কুমিল্লা লাকসামে গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টার সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের মুখোশ উন্মোচন করতে গিয়ে অনলাইন পোর্টাল জেড টিভির সাংবাদিক জাহিদ হোসেন ডিজিটাল মব এর শিকার।
সংঘবদ্ধ এই সন্ত্রাসী চক্রটি হত্যাচেষ্টা ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে উল্টো সংবাদিককে বিভিন্ন হয়রানী, হেনস্ত করতে ইছাপুরা সাতঘরের বাসিন্দা রফিক সর্দারের ফয়সালের ফেইসবুক আইডি থেকে চালানো হয় মানহানিকর অপপ্রচার, মিথ্যা চাঁদাবাজির অপবাদ এবং প্রাণনাশ মতো ডিজিটাল মব।
সন্ত্রাসীদের অন্যতম গডফাদার ফয়সালের বিরুদ্ধে লাকসাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. জাহিদুল হক।
থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট শুক্রবার রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামের মজুমদার বাড়ীর জামাল হোসেনের স্ত্রী নাজমা বেগমকে রাতের অন্ধকারে কুপিয়ে জখম করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনার সংবাদ পেয়ে সাংবাদিক জাহিদুল হক গত ২৯ আগস্ট সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাঁর ফেসবুক পেইজে একটি লাইভ কন্টেন্ট প্রচার করেন। যা সন্ত্রাসীদের গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
অভিযোগে প্রকাশ, উক্ত লাইভ সংবাদ প্রচার করার জেরে ইছাপুরা গ্রামের রফিক সর্দারের পুত্র এম ফয়সাল আহমেদ (২৮) ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৯ আগস্ট দুপুরে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি (M. Faysal Ahmed) থেকে সাংবাদিক জাহিদুলের ছবি ও ফেসবুক পেইজের স্ক্রিনশট নিয়ে লাল ক্রস চিহ্ন দিয়ে একটি মানহানিকর পোস্ট করেন। পোস্টে ওই সাংবাদিককে 'ঘুষখোর' ও সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে ৫০০০ টাকা দাবি করার মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়। এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তির ফেসবুকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে একটি ছবিও রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, যা গত ২২ আগস্ট পোস্ট করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করার পর তাদের পরামর্শেই তিনি লাকসাম থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও সংবাদকর্মীরা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং অপপ্রচারে জড়িত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লা লাকসামে গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টার সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের মুখোশ উন্মোচন করতে গিয়ে অনলাইন পোর্টাল জেড টিভির সাংবাদিক জাহিদ হোসেন ডিজিটাল মব এর শিকার।
সংঘবদ্ধ এই সন্ত্রাসী চক্রটি হত্যাচেষ্টা ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে উল্টো সংবাদিককে বিভিন্ন হয়রানী, হেনস্ত করতে ইছাপুরা সাতঘরের বাসিন্দা রফিক সর্দারের ফয়সালের ফেইসবুক আইডি থেকে চালানো হয় মানহানিকর অপপ্রচার, মিথ্যা চাঁদাবাজির অপবাদ এবং প্রাণনাশ মতো ডিজিটাল মব।
সন্ত্রাসীদের অন্যতম গডফাদার ফয়সালের বিরুদ্ধে লাকসাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. জাহিদুল হক।
থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট শুক্রবার রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামের মজুমদার বাড়ীর জামাল হোসেনের স্ত্রী নাজমা বেগমকে রাতের অন্ধকারে কুপিয়ে জখম করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনার সংবাদ পেয়ে সাংবাদিক জাহিদুল হক গত ২৯ আগস্ট সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাঁর ফেসবুক পেইজে একটি লাইভ কন্টেন্ট প্রচার করেন। যা সন্ত্রাসীদের গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
অভিযোগে প্রকাশ, উক্ত লাইভ সংবাদ প্রচার করার জেরে ইছাপুরা গ্রামের রফিক সর্দারের পুত্র এম ফয়সাল আহমেদ (২৮) ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৯ আগস্ট দুপুরে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি (M. Faysal Ahmed) থেকে সাংবাদিক জাহিদুলের ছবি ও ফেসবুক পেইজের স্ক্রিনশট নিয়ে লাল ক্রস চিহ্ন দিয়ে একটি মানহানিকর পোস্ট করেন। পোস্টে ওই সাংবাদিককে 'ঘুষখোর' ও সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে ৫০০০ টাকা দাবি করার মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়। এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তির ফেসবুকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে একটি ছবিও রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, যা গত ২২ আগস্ট পোস্ট করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করার পর তাদের পরামর্শেই তিনি লাকসাম থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও সংবাদকর্মীরা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং অপপ্রচারে জড়িত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন