ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
সবুজ পত্র

একজন দয়াল খালেকের চলে যাওয়ার এক বছর: মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিককে স্মরণ



একজন দয়াল খালেকের চলে যাওয়ার এক বছর: মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিককে স্মরণ

বৃহত্তর কুমিল্লার লাকসাম ও বর্তমান মনোহরগঞ্জ অঞ্চলের প্রবীণ রাজনীতিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল খালেক দয়ালের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে লাকসাম বাইপাসে উনার ১ম মেয়ের স্বামীর বাড়িতে  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০বছর। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই মেয়ে ও অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে যান এই প্রবীণ রাজনীতিক। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে ভূমিকা

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থানীয় ইতিহাসেরঃ-

১৯৭১সালে তৎকালীন বৃহত্তর লাকসাম থানার বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমন্বয়ক  ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

জনপ্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক জীবনঃ-

স্বাধীনতার পরও দীর্ঘ সময় তিনি লাকসাম ও বৃহত্তর অঞ্চলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি লাকসাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে লাকসাম উপজেলা ভেঙে মনোহরগঞ্জ উপজেলা গঠিত হলে তাঁর রাজনৈতিক পরিচিতি বৃহত্তর লাকসাম-মনোহরগঞ্জ অঞ্চলের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হয়ে থাকে।

জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বর্ষীয়ান রাজনীতিক বৃহত্তর লাকসামের জাতীয় পার্টির সভাপতি হিসেবেও তিনি ছিলেন অপরিসীম নেতৃত্বের গুণাবলীতে। 

মানুষের স্মৃতিতে ‘দয়াল খালেক’

রাজনীতির পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধিত্ব এবং স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর সক্রিয়তার কারণে আবদুল খালেক দয়াল বৃহত্তর লাকসাম অঞ্চলের মানুষের কাছে পরিচিত একটি নাম হয়ে ওঠেন।

তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় ছিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন। স্থানীয় ইতিহাসের বিভিন্ন নথিতেও তাঁর নাম মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও পরবর্তী সময়ের জনপ্রতিনিধি হিসেবে উঠে এসেছে।

প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ

আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে স্মরণ করছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় জনজীবনে ভূমিকা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে তাঁর স্মৃতিকে সংরক্ষণ করার প্রত্যাশাও রয়েছে।

প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করে উনার নাতি তরুণ রাজনীতিবিদ শাহাদাত হোসেন সজীব বলেন, ইনশাআল্লাহ সকলের সহযোগিতায় ও পারিবারিক উদ্যোগে এই বর্ষিয়ান  রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবক মরহুম আব্দুল খালেক দয়ালকে বৃহত্তর লাকসামের বুকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে বিভিন্ন  পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।   মৃত্যুবার্ষিকীতে উনার প্রতি শ্রদ্ধা এবং উনার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।

আপনার মতামত লিখুন

সবুজ পত্র

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


একজন দয়াল খালেকের চলে যাওয়ার এক বছর: মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিককে স্মরণ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বৃহত্তর কুমিল্লার লাকসাম ও বর্তমান মনোহরগঞ্জ অঞ্চলের প্রবীণ রাজনীতিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল খালেক দয়ালের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে লাকসাম বাইপাসে উনার ১ম মেয়ের স্বামীর বাড়িতে  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০বছর। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই মেয়ে ও অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে যান এই প্রবীণ রাজনীতিক। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে ভূমিকা

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থানীয় ইতিহাসেরঃ-

১৯৭১সালে তৎকালীন বৃহত্তর লাকসাম থানার বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমন্বয়ক  ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

জনপ্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক জীবনঃ-

স্বাধীনতার পরও দীর্ঘ সময় তিনি লাকসাম ও বৃহত্তর অঞ্চলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি লাকসাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে লাকসাম উপজেলা ভেঙে মনোহরগঞ্জ উপজেলা গঠিত হলে তাঁর রাজনৈতিক পরিচিতি বৃহত্তর লাকসাম-মনোহরগঞ্জ অঞ্চলের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হয়ে থাকে।

জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বর্ষীয়ান রাজনীতিক বৃহত্তর লাকসামের জাতীয় পার্টির সভাপতি হিসেবেও তিনি ছিলেন অপরিসীম নেতৃত্বের গুণাবলীতে। 

মানুষের স্মৃতিতে ‘দয়াল খালেক’

রাজনীতির পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধিত্ব এবং স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর সক্রিয়তার কারণে আবদুল খালেক দয়াল বৃহত্তর লাকসাম অঞ্চলের মানুষের কাছে পরিচিত একটি নাম হয়ে ওঠেন।

তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় ছিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন। স্থানীয় ইতিহাসের বিভিন্ন নথিতেও তাঁর নাম মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও পরবর্তী সময়ের জনপ্রতিনিধি হিসেবে উঠে এসেছে।

প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ

আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে স্মরণ করছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় জনজীবনে ভূমিকা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে তাঁর স্মৃতিকে সংরক্ষণ করার প্রত্যাশাও রয়েছে।

প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করে উনার নাতি তরুণ রাজনীতিবিদ শাহাদাত হোসেন সজীব বলেন, ইনশাআল্লাহ সকলের সহযোগিতায় ও পারিবারিক উদ্যোগে এই বর্ষিয়ান  রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবক মরহুম আব্দুল খালেক দয়ালকে বৃহত্তর লাকসামের বুকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে বিভিন্ন  পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।   মৃত্যুবার্ষিকীতে উনার প্রতি শ্রদ্ধা এবং উনার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।


সবুজ পত্র

প্রধান সম্পাদক: জামাল উদ্দিন স্বপন, প্রধান সম্পাদক কর্তৃক শতরূপা প্রিন্টার্স, সালাম কমপ্লেক্স দ্বিতীয় তলা, নিউ মার্কেট কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ৮২, বাইপাস সড়ক মধ্য লাকসাম, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৪, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন খান্দানি মার্কেট, লাকসাম, কুমিল্লা।

কপিরাইট © ২০২৬ সবুজ পত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত