কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা অভিজ্ঞতার কাছে ধরাশায়ীর পথে টাকার কুমির খ্যাত হাজী ইয়াসিনের মিশন। 'প্রয়োজনে এক বছরের ব্যাবসার লাভের ১শ কোটি টাকা ছিটিয়ে বিএনপির মনোনয়ন ভাগাবেন' বলে সমর্থকদের এই আশারবানী শুনিয়ে আসছিলেন হাজী ইয়াসিন। কিন্তু ৩ নভেম্বর বিএনপির ঘোষিত তালিকায় তার নাম আসেনি। তাই শুরু হয় হাজী সাহেবের টাকার মিশন। দেশ বিদেশে নিয়োগ করা হয় লবিস্ট। যারা সোস্যাল মিডিয়ায় ইয়াসিন ইয়াসিন ঝড় তোলে। বুঝানো হয় ইয়াসিন ছাড়া কুমিল্লা শহরে বিএনপির অন্ধকারে।যে কোনো মুল্যে ইয়াসিনের ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ চাই। অধিকাংশ আলোচিত ইউটিউবার,কুমিল্লার সাংবাদিক, ঢাকার জাতীয় দৈনিক ও টিভি চ্যানেলগুলোকে ম্যানেজে বরাদ্দ করে বিগ বাজেট। উদ্দেশ্য তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ। কিন্ত রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে টাকা ছাড়াও যে জনগনের মন ও সব কিছু জয় করা যায়। এটি মাত্র ২০ দিনে কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রমান করতে সক্ষম হয়েছেন মনিরুল হক চৌধুরী। বিগত ১৬ বছরে টাকার কুমির খ্যাত, ব্যাবসায়ী হাজী ইয়াসিন যা পরেননি, উন্নয়ন পাগল খ্যাত মনিরুল হক চৌধুরী মাত্র একবছরে কুমিল্লাবসীর আশার বাতিঘরে আবির্ভূত হয়েছেন। বসবাসের অযোগ্য কুমিল্লা শহরে সমস্যাগুলোর গভীরে প্রবেশ করেছেন তিনি। কিছু সমস্যা সমাধান কল্পে কর্মকান্ডও এখন চলমান ও দৃশ্যমান। এতে দারুণ খুশি ও আশাবাদী নগরবাসী। তাই ' উন্নয়নের পথে, আছি মনিরুল হক চৌধুরীর সাথে' এই শ্লোগানে এখন শামিল হয়েছে কুমিল্লা মহানগরে বসবাসরত সর্বসাধারণ। বর্তমান তরুন সমাজ এতোদিন মনিরুল হক চৌধুরী সম্পর্কে না জানলে সোস্যাল মিডিয়া ও গুগুল আর্কাইভের মাধ্যমে জানতে পেরেছে এই রাজনীতিবীদের বর্ণাঢ্য ইতিহাস। বিএনপির সিনিয়র সদস্য ও মুরুব্বীদের কাছে মনিরুল হক চৌধুরীকে একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, একসময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা,সাবেক হুইপ,উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে নতুন করে পরিচিতির দরকার নেই। মনিরুল হক চৌধুরী এই বর্ণাঢ্য কর্মকাণ্ডের প্রোফাইল ইতিমধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী তারেক রহমানের ভ্যানগার্ডদের কাছে পৌঁছে গেছে। তাই যারা এতোদিন ইয়াছিন ভাই বলতে অন্ধ ছিলো, যোগ্যতার মাপকাঠিতে তাদের কাছে মনিরুল হক চৌধুরী এখন কুমিল্লা -৬ আসনে ধানের শীষের যোগ্য কান্ডারী। কুমিল্লা মহানগর সভাপতি আবুর নেতৃত্ব মহানগর বিএনপি,সাধারণ সম্পাদক আমিরের নেতৃত্বে দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ সার্বক্ষণিক চৌধুরীর সাথে ধানের শীষের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। মহানগর যুবদলের নেতা কর্মীদের মনজয় করার পর এখন ছাত্রদলসহ অন্যান্য জাতীয়তাবাদী সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের দিকে হাত বাড়িয়েছেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিক মুরুব্বি।
এক্ষেত্রে ছায়ার মতো তাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর ভক্ত ও সমর্থকরা। যা হাজী ইয়াছিনের টাকার মিশন বুমেরাং হওয়ার অন্যতম কারণ।
বিষয় : বিএনপি

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫
কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা অভিজ্ঞতার কাছে ধরাশায়ীর পথে টাকার কুমির খ্যাত হাজী ইয়াসিনের মিশন। 'প্রয়োজনে এক বছরের ব্যাবসার লাভের ১শ কোটি টাকা ছিটিয়ে বিএনপির মনোনয়ন ভাগাবেন' বলে সমর্থকদের এই আশারবানী শুনিয়ে আসছিলেন হাজী ইয়াসিন। কিন্তু ৩ নভেম্বর বিএনপির ঘোষিত তালিকায় তার নাম আসেনি। তাই শুরু হয় হাজী সাহেবের টাকার মিশন। দেশ বিদেশে নিয়োগ করা হয় লবিস্ট। যারা সোস্যাল মিডিয়ায় ইয়াসিন ইয়াসিন ঝড় তোলে। বুঝানো হয় ইয়াসিন ছাড়া কুমিল্লা শহরে বিএনপির অন্ধকারে।যে কোনো মুল্যে ইয়াসিনের ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ চাই। অধিকাংশ আলোচিত ইউটিউবার,কুমিল্লার সাংবাদিক, ঢাকার জাতীয় দৈনিক ও টিভি চ্যানেলগুলোকে ম্যানেজে বরাদ্দ করে বিগ বাজেট। উদ্দেশ্য তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ। কিন্ত রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে টাকা ছাড়াও যে জনগনের মন ও সব কিছু জয় করা যায়। এটি মাত্র ২০ দিনে কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রমান করতে সক্ষম হয়েছেন মনিরুল হক চৌধুরী। বিগত ১৬ বছরে টাকার কুমির খ্যাত, ব্যাবসায়ী হাজী ইয়াসিন যা পরেননি, উন্নয়ন পাগল খ্যাত মনিরুল হক চৌধুরী মাত্র একবছরে কুমিল্লাবসীর আশার বাতিঘরে আবির্ভূত হয়েছেন। বসবাসের অযোগ্য কুমিল্লা শহরে সমস্যাগুলোর গভীরে প্রবেশ করেছেন তিনি। কিছু সমস্যা সমাধান কল্পে কর্মকান্ডও এখন চলমান ও দৃশ্যমান। এতে দারুণ খুশি ও আশাবাদী নগরবাসী। তাই ' উন্নয়নের পথে, আছি মনিরুল হক চৌধুরীর সাথে' এই শ্লোগানে এখন শামিল হয়েছে কুমিল্লা মহানগরে বসবাসরত সর্বসাধারণ। বর্তমান তরুন সমাজ এতোদিন মনিরুল হক চৌধুরী সম্পর্কে না জানলে সোস্যাল মিডিয়া ও গুগুল আর্কাইভের মাধ্যমে জানতে পেরেছে এই রাজনীতিবীদের বর্ণাঢ্য ইতিহাস। বিএনপির সিনিয়র সদস্য ও মুরুব্বীদের কাছে মনিরুল হক চৌধুরীকে একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, একসময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা,সাবেক হুইপ,উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে নতুন করে পরিচিতির দরকার নেই। মনিরুল হক চৌধুরী এই বর্ণাঢ্য কর্মকাণ্ডের প্রোফাইল ইতিমধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী তারেক রহমানের ভ্যানগার্ডদের কাছে পৌঁছে গেছে। তাই যারা এতোদিন ইয়াছিন ভাই বলতে অন্ধ ছিলো, যোগ্যতার মাপকাঠিতে তাদের কাছে মনিরুল হক চৌধুরী এখন কুমিল্লা -৬ আসনে ধানের শীষের যোগ্য কান্ডারী। কুমিল্লা মহানগর সভাপতি আবুর নেতৃত্ব মহানগর বিএনপি,সাধারণ সম্পাদক আমিরের নেতৃত্বে দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ সার্বক্ষণিক চৌধুরীর সাথে ধানের শীষের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। মহানগর যুবদলের নেতা কর্মীদের মনজয় করার পর এখন ছাত্রদলসহ অন্যান্য জাতীয়তাবাদী সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের দিকে হাত বাড়িয়েছেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিক মুরুব্বি।
এক্ষেত্রে ছায়ার মতো তাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর ভক্ত ও সমর্থকরা। যা হাজী ইয়াছিনের টাকার মিশন বুমেরাং হওয়ার অন্যতম কারণ।

আপনার মতামত লিখুন