাকা হারে প্রতিটি সিএনজি থেকে বিএনপির এই নেতার নির্দেশে জিপি আদায় করা হচ্ছিলো। যা নিয়ে এতোদিন তীব্র অসন্তোষ ছিলো শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের মাঝে। গত ১মে মহান মে দিবসের কর্মসূচী হিসেবে সিএনজি শ্রমিকরা ঘেরাও করে কুমিল্লা -৫ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিনের গাড়ী। তারা জিপির নামে দৈনিক ৩ দফা এই ১২০ টাকা হারে চাঁদাবাজী বন্ধের দাবী জানান। বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন টেলিফোনে কুমিল্লা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউলের সাথে কথা বলে আশানুরূপ সদুত্তর পাননি। উল্টো ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয় রেজাউল কাইয়ুম সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিনকে চ্যালেন্জ ছুড়ে দেন। এমন কি তিনি সংসদ সদস্যকে সীমান্ত এলাকার মাদক সিন্ডিকেটের সাথে সম্পৃক্ত করে কটাক্ষ করেন। যা সোস্যাল মিডিয়ার কল্যাণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিএনপির হাইকমান্ডের দৃষ্টি গোছর হয়। ৩ মে ২০২৬ দিনভর কুমিল্লার রাজনীতিতে রেজাউল কাইয়ুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আটক রাখার প্রতিবাদে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করে। মিছিল, মিটিং, বিক্ষোভ, থানা ঘেরাও কর্মসূচী পালন করা হয়। এতো কিছুর পরও মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছিলোনা রেজাউলকে। অতপর সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেনদরবারের মাধ্যমে ১২ ঘন্টা পর গভীর রাতে মুচলেকা আদায়ের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয় রেজাউলকে। মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিনের আশীর্বাদপুষ্ঠ নেতা হিসেবে বিএনপির এই নেতা চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের ঘটনা কুমিল্লার রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইংগিত বহন করে। বিএনপির নাম ভাংগিয়ে কুমিল্লার মতো দেশের অন্যান্য এলাকার জিপি চাঁদাবাজদের জন্য বিষয়টি অশনিসংকেত।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
কুমিল্লায় বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুমকে আটক প্রসঙ্গে ৪মে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাসস্ট্যান্ড ও সিএনজি স্ট্যান্ডে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ জিজ্ঞেসাবাদের জন্য তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তী মুচলেকা আদায়ের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও থানা থেকে বের হয়ে বিএনপি নেতা রেজাউল বিষয়টিকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই সাথে নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন। উল্লেখ্য, দলের অভ্যান্তরে লুকিয়ে থাকা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযানের সুচনা ৩ মার্চ কুমিল্লা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউলকে দিয়ে শুরু হয়।কুমিল্লার শাসনগাছা এলাকার শাসক বিএনপির এই নেতা। বাসস্ট্যান্ড ও সিএনজি স্টেশনের নিয়ন্ত্রক তিনি। ৫ আগস্টের পূর্বে কুমিল্লা -ঢাকা রুটে বাসভাড়া ছিলো ২০০ টাকা। কিন্ত রেজাউলের নির্দেশে এই ভাড়া ২৫০টাকায় উন্নীতকরণের অভিযোগ রয়েছে। শাসনগাছা- বুড়িচং রুটে সিএনজি থেকে দৈনিক ১৫ টাকা জিপি আদায়ের কথা। কিন্তু দৈনিক ৩ দফা ১২০ টাকা হারে প্রতিটি সিএনজি থেকে বিএনপির এই নেতার নির্দেশে জিপি আদায় করা হচ্ছিলো। যা নিয়ে এতোদিন তীব্র অসন্তোষ ছিলো শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের মাঝে। গত ১মে মহান মে দিবসের কর্মসূচী হিসেবে সিএনজি শ্রমিকরা ঘেরাও করে কুমিল্লা -৫ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিনের গাড়ী। তারা জিপির নামে দৈনিক ৩ দফা এই ১২০ টাকা হারে চাঁদাবাজী বন্ধের দাবী জানান। বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন টেলিফোনে কুমিল্লা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউলের সাথে কথা বলে আশানুরূপ সদুত্তর পাননি। উল্টো ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয় রেজাউল কাইয়ুম সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিনকে চ্যালেন্জ ছুড়ে দেন। এমন কি তিনি সংসদ সদস্যকে সীমান্ত এলাকার মাদক সিন্ডিকেটের সাথে সম্পৃক্ত করে কটাক্ষ করেন। যা সোস্যাল মিডিয়ার কল্যাণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিএনপির হাইকমান্ডের দৃষ্টি গোছর হয়। ৩ মে ২০২৬ দিনভর কুমিল্লার রাজনীতিতে রেজাউল কাইয়ুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আটক রাখার প্রতিবাদে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করে। মিছিল, মিটিং, বিক্ষোভ, থানা ঘেরাও কর্মসূচী পালন করা হয়। এতো কিছুর পরও মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছিলোনা রেজাউলকে। অতপর সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেনদরবারের মাধ্যমে ১২ ঘন্টা পর গভীর রাতে মুচলেকা আদায়ের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয় রেজাউলকে। মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিনের আশীর্বাদপুষ্ঠ নেতা হিসেবে বিএনপির এই নেতা চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের ঘটনা কুমিল্লার রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইংগিত বহন করে। বিএনপির নাম ভাংগিয়ে কুমিল্লার মতো দেশের অন্যান্য এলাকার জিপি চাঁদাবাজদের জন্য বিষয়টি অশনিসংকেত।

আপনার মতামত লিখুন