কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের শেয়ার বাতাবাড়ীয়া গ্রামে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, টিনশেডের বেড়া ভাঙচুর ও গাছপালা কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ সাইদুল হক,হারিছ মিয়া গুরুতর আহত হয়েছেন।এর মধ্যে সাইদুল হককে আশংকাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। থানায় অভিযোগ করলে বাড়ী ঘর পুড়ে দেয়ার হুমকি।সরেজমিনে সাংবাদিকরা ঘটনাস্হলে গেলে এসময় মন্জুরুল আলম,ও কিশোর গ্যাং লিডার মিনার মারমূখী হয়ে প্রতিপক্ষের দিকে তেড়ে আসেন।
মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের মজিবুল হক, হারিছ মিয়া, নূর ইসলাম ও ওবায়দুল হকের জায়গা থেকে জোরপূর্বক গাছ কেটে নেওয়া এবং টিনশেডের বেড়া ভাঙচুর করেন। এতে বাধা দিলে শাহ আলম, আবু তাহের, ঈসমাইল ও তার ছেলে মিনারসহ ১২-১৩ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন,ভুক্তভোগীরা।
প্রতিপক্ষের শাহআলম বলেন,আমরা শালিসে ওদের কাছে যে জায়গা পাই,ওই জায়গাতে গাছে লাগাই,ভাংচুর ও মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের শেয়ার বাতাবাড়ীয়া গ্রামে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, টিনশেডের বেড়া ভাঙচুর ও গাছপালা কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ সাইদুল হক,হারিছ মিয়া গুরুতর আহত হয়েছেন।এর মধ্যে সাইদুল হককে আশংকাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। থানায় অভিযোগ করলে বাড়ী ঘর পুড়ে দেয়ার হুমকি।সরেজমিনে সাংবাদিকরা ঘটনাস্হলে গেলে এসময় মন্জুরুল আলম,ও কিশোর গ্যাং লিডার মিনার মারমূখী হয়ে প্রতিপক্ষের দিকে তেড়ে আসেন।
মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের মজিবুল হক, হারিছ মিয়া, নূর ইসলাম ও ওবায়দুল হকের জায়গা থেকে জোরপূর্বক গাছ কেটে নেওয়া এবং টিনশেডের বেড়া ভাঙচুর করেন। এতে বাধা দিলে শাহ আলম, আবু তাহের, ঈসমাইল ও তার ছেলে মিনারসহ ১২-১৩ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন,ভুক্তভোগীরা।
প্রতিপক্ষের শাহআলম বলেন,আমরা শালিসে ওদের কাছে যে জায়গা পাই,ওই জায়গাতে গাছে লাগাই,ভাংচুর ও মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন