কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে সন্ত্রাসী হামলায় আবুল কাশেম বাবলু (১৯) নামে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের সরকার বাজারে একটি দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
বর্তমানে আহত বাবলু নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় সোমবার (৩১ আগস্ট) তাঁর মা পারুল বেগম বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় এজাহার দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৌকরা গ্রামের আবদুল কাইয়ূমের ছেলে বাবলুর সঙ্গে বস্তা বিক্রি নিয়ে একই গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে রাকিবের বিরোধ চলছিল। গতকাল রোববার রাতে সরকার বাজারে দেলোয়ার হোসেনের দোকানের সামনে বাবলুকে একা পেয়ে রাকিবের নেতৃত্বে, বাবু,রাফি,রানাসহ,১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেড়ধক পেটায় ও কোপায়। একপর্যায়ে বাবলু অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে সড়কের পাশে ফেলে রেখে হামলাকারীরা চলে যায়। পরে স্বজনরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাবলুর মাথায় ছয়টি সেলাই লেগেছে।
এ বিষয়ে আহত বাবলুর মা পারুল বেগম বলেন, এক মাস আগে রাকিবের সঙ্গে বাবলুর বস্তা বিক্রি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই ঘটনার জের ধরে রাতে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। হামলাকারীদের ভয়ে আমরা এখন পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
পারুল বেগম আরও অভিযোগ করেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের দিন সন্ধ্যায় চাঁদাবাজ মানিক মিয়া ও তার ছেলে বাবুর নেতৃত্বে তাঁদের একটি বিপণিবিতানে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় কোটি টাকার মালামাল লুট করা হয়েছিলো। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিরা গ্রেফতার পরোয়ানাভুক্ত হওয়ার সত্ত্বেও পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করছে না। উল্টো আসামিরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নানাভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছেন। তিনি প্রশাসন ও পুলিশের কাছে এই হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রাকিবের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগের বিষয় এখনো আমার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে সন্ত্রাসী হামলায় আবুল কাশেম বাবলু (১৯) নামে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের সরকার বাজারে একটি দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
বর্তমানে আহত বাবলু নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় সোমবার (৩১ আগস্ট) তাঁর মা পারুল বেগম বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় এজাহার দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৌকরা গ্রামের আবদুল কাইয়ূমের ছেলে বাবলুর সঙ্গে বস্তা বিক্রি নিয়ে একই গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে রাকিবের বিরোধ চলছিল। গতকাল রোববার রাতে সরকার বাজারে দেলোয়ার হোসেনের দোকানের সামনে বাবলুকে একা পেয়ে রাকিবের নেতৃত্বে, বাবু,রাফি,রানাসহ,১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেড়ধক পেটায় ও কোপায়। একপর্যায়ে বাবলু অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে সড়কের পাশে ফেলে রেখে হামলাকারীরা চলে যায়। পরে স্বজনরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাবলুর মাথায় ছয়টি সেলাই লেগেছে।
এ বিষয়ে আহত বাবলুর মা পারুল বেগম বলেন, এক মাস আগে রাকিবের সঙ্গে বাবলুর বস্তা বিক্রি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই ঘটনার জের ধরে রাতে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। হামলাকারীদের ভয়ে আমরা এখন পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
পারুল বেগম আরও অভিযোগ করেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের দিন সন্ধ্যায় চাঁদাবাজ মানিক মিয়া ও তার ছেলে বাবুর নেতৃত্বে তাঁদের একটি বিপণিবিতানে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় কোটি টাকার মালামাল লুট করা হয়েছিলো। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিরা গ্রেফতার পরোয়ানাভুক্ত হওয়ার সত্ত্বেও পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করছে না। উল্টো আসামিরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নানাভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছেন। তিনি প্রশাসন ও পুলিশের কাছে এই হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রাকিবের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগের বিষয় এখনো আমার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন