কুমিল্লা ১০ নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির রাজনীতিতে চলছে নদীর অর্তনাদ। নাংগলকোট ও লালমাই উপজেলায় বিএনপি ত্যাগী,পরিক্ষিত ও ১৬ বছর নির্যাতিত নেতা কর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে চাপা কান্না। নেপথ্যে কারন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়ার একগুঁয়েমি, অসংলগ্ন কথাবার্তা ও দৃষ্টি কটু কর্মকান্ড। যা কুমিল্লা -১০ নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির ভাবমূর্তি, সাংবাদিক ভিত্তি হুমকির মুখে ফেলেছে। সম্প্রতি সোস্যাল মিডিয়ায় পেরুল ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের একটি স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়। যা নিয়ে চলছে নেতা কর্মীদের মাঝে জল্পনা কল্পনা।
নিন্মে স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো।
প্রিয় লালমাই উপজেলাবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
আমি মুহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান। ১৯৮৩ সাল থেকে এই অঞ্চলে আমার ছাত্ররাজনীতির পথচলা শুরু। এরপর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেন্দ্রীয় ছাত্ররাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ হয়েছে।
ছাত্ররাজনীতির সময় থেকেই বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা মনিরুল হক চৌধুরীর সঙ্গে আমার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। ১৯৮৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী আমাকে লাকসাম উত্তরের দায়িত্ব প্রদান করেন। তিনি ১৯৮৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান সমস্যা যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে কাজ শুরু করেন। তাঁর সঙ্গে থেকে আমি এই অঞ্চলের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ পেয়েছি।
২০০১ সালে দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে জননেতা মনিরুল হক চৌধুরীর যোগদান করার সময় তাঁহার সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তে যোগদান করি। পরবর্তীতে সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। বর্তমানে লালমাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
দীর্ঘ এই রাজনৈতিক পথচলা কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। দলের দুঃসময়ে রাজপথে থাকতে গিয়ে আমাকে বহুবার হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে আমার ৯টি গরু ও গোয়ালঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। নির্বাচনের আগের রাতে আমার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। আমার বিরুদ্ধে একাধিক গায়েবি মামলা দেওয়া হয় এবং আমাকে কারাবরণ করতে হয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এর বাইরেও নানা হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি।
তবুও কোনো প্রতিকূলতাই আমাকে মানুষের পাশে থাকা এবং দলের রাজনীতি থেকে দূরে সরাতে পারেনি।
২০১৮ সালের নির্বাচনের পূর্বে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আমি ধানের শীষের প্রার্থী জননেতা মনিরুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। সদর দক্ষিণ, লালমাই ও নাঙ্গলকোট উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে অবগত আছেন।
বৃহত্তর পেরুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দল মত, ধর্ম বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। কতটুকু করতে পেরেছি, তার বিচার আপনারাই করবেন। তবে এটুকু বলতে পারি চেষ্টা ও আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি রাখিনি।
দলের কঠিন সময়, গণতন্ত্রের সংকটময় পরিস্থিতি এবং প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশেও আমি পরপর আরও তিনবার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। এর পেছনে আমার একটাই উদ্দেশ্য ছিল দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ যেন সাহস না হারায় এবং প্রতিকূল সময়েও দলীয় রাজনীতি সক্রিয় রাখতে পারে।
আমার ইউনিয়নের মানুষের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা প্রতিটি নির্বাচনে আমাকে যে সমর্থন, সহযোগিতা, আস্থা ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তা আমার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। আপনাদের এই ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন শোধ করার নয়।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমি কুমিল্লা-৬ ও কুমিল্লা-১০ আসনে দায়িত্ব পালন করেছি। কুমিল্লা-৬ আসনে প্রিয় নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কুমিল্লা-১০ আসনের লালমাই উপজেলা অংশের দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা করিনি। কারণ এটি শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়,আমি এটিকে আমার কর্তব্য বলে বিবেচনা করেছি।
নির্বাচনের স্বল্প সময়ে আমি কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছি, তা পেরুল ইউনিয়নবাসী ও লালমাইবাসী খুব ভালো করেই জানেন। দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, নির্বাচনের দিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আমি আমার ইউনিয়ন তথা লালমাই উপজেলায় ছিলাম। ইউনিয়নের সকল কেন্দ্রের ফলাফল জানার পরই আমি কুমিল্লায় ফিরে আসি। লালমাই উপজেলা ও পেরুল ইউনিয়নের মানুষই আমার রাজনীতির শক্তি। আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য।
আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা, সম্মান, আস্থা ও সহযোগিতা দিয়েছেন, তার জন্য আমি আপনাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আশা করি, ভবিষ্যতেও আপনারা আমার পাশে থাকবেন, আমাকে সহযোগিতা করবেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন।
আমি যেন এই অঞ্চলের মানুষের জন্য এবং এলাকার উন্নয়নের জন্য আরও বেশি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারি আপনাদের কাছে সেই দোয়া চাই।
যতদিন রাজনীতি করব, সততা, নিষ্ঠা, সম্মান ও আপনাদের ভালোবাসাকে সঙ্গে নিয়েই রাজনীতি করে যেতে চাই। আবারও আপনাদের কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।
সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
মুহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান
সিনিয়র সহ-সভাপতি
লালমাই উপজেলা বিএনপি

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লা ১০ নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির রাজনীতিতে চলছে নদীর অর্তনাদ। নাংগলকোট ও লালমাই উপজেলায় বিএনপি ত্যাগী,পরিক্ষিত ও ১৬ বছর নির্যাতিত নেতা কর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে চাপা কান্না। নেপথ্যে কারন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়ার একগুঁয়েমি, অসংলগ্ন কথাবার্তা ও দৃষ্টি কটু কর্মকান্ড। যা কুমিল্লা -১০ নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির ভাবমূর্তি, সাংবাদিক ভিত্তি হুমকির মুখে ফেলেছে। সম্প্রতি সোস্যাল মিডিয়ায় পেরুল ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের একটি স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়। যা নিয়ে চলছে নেতা কর্মীদের মাঝে জল্পনা কল্পনা।
নিন্মে স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো।
প্রিয় লালমাই উপজেলাবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
আমি মুহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান। ১৯৮৩ সাল থেকে এই অঞ্চলে আমার ছাত্ররাজনীতির পথচলা শুরু। এরপর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেন্দ্রীয় ছাত্ররাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ হয়েছে।
ছাত্ররাজনীতির সময় থেকেই বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা মনিরুল হক চৌধুরীর সঙ্গে আমার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। ১৯৮৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী আমাকে লাকসাম উত্তরের দায়িত্ব প্রদান করেন। তিনি ১৯৮৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান সমস্যা যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে কাজ শুরু করেন। তাঁর সঙ্গে থেকে আমি এই অঞ্চলের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ পেয়েছি।
২০০১ সালে দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে জননেতা মনিরুল হক চৌধুরীর যোগদান করার সময় তাঁহার সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তে যোগদান করি। পরবর্তীতে সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। বর্তমানে লালমাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
দীর্ঘ এই রাজনৈতিক পথচলা কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। দলের দুঃসময়ে রাজপথে থাকতে গিয়ে আমাকে বহুবার হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে আমার ৯টি গরু ও গোয়ালঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। নির্বাচনের আগের রাতে আমার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। আমার বিরুদ্ধে একাধিক গায়েবি মামলা দেওয়া হয় এবং আমাকে কারাবরণ করতে হয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এর বাইরেও নানা হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি।
তবুও কোনো প্রতিকূলতাই আমাকে মানুষের পাশে থাকা এবং দলের রাজনীতি থেকে দূরে সরাতে পারেনি।
২০১৮ সালের নির্বাচনের পূর্বে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আমি ধানের শীষের প্রার্থী জননেতা মনিরুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। সদর দক্ষিণ, লালমাই ও নাঙ্গলকোট উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে অবগত আছেন।
বৃহত্তর পেরুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দল মত, ধর্ম বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। কতটুকু করতে পেরেছি, তার বিচার আপনারাই করবেন। তবে এটুকু বলতে পারি চেষ্টা ও আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি রাখিনি।
দলের কঠিন সময়, গণতন্ত্রের সংকটময় পরিস্থিতি এবং প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশেও আমি পরপর আরও তিনবার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। এর পেছনে আমার একটাই উদ্দেশ্য ছিল দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ যেন সাহস না হারায় এবং প্রতিকূল সময়েও দলীয় রাজনীতি সক্রিয় রাখতে পারে।
আমার ইউনিয়নের মানুষের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা প্রতিটি নির্বাচনে আমাকে যে সমর্থন, সহযোগিতা, আস্থা ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তা আমার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। আপনাদের এই ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন শোধ করার নয়।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমি কুমিল্লা-৬ ও কুমিল্লা-১০ আসনে দায়িত্ব পালন করেছি। কুমিল্লা-৬ আসনে প্রিয় নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কুমিল্লা-১০ আসনের লালমাই উপজেলা অংশের দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা করিনি। কারণ এটি শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়,আমি এটিকে আমার কর্তব্য বলে বিবেচনা করেছি।
নির্বাচনের স্বল্প সময়ে আমি কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছি, তা পেরুল ইউনিয়নবাসী ও লালমাইবাসী খুব ভালো করেই জানেন। দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, নির্বাচনের দিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আমি আমার ইউনিয়ন তথা লালমাই উপজেলায় ছিলাম। ইউনিয়নের সকল কেন্দ্রের ফলাফল জানার পরই আমি কুমিল্লায় ফিরে আসি। লালমাই উপজেলা ও পেরুল ইউনিয়নের মানুষই আমার রাজনীতির শক্তি। আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য।
আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা, সম্মান, আস্থা ও সহযোগিতা দিয়েছেন, তার জন্য আমি আপনাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আশা করি, ভবিষ্যতেও আপনারা আমার পাশে থাকবেন, আমাকে সহযোগিতা করবেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন।
আমি যেন এই অঞ্চলের মানুষের জন্য এবং এলাকার উন্নয়নের জন্য আরও বেশি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারি আপনাদের কাছে সেই দোয়া চাই।
যতদিন রাজনীতি করব, সততা, নিষ্ঠা, সম্মান ও আপনাদের ভালোবাসাকে সঙ্গে নিয়েই রাজনীতি করে যেতে চাই। আবারও আপনাদের কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।
সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
মুহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান
সিনিয়র সহ-সভাপতি
লালমাই উপজেলা বিএনপি

আপনার মতামত লিখুন