কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের দপ্তরে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে এবং জন্মনিবন্ধন-সহ বিভিন্ন সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার দৌলখাঁড়, বটতলী, মৌকরা, হেসাখাল ও পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদে তালা দিয়ে চেয়ারম্যানদের দপ্তরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। চেয়ারম্যানরা দাবি করেছেন, হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে তারা দায়িত্বে পুনর্বহাল হলেও স্থানীয়ভাবে বাধার মুখে পড়ছেন।
মৌকরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফ উদ্দিন আলমগীর বললেন, ৫ আগস্টের ঘটনার পর আমাদের অনুপস্থিত দেখিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরে আমরা আদালতের রায় পেয়ে পুনরায় দায়িত্বে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু পরিষদে তালা দিয়ে আমাদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এতে জনগণও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
হেসাখাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার মজুমদার অভিযোগ করেন, স্থানীয় কিছু পক্ষ ও প্রশাসনিক কর্মীদের যোগসাজশে পূর্বে প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম হয়েছে। তিনি বলেন,আমরা দায়িত্বে গেলে এসব অনিয়ম বন্ধ হয়ে যাবে, এ কারণেই আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য অভিযোগ করেন, পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং এতে তারা কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিলেন।
এদিকে সেবা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক দিন ধরে জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ-সহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা বন্ধ রয়েছে। পেরিয়া ও দৌলখাঁড় ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কবির আহমেদ বলছেন, জনগণ সেবা না পেয়ে আমাদের ওপর ক্ষুব্ধ হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ বলেন, তালা দেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। জনগণ যাতে সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু রায়হান বলেন,হাইকোর্টের রায়ে চেয়ারম্যানরা বহাল রয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের দপ্তরে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে এবং জন্মনিবন্ধন-সহ বিভিন্ন সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার দৌলখাঁড়, বটতলী, মৌকরা, হেসাখাল ও পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদে তালা দিয়ে চেয়ারম্যানদের দপ্তরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। চেয়ারম্যানরা দাবি করেছেন, হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে তারা দায়িত্বে পুনর্বহাল হলেও স্থানীয়ভাবে বাধার মুখে পড়ছেন।
মৌকরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফ উদ্দিন আলমগীর বললেন, ৫ আগস্টের ঘটনার পর আমাদের অনুপস্থিত দেখিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরে আমরা আদালতের রায় পেয়ে পুনরায় দায়িত্বে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু পরিষদে তালা দিয়ে আমাদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এতে জনগণও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
হেসাখাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার মজুমদার অভিযোগ করেন, স্থানীয় কিছু পক্ষ ও প্রশাসনিক কর্মীদের যোগসাজশে পূর্বে প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম হয়েছে। তিনি বলেন,আমরা দায়িত্বে গেলে এসব অনিয়ম বন্ধ হয়ে যাবে, এ কারণেই আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য অভিযোগ করেন, পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং এতে তারা কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিলেন।
এদিকে সেবা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক দিন ধরে জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ-সহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা বন্ধ রয়েছে। পেরিয়া ও দৌলখাঁড় ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কবির আহমেদ বলছেন, জনগণ সেবা না পেয়ে আমাদের ওপর ক্ষুব্ধ হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ বলেন, তালা দেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। জনগণ যাতে সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু রায়হান বলেন,হাইকোর্টের রায়ে চেয়ারম্যানরা বহাল রয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন