কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের ঘটনায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হলেও অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে চিকিৎসাধীন এক শিশু ও তার পরিবার। বুধবার রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় জানা যায়, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ৮ মাস বয়সী শিশু তাসিন ইসলামকে নেবুলাইজার দেওয়ার প্রস্তুতির সময় হঠাৎ যন্ত্রটিতে আগুন ধরে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আশপাশে থাকা রোগী ও স্বজনরা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং শিশু ও তার মাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।
ঘটনার পর হাসপাতালের ইনডোরে থাকা অন্যান্য রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দ্বিতীয় তলার পুরুষ ও নারী ওয়ার্ড অন্ধকারে ডুবে যায়, যা শিশু ও বৃদ্ধ রোগীদের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করে। প্রায় এক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা কিছু নার্স ও কর্মচারী ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে আবাসিক মেডিকেল অফিসারকেও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম জানান, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় হাসপাতালের বৈদ্যুতিক লাইনসহ অবকাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিষয় : স্বাস্থ্য

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের ঘটনায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হলেও অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে চিকিৎসাধীন এক শিশু ও তার পরিবার। বুধবার রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় জানা যায়, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ৮ মাস বয়সী শিশু তাসিন ইসলামকে নেবুলাইজার দেওয়ার প্রস্তুতির সময় হঠাৎ যন্ত্রটিতে আগুন ধরে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আশপাশে থাকা রোগী ও স্বজনরা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং শিশু ও তার মাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।
ঘটনার পর হাসপাতালের ইনডোরে থাকা অন্যান্য রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দ্বিতীয় তলার পুরুষ ও নারী ওয়ার্ড অন্ধকারে ডুবে যায়, যা শিশু ও বৃদ্ধ রোগীদের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করে। প্রায় এক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা কিছু নার্স ও কর্মচারী ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে আবাসিক মেডিকেল অফিসারকেও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম জানান, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় হাসপাতালের বৈদ্যুতিক লাইনসহ অবকাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন