কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ঐতিহ্যেবাহী নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের বউন্ডারীর নির্মাণ কাজ আজ ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টায় কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ইমনের নেতৃত্বে ভূমিদস্যুরা পুনরায় বাধা দেয়। একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কাজের সাথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ফখরুল লতিফের উপর চড়াও হয় সন্ত্রাসীরা। বাধ্য হয়ে কলেজ প্রশাশন বিষয়টি লাকসাম থানাকে অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্হলে এসে পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
জানাগেছে, কলেজ ক্যাম্পাসে অভ্যান্তরে আরএস ২২২২ দাগের ৭১ডিসিম জায়গা প্লট করে বিক্রির নীলনকশা দীর্ঘ দিন থেকে চালিয়ে আসছে ভূমিদস্যুরা। এজন্য তুরুপের তাস হিসেবে তারা সর্বশেষ ব্যবহার করে নাজমা আকতার নামে জনৈক মহিলাকে। তাকে ত্রুটিপুর্ন একটি দলিলি ও খতিয়ান সৃজনের মাধ্যমে মালিক সাজায়। তার প্লটে যাওয়ার জন্য রাস্তার আড়ালে চলে ৭১ ডিসিম জায়গা দখলের পরিকল্পনা। কিন্তু উক্ত জায়গাটি বেদখল হলে সংসদ সদস্য মো: আবুল কালামের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ও কলেজের নতুন অবকাঠামো সম্প্রসারণের পদক্ষেপ হোঁচট খাবে বলে জনসাধারণের অভিমত। এর ফলে স্বকীয়তা হারাবে কলেজ কলেজ ক্যাম্পাসের সীমানা ও ভাবমূর্তি।
জানাগেছে, নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের দক্ষিণ প্রান্তে ওয়াকফ'র উক্ত ৭১ শতক জায়গা প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে জাদুঘরের সরকারি গেজেট ভুক্ত। যা কলেজ ক্যাম্পসের অভ্যান্তরে অবস্হিত। এই জায়গা বেদখলের নেপথ্যে জাদুঘর, ওয়াকফ প্রশাসন, নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজ কতৃপক্ষের উদাসীনতা লক্ষনীয়।
উল্লেখ্য, উপমহাদেশে একমাত্র মহিলা নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী জনকলন্যানে ২৯৭ একর জায়গা ওয়াকফ রাহে লিল্লাহ করেন। যার মধ্যে ২৯০ একর ইতিমধ্যে গায়েব হয়ে গেছে। কলেজ ক্যাম্পাসের পোস্ট-অফিস সংলগ্ন ২২১৬ দাগের ১৪ শত জায়গাও বেদখলের পথে।
লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এক তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভূমিদস্যুরা জালিয়াতি মাধ্যমে ওয়াকফর এসব জায়গা ব্যাক্তিগত নামে ক্রটিপূর্ণ বিএস খতিয়ান সৃজনের মাধ্যমে এখন দখল ও বেচাকেনার উৎসবে লিপ্ত।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ঐতিহ্যেবাহী নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের বউন্ডারীর নির্মাণ কাজ আজ ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টায় কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ইমনের নেতৃত্বে ভূমিদস্যুরা পুনরায় বাধা দেয়। একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কাজের সাথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ফখরুল লতিফের উপর চড়াও হয় সন্ত্রাসীরা। বাধ্য হয়ে কলেজ প্রশাশন বিষয়টি লাকসাম থানাকে অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্হলে এসে পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
জানাগেছে, কলেজ ক্যাম্পাসে অভ্যান্তরে আরএস ২২২২ দাগের ৭১ডিসিম জায়গা প্লট করে বিক্রির নীলনকশা দীর্ঘ দিন থেকে চালিয়ে আসছে ভূমিদস্যুরা। এজন্য তুরুপের তাস হিসেবে তারা সর্বশেষ ব্যবহার করে নাজমা আকতার নামে জনৈক মহিলাকে। তাকে ত্রুটিপুর্ন একটি দলিলি ও খতিয়ান সৃজনের মাধ্যমে মালিক সাজায়। তার প্লটে যাওয়ার জন্য রাস্তার আড়ালে চলে ৭১ ডিসিম জায়গা দখলের পরিকল্পনা। কিন্তু উক্ত জায়গাটি বেদখল হলে সংসদ সদস্য মো: আবুল কালামের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ও কলেজের নতুন অবকাঠামো সম্প্রসারণের পদক্ষেপ হোঁচট খাবে বলে জনসাধারণের অভিমত। এর ফলে স্বকীয়তা হারাবে কলেজ কলেজ ক্যাম্পাসের সীমানা ও ভাবমূর্তি।
জানাগেছে, নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের দক্ষিণ প্রান্তে ওয়াকফ'র উক্ত ৭১ শতক জায়গা প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে জাদুঘরের সরকারি গেজেট ভুক্ত। যা কলেজ ক্যাম্পসের অভ্যান্তরে অবস্হিত। এই জায়গা বেদখলের নেপথ্যে জাদুঘর, ওয়াকফ প্রশাসন, নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজ কতৃপক্ষের উদাসীনতা লক্ষনীয়।
উল্লেখ্য, উপমহাদেশে একমাত্র মহিলা নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী জনকলন্যানে ২৯৭ একর জায়গা ওয়াকফ রাহে লিল্লাহ করেন। যার মধ্যে ২৯০ একর ইতিমধ্যে গায়েব হয়ে গেছে। কলেজ ক্যাম্পাসের পোস্ট-অফিস সংলগ্ন ২২১৬ দাগের ১৪ শত জায়গাও বেদখলের পথে।
লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এক তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভূমিদস্যুরা জালিয়াতি মাধ্যমে ওয়াকফর এসব জায়গা ব্যাক্তিগত নামে ক্রটিপূর্ণ বিএস খতিয়ান সৃজনের মাধ্যমে এখন দখল ও বেচাকেনার উৎসবে লিপ্ত।

আপনার মতামত লিখুন