কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরসভার বেতাগাঁও এলাকায় দেলোয়ার ইন্জিনিয়ারের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে এক স্কুলছাত্রী অনশনে বসেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সেখানে অবস্থান নিয়েছে সে। অনশনরত ওই শিক্ষার্থীর নাম খাদিজা (১৫)। তিনি নাঙ্গলকোট পৌরসভার উত্তর শ্রীহাস্য (দিদার কমিশনার বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা শফি উল্লাহর মেয়ে এবং দায়েমছাতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ভুক্তভুগী শিক্ষার্থীর দাবি, বেতাগাঁও গ্রামের দেলোয়ার ইন্জিনিয়ারের ছোট ছেলে মোনাব্বের হোসেন চৌধুরী রাজুর (২০) সাথে প্রায় দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। রাজু প্রায় সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে শারীরিক মেলামেশা করে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সকালে বন্ধুদের মাধ্যমে তাকে বিয়ে করবে বলে খবর দিয়ে এনে রাজুর বাড়ির পাশে একটি সেলুঘরে নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা টের পেয়ে ৯৯৯ এ খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে রাজু পালিয়ে যায়। এরপর থেকে ওই শিক্ষার্থী রাজুর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসে। এসময় রাজু বাবা-মা তাকে মারধর করে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে।
বাড়িতে গিয়ে রাজুকে পাওয়া যায়নি। তবে রাজুর বাবা দেলোয়ার ইন্জিনিয়ার বলেন, আমাদের পরিবারের সাথে এই মেয়ে যায় না। আমরা আমাদের ছেলেকে আরও ভালো জায়গায় বিয়ে দেবো। আমি এসব অনশন মানি না।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ছেলে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরসভার বেতাগাঁও এলাকায় দেলোয়ার ইন্জিনিয়ারের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে এক স্কুলছাত্রী অনশনে বসেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সেখানে অবস্থান নিয়েছে সে। অনশনরত ওই শিক্ষার্থীর নাম খাদিজা (১৫)। তিনি নাঙ্গলকোট পৌরসভার উত্তর শ্রীহাস্য (দিদার কমিশনার বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা শফি উল্লাহর মেয়ে এবং দায়েমছাতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ভুক্তভুগী শিক্ষার্থীর দাবি, বেতাগাঁও গ্রামের দেলোয়ার ইন্জিনিয়ারের ছোট ছেলে মোনাব্বের হোসেন চৌধুরী রাজুর (২০) সাথে প্রায় দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। রাজু প্রায় সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে শারীরিক মেলামেশা করে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সকালে বন্ধুদের মাধ্যমে তাকে বিয়ে করবে বলে খবর দিয়ে এনে রাজুর বাড়ির পাশে একটি সেলুঘরে নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা টের পেয়ে ৯৯৯ এ খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে রাজু পালিয়ে যায়। এরপর থেকে ওই শিক্ষার্থী রাজুর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসে। এসময় রাজু বাবা-মা তাকে মারধর করে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে।
বাড়িতে গিয়ে রাজুকে পাওয়া যায়নি। তবে রাজুর বাবা দেলোয়ার ইন্জিনিয়ার বলেন, আমাদের পরিবারের সাথে এই মেয়ে যায় না। আমরা আমাদের ছেলেকে আরও ভালো জায়গায় বিয়ে দেবো। আমি এসব অনশন মানি না।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ছেলে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন