কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁয়ে অবস্থিত পৃথিবীর একমাত্র মুসলিম মহিলা নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ির পূর্ব দিকের প্রবেশপথ বিএনপির নামভাংগিয়ে জবরদখল করে বহাল তবিয়তে আছেন স্থানীয় ভুমিদস্যু ছৈয়দ আলী। এ ব্যাপারে প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে।
জানাগেছে, স্হানীয় বিএনপির একটি অসাধু চক্র এই ভুমিদস্যুদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে ইতিমধ্যে বড়ধরনের আর্থিক বানিজ্য করেছে।
বিগত ১৭ বছর জনৈক আমির হোসেন কেোন স্হাপনা নির্মান করতে না পারলে স্হানীয় এক নেতাকে ম্যানেজের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ৩ তলা ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করেছেন।
নবাব ফয়জুন্নেছা জাদুঘরে গাড়ী নিয়ে প্রবেশে প্রত্নতত্ত্বের গেজেটভুক্ত একমাত্র পথটি গত ৩১ অক্টোবর ২০২৪ বেআইনীভাবে ওয়াল তুলে বন্ধ করে দেয় ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি কার্যকরী সদস্য ছৈয়দ আলী ও তার ছেলে ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ইবরাহিম খলিল। যা এসিল্যান্ডের পক্ষথেকে আদালতে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রেরিত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৃথক দুটি তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রবেশ পথটি বন্ধ করার ফলে জাদুঘরে গাড়ী নিয়ে যাতায়াত ও প্রশাসনিক কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।যা প্রত্নতত্ত্ব বিধিমালায় চরম লংঘনও বটে।
উল্লেখ্য, বিএনপির নামভাংগিয়ে ছৈয়দ আলী ও তার ছেলে ইব্রাহিম খলিলের এহেন বেআইনী কর্মকান্ডে দলের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। এই ভুমিদস্যু চক্রের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে স্হানীয় সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালামের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।
উল্লেখ্য, ১০ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদের নির্বাচনত্তোর এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালাম বলেছেন, নবাব ফয়জুন্নেছা স্মৃতি সংরক্ষণে ও ভূমিদস্যুদের দখলবাজীর ব্যাপারে তিনি জিরো টলারেন্স। বেআইনী কর্মকান্ডে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।
জানাগেছে,গত ২৬ ফেব্রুয়ারী ভূমিদস্যু আবুল কালাম বিপু রাতের আঁধারে নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদারের একটি স্হাপনা দখল করলে সংসদ সদস্যের নির্দেশে স্হানীয় জনগনের সহায়তায় প্রশাসন তৎক্ষনাৎ উচ্ছেদ অভিযান চালায়। সংসদ সদস্য আবুল কালামের এই পদক্ষেপ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁয়ে অবস্থিত পৃথিবীর একমাত্র মুসলিম মহিলা নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ির পূর্ব দিকের প্রবেশপথ বিএনপির নামভাংগিয়ে জবরদখল করে বহাল তবিয়তে আছেন স্থানীয় ভুমিদস্যু ছৈয়দ আলী। এ ব্যাপারে প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে।
জানাগেছে, স্হানীয় বিএনপির একটি অসাধু চক্র এই ভুমিদস্যুদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে ইতিমধ্যে বড়ধরনের আর্থিক বানিজ্য করেছে।
বিগত ১৭ বছর জনৈক আমির হোসেন কেোন স্হাপনা নির্মান করতে না পারলে স্হানীয় এক নেতাকে ম্যানেজের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ৩ তলা ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করেছেন।
নবাব ফয়জুন্নেছা জাদুঘরে গাড়ী নিয়ে প্রবেশে প্রত্নতত্ত্বের গেজেটভুক্ত একমাত্র পথটি গত ৩১ অক্টোবর ২০২৪ বেআইনীভাবে ওয়াল তুলে বন্ধ করে দেয় ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি কার্যকরী সদস্য ছৈয়দ আলী ও তার ছেলে ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ইবরাহিম খলিল। যা এসিল্যান্ডের পক্ষথেকে আদালতে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রেরিত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৃথক দুটি তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রবেশ পথটি বন্ধ করার ফলে জাদুঘরে গাড়ী নিয়ে যাতায়াত ও প্রশাসনিক কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।যা প্রত্নতত্ত্ব বিধিমালায় চরম লংঘনও বটে।
উল্লেখ্য, বিএনপির নামভাংগিয়ে ছৈয়দ আলী ও তার ছেলে ইব্রাহিম খলিলের এহেন বেআইনী কর্মকান্ডে দলের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। এই ভুমিদস্যু চক্রের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে স্হানীয় সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালামের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।
উল্লেখ্য, ১০ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদের নির্বাচনত্তোর এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালাম বলেছেন, নবাব ফয়জুন্নেছা স্মৃতি সংরক্ষণে ও ভূমিদস্যুদের দখলবাজীর ব্যাপারে তিনি জিরো টলারেন্স। বেআইনী কর্মকান্ডে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।
জানাগেছে,গত ২৬ ফেব্রুয়ারী ভূমিদস্যু আবুল কালাম বিপু রাতের আঁধারে নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদারের একটি স্হাপনা দখল করলে সংসদ সদস্যের নির্দেশে স্হানীয় জনগনের সহায়তায় প্রশাসন তৎক্ষনাৎ উচ্ছেদ অভিযান চালায়। সংসদ সদস্য আবুল কালামের এই পদক্ষেপ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন