কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা স্থাপনের ৪৩ বছরেও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন হয়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, ১৯৮৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নাঙ্গলকোট উপজেলা স্থাপিত হয়। ২২৫.৯৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ উপজেলার জনসংখ্যা প্রায় ৫ লাখ।
সময়ের সঙ্গে জনসংখ্যা ও বসতি বৃদ্ধি পেলেও এখনো এ উপজেলায় গড়ে ওঠেনি একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন।
দীর্ঘদিন উন্নয়ন বঞ্চিত হিসেবে পরিচিত নাঙ্গলকোটে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদ্যুতায়ন, সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে কিছুটা অগ্রগতি হলেও জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপিত হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে পাশের উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে আসতেই অনেক সময় ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই ঘটে যায় অপূরণীয় ক্ষতি।
নাঙ্গলকোটের আশপাশের প্রায় সব উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থাকলেও বৃহৎ এই জনপদ এখনো সেই মৌলিক নিরাপত্তা সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
জানা যায়, প্রতিনিয়ত কোথাও না কোথাও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কেউ হারাচ্ছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই, আবার কেউ হারাচ্ছেন জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতঘরে আগুন লাগার ঘটনা এখন নাঙ্গলকোটবাসীর কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা, দাবি ও আশ্বাস মিললেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। এতে হতাশ স্থানীয় সচেতন মহল।
তাদের প্রশ্ন, আর কত ক্ষয়ক্ষতি হলে নাঙ্গলকোটে একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হবে? উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এখন নাঙ্গলকোটবাসীর প্রাণের দাবি দ্রæত সময়ের মধ্যে একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা। কারণ একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি মানুষের জীবন, সম্পদ ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।
ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন বাস্তবায়ন আন্দোলনকারী নজির নোবেল বলেন, উন্নয়নের নানা সূচকে নাঙ্গলকোট এগিয়ে গেলেও জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এখনো অবহেলিত এই জনপদ।
একটি ফায়ার সার্ভিস শুধু একটি দালান নয়, একটি রক্ষাকবচ।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় স্টেশন স্থাপনের আশ্বাস দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। যার ঘর বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে যাচ্ছে তিনি জানেন ফায়ার সার্ভিসের গুরুত্ব কতটুকু।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা স্থাপনের ৪৩ বছরেও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন হয়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, ১৯৮৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নাঙ্গলকোট উপজেলা স্থাপিত হয়। ২২৫.৯৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ উপজেলার জনসংখ্যা প্রায় ৫ লাখ।
সময়ের সঙ্গে জনসংখ্যা ও বসতি বৃদ্ধি পেলেও এখনো এ উপজেলায় গড়ে ওঠেনি একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন।
দীর্ঘদিন উন্নয়ন বঞ্চিত হিসেবে পরিচিত নাঙ্গলকোটে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদ্যুতায়ন, সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে কিছুটা অগ্রগতি হলেও জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপিত হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে পাশের উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে আসতেই অনেক সময় ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই ঘটে যায় অপূরণীয় ক্ষতি।
নাঙ্গলকোটের আশপাশের প্রায় সব উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থাকলেও বৃহৎ এই জনপদ এখনো সেই মৌলিক নিরাপত্তা সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
জানা যায়, প্রতিনিয়ত কোথাও না কোথাও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কেউ হারাচ্ছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই, আবার কেউ হারাচ্ছেন জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতঘরে আগুন লাগার ঘটনা এখন নাঙ্গলকোটবাসীর কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা, দাবি ও আশ্বাস মিললেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। এতে হতাশ স্থানীয় সচেতন মহল।
তাদের প্রশ্ন, আর কত ক্ষয়ক্ষতি হলে নাঙ্গলকোটে একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হবে? উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এখন নাঙ্গলকোটবাসীর প্রাণের দাবি দ্রæত সময়ের মধ্যে একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা। কারণ একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি মানুষের জীবন, সম্পদ ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।
ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন বাস্তবায়ন আন্দোলনকারী নজির নোবেল বলেন, উন্নয়নের নানা সূচকে নাঙ্গলকোট এগিয়ে গেলেও জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এখনো অবহেলিত এই জনপদ।
একটি ফায়ার সার্ভিস শুধু একটি দালান নয়, একটি রক্ষাকবচ।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় স্টেশন স্থাপনের আশ্বাস দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। যার ঘর বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে যাচ্ছে তিনি জানেন ফায়ার সার্ভিসের গুরুত্ব কতটুকু।

আপনার মতামত লিখুন