কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার শিক্ষা ক্ষেত্রে সুপরিচিত এবং অত্যন্ত সম্মানের সাথে উচ্চারিত এক নাম আব্দুল গফুর বিএসসি স্যার। এই গুণী মানুষটি সর্ব মহলে সমাদৃত ও একজন আলোকিত মানুষ। তিনি নিজেই শুধু আলোকিত মানুষ নন, তিনি সৃষ্টিও করেছেন বহু আলোকিত মানুষ, যারা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আজ সফল মানুষ হিসেবে পরিচিত। ১৯৩৮ সালে জন্ম নেওয়া এ কৃতি শিক্ষক একজন স্নেহময় ছাত্র-বান্ধব শিক্ষক। ছাত্র জীবনে যারাই তাঁকে শিক্ষক হিসেবে পেয়েছেন তারা সবাই তাঁর স্নেহ-মমতা ও ভালোবাসা পূর্ণ আদেশ-উপদেশ এবং শিক্ষা পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করেন। তিনি এক অনুপম ও অনুকরণীয় আদর্শ। এই সদালাপী শিক্ষক ছাত্র জীবন শেষ করে ১৯৬১ সালে প্রথম উপজেলার সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ময়ুরা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। তারপর তিনি বর্তমান এ আর মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং দায়েমছাতি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সেখান থেকে ১৯৯৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন। সম্প্রতি ১৯৮৭ ব্যাচের স্যারের ছাত্রদের একটি গ্রুপ সারের নিজ বাড়ি লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে দেখা করতে যান। তারা হলেন ঢাকাস্থ ও নাঙ্গলকোট জামান'স ক্লিনিকের সিইও এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক মো: বশিরুজ্জামান খান, ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এস এম হেলাল, মডেল মহিলা কলেজের সহ. অধ্যাপক নজির আহমদ মজুমদার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী একেএম ফজলুল হক মজুমদার, নাঙ্গলকোট আঁখি লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো: আবু জুবায়ের, জামান'স ক্লিনিকের ম্যানেজার মাহবুব আলম সিজার, কুমিল্লা নিউ ভিশন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক কাজী মোসলে উদ্দিন, সাবিত্রা সরকারি প্রা. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান, সুইজারল্যান্ড প্রবাসী রফিকুল ইসলাম, ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল খালেক, কেশতলা সরকারি প্রা.বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, লাকসাম আলমাস স্টিল অ্যান্ড ফার্নিচারের ম্যানেজার মজিবুল হক, পানকরা মাদ্রাসার সি.শিক্ষক জালাল আহমেদ, গোত্রশাল উচ্চ বি. সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল লতিফ মিয়া। স্যার বলেন, যারা এখানে উপস্থিত হয়েছে এবং যারা আসতে পারে নাই আমি সবার জন্য দোয়া করি। আব্দুল গফুর বিএসসি স্যার অবহেলিত জনপদে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিজ গ্রামে নিজ জমির উপর ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন দৌলতপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কমার্স কলেজ এবং সেখানে তিনি একটি মসজিদও প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তাঁরই সন্তান সৈয়দ আহমদ সুজন।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার শিক্ষা ক্ষেত্রে সুপরিচিত এবং অত্যন্ত সম্মানের সাথে উচ্চারিত এক নাম আব্দুল গফুর বিএসসি স্যার। এই গুণী মানুষটি সর্ব মহলে সমাদৃত ও একজন আলোকিত মানুষ। তিনি নিজেই শুধু আলোকিত মানুষ নন, তিনি সৃষ্টিও করেছেন বহু আলোকিত মানুষ, যারা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আজ সফল মানুষ হিসেবে পরিচিত। ১৯৩৮ সালে জন্ম নেওয়া এ কৃতি শিক্ষক একজন স্নেহময় ছাত্র-বান্ধব শিক্ষক। ছাত্র জীবনে যারাই তাঁকে শিক্ষক হিসেবে পেয়েছেন তারা সবাই তাঁর স্নেহ-মমতা ও ভালোবাসা পূর্ণ আদেশ-উপদেশ এবং শিক্ষা পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করেন। তিনি এক অনুপম ও অনুকরণীয় আদর্শ। এই সদালাপী শিক্ষক ছাত্র জীবন শেষ করে ১৯৬১ সালে প্রথম উপজেলার সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ময়ুরা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। তারপর তিনি বর্তমান এ আর মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং দায়েমছাতি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সেখান থেকে ১৯৯৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন। সম্প্রতি ১৯৮৭ ব্যাচের স্যারের ছাত্রদের একটি গ্রুপ সারের নিজ বাড়ি লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে দেখা করতে যান। তারা হলেন ঢাকাস্থ ও নাঙ্গলকোট জামান'স ক্লিনিকের সিইও এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক মো: বশিরুজ্জামান খান, ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এস এম হেলাল, মডেল মহিলা কলেজের সহ. অধ্যাপক নজির আহমদ মজুমদার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী একেএম ফজলুল হক মজুমদার, নাঙ্গলকোট আঁখি লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো: আবু জুবায়ের, জামান'স ক্লিনিকের ম্যানেজার মাহবুব আলম সিজার, কুমিল্লা নিউ ভিশন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক কাজী মোসলে উদ্দিন, সাবিত্রা সরকারি প্রা. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান, সুইজারল্যান্ড প্রবাসী রফিকুল ইসলাম, ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল খালেক, কেশতলা সরকারি প্রা.বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, লাকসাম আলমাস স্টিল অ্যান্ড ফার্নিচারের ম্যানেজার মজিবুল হক, পানকরা মাদ্রাসার সি.শিক্ষক জালাল আহমেদ, গোত্রশাল উচ্চ বি. সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল লতিফ মিয়া। স্যার বলেন, যারা এখানে উপস্থিত হয়েছে এবং যারা আসতে পারে নাই আমি সবার জন্য দোয়া করি। আব্দুল গফুর বিএসসি স্যার অবহেলিত জনপদে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিজ গ্রামে নিজ জমির উপর ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন দৌলতপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কমার্স কলেজ এবং সেখানে তিনি একটি মসজিদও প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তাঁরই সন্তান সৈয়দ আহমদ সুজন।

আপনার মতামত লিখুন