কুমিল্লার লালমাই উপজেলাকে ‘অবৈধ লালমাই উপজেলা’ হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। গত ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পাঠানো একটি আধা-সরকারি পত্রে (ডিও লেটার) তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সীমানা সম্প্রসারণসহ নগর উন্নয়নসংক্রান্ত একাধিক দাবি তুলে ধরেন। চিঠিতে লালমাই উপজেলাকে ‘অবৈধ’ হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টি ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
চিঠিতে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ২০২২ সালে প্রস্তাবিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সম্প্রসারিত ২৪৫ বর্গকিলোমিটার সীমানা বাস্তবায়ন, গেজেট প্রকাশ এবং নতুন থানা গঠনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, পানি সরবরাহ, জনবল নিয়োগ ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।
চিঠিতে কুমিল্লা ওয়াসার কার্যক্রম দ্রুত চালু করার পাশাপাশি সিটি করপোরেশন গঠনের পর থেকে নিয়োজিত অস্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সংখ্যা ও তাঁদের পেছনে ব্যয়ের বিবরণ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়।
এ ছাড়া কুমিল্লা শহরের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সুবিধা বাড়াতে প্রবেশপথ উন্নয়ন, খাল খনন ও নতুন সড়ক নির্মাণের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার দাবি জানানো হয়েছে। সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পাশাপাশি প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রেষণে পদায়নের বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে মহাসড়কের পাশে সুবিধাজনক স্থানে বাস ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ঝাকুনিপাড়া ডাম্পিং সাইটে ‘Cumilla Circular Economy & Green Resource Recovery Park (CCEGRRP)’ শীর্ষক পরিবেশবান্ধব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে চিঠিতে লালমাই উপজেলাকে ‘অবৈধ’ বলার পক্ষে কী আইনি ভিত্তি বা প্রশাসনিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। সংসদ সদস্যের এই বক্তব্যের ফলে লালমাই উপজেলার আইনগত অবস্থান, উপজেলা গঠনের প্রক্রিয়া এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রস্তাবিত সীমানা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার লালমাই উপজেলাকে ‘অবৈধ লালমাই উপজেলা’ হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। গত ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পাঠানো একটি আধা-সরকারি পত্রে (ডিও লেটার) তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সীমানা সম্প্রসারণসহ নগর উন্নয়নসংক্রান্ত একাধিক দাবি তুলে ধরেন। চিঠিতে লালমাই উপজেলাকে ‘অবৈধ’ হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টি ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
চিঠিতে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ২০২২ সালে প্রস্তাবিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সম্প্রসারিত ২৪৫ বর্গকিলোমিটার সীমানা বাস্তবায়ন, গেজেট প্রকাশ এবং নতুন থানা গঠনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, পানি সরবরাহ, জনবল নিয়োগ ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।
চিঠিতে কুমিল্লা ওয়াসার কার্যক্রম দ্রুত চালু করার পাশাপাশি সিটি করপোরেশন গঠনের পর থেকে নিয়োজিত অস্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সংখ্যা ও তাঁদের পেছনে ব্যয়ের বিবরণ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়।
এ ছাড়া কুমিল্লা শহরের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সুবিধা বাড়াতে প্রবেশপথ উন্নয়ন, খাল খনন ও নতুন সড়ক নির্মাণের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার দাবি জানানো হয়েছে। সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পাশাপাশি প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রেষণে পদায়নের বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে মহাসড়কের পাশে সুবিধাজনক স্থানে বাস ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ঝাকুনিপাড়া ডাম্পিং সাইটে ‘Cumilla Circular Economy & Green Resource Recovery Park (CCEGRRP)’ শীর্ষক পরিবেশবান্ধব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে চিঠিতে লালমাই উপজেলাকে ‘অবৈধ’ বলার পক্ষে কী আইনি ভিত্তি বা প্রশাসনিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। সংসদ সদস্যের এই বক্তব্যের ফলে লালমাই উপজেলার আইনগত অবস্থান, উপজেলা গঠনের প্রক্রিয়া এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রস্তাবিত সীমানা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন