কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশনের সিগন্যাল পয়েন্ট থেকে মোটর চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ বা মামলা দায়ের না করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েই দায়িত্ব শেষ করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ফারুক ভূঁইয়া বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ঘটনার আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে একটি চিঠি পাঠিয়ে দায়সারাভাবে দায়িত্ব শেষ করেছেন।
ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানতে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে লাকসাম রেলওয়ে জংশনে কর্মরত জ্যেষ্ঠ উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সংকেত) সাদ্দাম হোসেনের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে থানায় অভিযোগ কিংবা মামলা দায়ের না করার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।
সাদ্দাম হোসেন জানান, সিগন্যাল পয়েন্টের মোটর চুরির ঘটনাটি রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন দপ্তরকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্বাঞ্চল)-এর বিভাগীয় সিগন্যাল ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (ডিএসটিই) মো. আশিকুর রহমান বলেন, লাকসামে সিগন্যাল পয়েন্টের মোটর চুরির ঘটনা এ ধরনের প্রথম ঘটনা। এর আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের আলীশ্বর, লালমাই, শশীদল ও কসবা এলাকায় একই ধরনের মোটর চুরির ঘটনা ঘটেছে। সেসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে থানায় মামলা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত মাসে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় কয়েকজন চোরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ আদালতে পাঠিয়েছে। এ ধরনের চুরি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ব্যবস্থার যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশনের সিগন্যাল পয়েন্ট থেকে মোটর চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ বা মামলা দায়ের না করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েই দায়িত্ব শেষ করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ফারুক ভূঁইয়া বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ঘটনার আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে একটি চিঠি পাঠিয়ে দায়সারাভাবে দায়িত্ব শেষ করেছেন।
ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানতে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে লাকসাম রেলওয়ে জংশনে কর্মরত জ্যেষ্ঠ উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সংকেত) সাদ্দাম হোসেনের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে থানায় অভিযোগ কিংবা মামলা দায়ের না করার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।
সাদ্দাম হোসেন জানান, সিগন্যাল পয়েন্টের মোটর চুরির ঘটনাটি রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন দপ্তরকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্বাঞ্চল)-এর বিভাগীয় সিগন্যাল ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (ডিএসটিই) মো. আশিকুর রহমান বলেন, লাকসামে সিগন্যাল পয়েন্টের মোটর চুরির ঘটনা এ ধরনের প্রথম ঘটনা। এর আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের আলীশ্বর, লালমাই, শশীদল ও কসবা এলাকায় একই ধরনের মোটর চুরির ঘটনা ঘটেছে। সেসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে থানায় মামলা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত মাসে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় কয়েকজন চোরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ আদালতে পাঠিয়েছে। এ ধরনের চুরি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ব্যবস্থার যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন