বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ নীতিনির্ধারকদের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য, গালিগালাজে লেলিয়ে দেওয়ার অভিযোগে বহিষ্কারের পথে কুমিল্লার আলোচিত বিএনপি নেতা হাজী ইয়াছিন।
জানাগেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নে কতিপয় অতিউৎসাহী কর্মী ও তার শিল্প কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের দায়ভার এখন চেপেছে আমিনুর রশিদের ঘাড়ে। গত ৮ নভেম্বর সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর সমর্থকরা আমিনুর রশিদ ইয়াছিনকে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য ব্যানার ফেস্টুন সহ কুমিল্লা নগরীতে মিছিল করেছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর ২৩৭টি সংসদীয় আসনে বিএনপি'র সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
কুমিল্লা-৬ আসলে প্রার্থী ঘোষণা করা হয় চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মনিরুল হক চৌধুরীর নাম। এতে ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয় এই আসনে অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী হাজি আমিনুর রশিদ ইয়াছিনের ভক্ত ও সমর্থকরা। তারা তৎক্ষনাত টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধের মাধ্যমে সর্বপ্রথম মননোয়নে বিদ্রোহীদের আন্দোলনের সূচনা করে। যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে সীতাকুন্ড সহ দেশের আরও কিছু নির্বাচনী এলাকায় এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। উল্লেখ্য, আওয়ামীলীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রামে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির সাংগাঠনিক কর্মকান্ড ছিলো স্থবির ও পানসা।
অভিযোগ রয়েছে, জেলা বিএনপির আহবায়ক শিল্পপতি আমিনুর রশিদ ইয়াছিন বরাবরই ছিল আন্দোলন, সংগ্রাম, হরতাল, অবরোধ, মিছিল মিটিং বিরোধী।
কুমিল্লা শহরে তার কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠানে আওয়ামীলীগের শাসনামলে নিরবিচ্ছিন্ন পরিবেশ ও উৎপাদন অব্যাহত ছিলো। তিনি সংসদ সদস্য হাজী বাহাউদ্দিন বাহারের সাথে সব সময় লিয়াজোঁ রক্ষা করতেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। অপ্রিয় হলেও সত্য, ১৬ বছরের বিএনপি জেলা কমিটির সভাপতি বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই! জেল-জুলুম, হামলারও কোন নজীর নাই! এটা বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সভাপতি আমিনুর রশিদ ইয়াছিনের পক্ষেই রহস্যজনকভাবে সম্ভব হয়েছে। যার নেপথ্য কারণ ও হিসাব-নিকাশ মিলাতে পারছেন না নেতা কর্মী ও বিএনপি'র নীতিনির্ধারক নির্ধারক মহলও।
জানা গেছে, ২৪ এর জুলাই আন্দোলনের শুরু থেকে কুমিল্লা শহর ও জেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ছিল হিমাগারে। বিষয়টি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনিটরিংয়ে ধরা পড়ে। তিনি লন্ডন থেকে সরাসরি ফোন দিলেন ইয়াছিন সাহেবের মোবাইলে। কিন্তু মোবাইলের জবান বন্দ। বাধ্য হয়ে ফোন করেন বিএনপি নেতা আবু ও আমিরুজ্জামানকে।তাদেরকে তাৎক্ষণিক দায়িত্ব দিলেন কুমিল্লায় ছাত্র আন্দোলন তত্ত্বাবধানের জন্য। ইয়াছিন সাহেবের সাথে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ যোগাযোগ করলে বলা হয়, তিনি অসুস্থ। তাই কুমিল্লা আসতে পারছেন না।
কুমিল্লার দক্ষিণের প্রতিটি উপজেলা ও শহরে ১৬ বছর আন্দোলন সংগ্রামের কর্মকাণ্ড ছিল নেতিবাচক। কারন শ্যালক নিজাম উদ্দিন কায়সার সিন্ডিকেটের অধীনে গঠিত এসব কমিটি। ইয়াছিন ভাই জিন্দাবাদের মধ্যেই ব্যস্ত থাকতো কমিটির কর্মকান্ড । নেতা কর্মীরা মামলা মোদ্দমায় জড়ালে টাকা পয়সার জোগান আসতো। উন্নয়ন কর্মকান্ড বলতে ৫ অগস্টের পর খাল পরিস্কারের নাম ২বালতি ময়লা উত্তোলনের ফটোসেশনের মধ্যেই সীমবদ্ধ রয়েছে ইয়াছিন সাহেবের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাফল্যের অধ্যায়।
অথচ মনিরুল হক চৌধুরী গত একবছর কুমিল্লা শহরে দৃশ্যমান অনেক উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করছেন। বসবাসযোগ্য কুমিল্লা শহরে প্রতিষ্ঠায় নিয়েছে অসংখ্য পরিকল্পনা।ঢাকা-কমিল্লা রেলওয়ে কর্ডলাইন ও ঢাকা -চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৮লেনের প্রজেক্ট প্রোফাইল নিয়ে গেছেন চুড়ান্ত পর্যায়।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির সম্মেলন ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিগত ১৬ বছর করতে না পারাটা ছিল আহবায়ক হিসেবে ইয়াছিন সাহেবের বড় ব্যর্থতা। ৫ আগস্টের পর ইয়ছিন সাহেবের পকেট কমিটির নেতৃবৃন্দ কুমিল্লায় চাদাঁবাজী ও দখল বানিজ্যে ভাইরাল হয়। ঢাকা- কুমিল্লা বাস ভাড়া এক লাফে বৃদ্ধি হয় ৫০টাকা। টোল ও চাঁদার হারও দ্বিগুণ বাড়ে। রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে যায় ইয়াছিন সাহেবেরে পকেট কমিটির নেতা ও সিন্ডিকেট সদস্যরা। এহেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভেঙ্গে দেওয়া হয় কুমিল্লা শহর ও দক্ষিণ জেলা কমিটি। জাকারিয়া তাহের সুমনকে করা হয় আহবায়ক। এক বছরে মাথায় সম্পন্ন হয় তৃণমূল থেকে উপজেলা,মহানগর ও জেলার নির্বাচিত নতুন কমিটি। যা ইয়াছিন সাহেবের পক্ষে ১৬ বছরে সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য,হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিন সভা সমাবেশে প্রায় টাকার গরম দেখান।প্রতিবছর ১শ কোটি টাকা আয়ের শ্লোগানের মাধ্যমে তিনি কী তিনি ইঙ্গিত করতে চান? তারা বেতনধারী কিছু কর্মী চাদাঁ তুলে বিএনপির নমিনেশন কিনতে চেয়েছেন। এহেন বক্তব্য তারেক রহমান তথা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের জন্য বিব্রতকরও বটে। আমিনুর রশীদ ইয়াছিনের জেলা কমিটির নেতৃত্বের পর এমপি পদ চলে যাচ্ছে। এই আতঙ্কে তাঁর অনুগত চাঁদাবাজ ও সিন্ডিকেট সদস্যদের মাথায় আসমান ভেঙ্গে পড়ে। কারন ইয়াছিন সাহেবকে নয়ছয় বুঝিয়ে ও জিম্মি করে রাখা সহজ। কিন্তু মনিরুল হক চৌধুরীর ক্ষেত্রে তা অসম্ভব। তাই,এখন চলছে মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুৎসা,প্রপাগাণ্ডা রটানোর মিশন। ইয়াছিন সাহেবের বেতনভুক্ত কতিপয় বিএনপি নেতা- কর্মী ও তার শিল্প কারখানার শ্রমিকে নামানো হয়েছে এই মিশনে। মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লায় 'ভাদাইম্যা',অপরিচিত, নবাগত ইত্যাদি শ্লোগান দিয়ে তারা এখন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবীদের চরিত্র হননে লিপ্ত। কিন্তু তাদের এসব প্রপাগাণ্ডা কুমিল্লাবাসীর দৃষ্টিতে পাগলের প্রালাপ ছাড়া কিছুই নয়। কারন কুমিল্লা জেলা বিএনপিতে মনিরুল হক চৌধুরী সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও মুরুব্বি। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও বয়োজ্যেষ্ঠার কারনে অনেকেই তার কর্মী সমতুল্য। যেটা ইয়াছিন সাহেবের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। উল্লেখ্য, মনিরুল হক চৌধুরী পৈত্রিকভিটা, ভোট কেন্দ্র ও তার স্বপ্নের সদর দক্ষিণ উপজেলা। যা এখন কুমিল্লা -৬ আসনের সাথে যুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। ইয়াছিন সাহেব লিখিতভাবে কুমিল্লা ১০ এলাকা থেকে চৌয়ারকে কেটে কুমিল্লা- ৬ আসনে যুক্ত করতে অনুরোধ করেছেন। সে মোতাবেক মনিরুল হক চৌধুরী এখন কুমিল্লা- ৬ নির্বাচনী এলাকার ভোটার ও প্রার্থী। এটা উনার নৈতিক অধিকার। সর্বোপরি, বিগত ১৬ বছর আওয়ামীলীগ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে রয়েছে মনিরুল হক চৌধুরী জেল,জুলুম, মামলা হামলার বার্ণাঢ্য ইতিহাস। ২৪'র জুলাই আন্দোলন কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, রাজধানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌধুরী সাহেব এবং তার সুযোগ্য মেয়ে অধ্যাপক সায়েমা ফেরদৌসের আসমান কাঁপানো আন্দোলন সংগ্রাম এখন ইতিহাসের আর্কাইভে। যা সম্পর্কে মুল্যয়ন করার যোগ্যতা ইয়াছিন সাহেবের বেতনভুক্ত তথাকথিত নেতাদের আছে?

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ নভেম্বর ২০২৫
বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ নীতিনির্ধারকদের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য, গালিগালাজে লেলিয়ে দেওয়ার অভিযোগে বহিষ্কারের পথে কুমিল্লার আলোচিত বিএনপি নেতা হাজী ইয়াছিন।
জানাগেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নে কতিপয় অতিউৎসাহী কর্মী ও তার শিল্প কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের দায়ভার এখন চেপেছে আমিনুর রশিদের ঘাড়ে। গত ৮ নভেম্বর সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর সমর্থকরা আমিনুর রশিদ ইয়াছিনকে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য ব্যানার ফেস্টুন সহ কুমিল্লা নগরীতে মিছিল করেছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর ২৩৭টি সংসদীয় আসনে বিএনপি'র সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
কুমিল্লা-৬ আসলে প্রার্থী ঘোষণা করা হয় চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মনিরুল হক চৌধুরীর নাম। এতে ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয় এই আসনে অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী হাজি আমিনুর রশিদ ইয়াছিনের ভক্ত ও সমর্থকরা। তারা তৎক্ষনাত টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধের মাধ্যমে সর্বপ্রথম মননোয়নে বিদ্রোহীদের আন্দোলনের সূচনা করে। যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে সীতাকুন্ড সহ দেশের আরও কিছু নির্বাচনী এলাকায় এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। উল্লেখ্য, আওয়ামীলীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রামে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির সাংগাঠনিক কর্মকান্ড ছিলো স্থবির ও পানসা।
অভিযোগ রয়েছে, জেলা বিএনপির আহবায়ক শিল্পপতি আমিনুর রশিদ ইয়াছিন বরাবরই ছিল আন্দোলন, সংগ্রাম, হরতাল, অবরোধ, মিছিল মিটিং বিরোধী।
কুমিল্লা শহরে তার কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠানে আওয়ামীলীগের শাসনামলে নিরবিচ্ছিন্ন পরিবেশ ও উৎপাদন অব্যাহত ছিলো। তিনি সংসদ সদস্য হাজী বাহাউদ্দিন বাহারের সাথে সব সময় লিয়াজোঁ রক্ষা করতেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। অপ্রিয় হলেও সত্য, ১৬ বছরের বিএনপি জেলা কমিটির সভাপতি বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই! জেল-জুলুম, হামলারও কোন নজীর নাই! এটা বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সভাপতি আমিনুর রশিদ ইয়াছিনের পক্ষেই রহস্যজনকভাবে সম্ভব হয়েছে। যার নেপথ্য কারণ ও হিসাব-নিকাশ মিলাতে পারছেন না নেতা কর্মী ও বিএনপি'র নীতিনির্ধারক নির্ধারক মহলও।
জানা গেছে, ২৪ এর জুলাই আন্দোলনের শুরু থেকে কুমিল্লা শহর ও জেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ছিল হিমাগারে। বিষয়টি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনিটরিংয়ে ধরা পড়ে। তিনি লন্ডন থেকে সরাসরি ফোন দিলেন ইয়াছিন সাহেবের মোবাইলে। কিন্তু মোবাইলের জবান বন্দ। বাধ্য হয়ে ফোন করেন বিএনপি নেতা আবু ও আমিরুজ্জামানকে।তাদেরকে তাৎক্ষণিক দায়িত্ব দিলেন কুমিল্লায় ছাত্র আন্দোলন তত্ত্বাবধানের জন্য। ইয়াছিন সাহেবের সাথে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ যোগাযোগ করলে বলা হয়, তিনি অসুস্থ। তাই কুমিল্লা আসতে পারছেন না।
কুমিল্লার দক্ষিণের প্রতিটি উপজেলা ও শহরে ১৬ বছর আন্দোলন সংগ্রামের কর্মকাণ্ড ছিল নেতিবাচক। কারন শ্যালক নিজাম উদ্দিন কায়সার সিন্ডিকেটের অধীনে গঠিত এসব কমিটি। ইয়াছিন ভাই জিন্দাবাদের মধ্যেই ব্যস্ত থাকতো কমিটির কর্মকান্ড । নেতা কর্মীরা মামলা মোদ্দমায় জড়ালে টাকা পয়সার জোগান আসতো। উন্নয়ন কর্মকান্ড বলতে ৫ অগস্টের পর খাল পরিস্কারের নাম ২বালতি ময়লা উত্তোলনের ফটোসেশনের মধ্যেই সীমবদ্ধ রয়েছে ইয়াছিন সাহেবের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাফল্যের অধ্যায়।
অথচ মনিরুল হক চৌধুরী গত একবছর কুমিল্লা শহরে দৃশ্যমান অনেক উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করছেন। বসবাসযোগ্য কুমিল্লা শহরে প্রতিষ্ঠায় নিয়েছে অসংখ্য পরিকল্পনা।ঢাকা-কমিল্লা রেলওয়ে কর্ডলাইন ও ঢাকা -চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৮লেনের প্রজেক্ট প্রোফাইল নিয়ে গেছেন চুড়ান্ত পর্যায়।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির সম্মেলন ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিগত ১৬ বছর করতে না পারাটা ছিল আহবায়ক হিসেবে ইয়াছিন সাহেবের বড় ব্যর্থতা। ৫ আগস্টের পর ইয়ছিন সাহেবের পকেট কমিটির নেতৃবৃন্দ কুমিল্লায় চাদাঁবাজী ও দখল বানিজ্যে ভাইরাল হয়। ঢাকা- কুমিল্লা বাস ভাড়া এক লাফে বৃদ্ধি হয় ৫০টাকা। টোল ও চাঁদার হারও দ্বিগুণ বাড়ে। রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে যায় ইয়াছিন সাহেবেরে পকেট কমিটির নেতা ও সিন্ডিকেট সদস্যরা। এহেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভেঙ্গে দেওয়া হয় কুমিল্লা শহর ও দক্ষিণ জেলা কমিটি। জাকারিয়া তাহের সুমনকে করা হয় আহবায়ক। এক বছরে মাথায় সম্পন্ন হয় তৃণমূল থেকে উপজেলা,মহানগর ও জেলার নির্বাচিত নতুন কমিটি। যা ইয়াছিন সাহেবের পক্ষে ১৬ বছরে সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য,হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিন সভা সমাবেশে প্রায় টাকার গরম দেখান।প্রতিবছর ১শ কোটি টাকা আয়ের শ্লোগানের মাধ্যমে তিনি কী তিনি ইঙ্গিত করতে চান? তারা বেতনধারী কিছু কর্মী চাদাঁ তুলে বিএনপির নমিনেশন কিনতে চেয়েছেন। এহেন বক্তব্য তারেক রহমান তথা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের জন্য বিব্রতকরও বটে। আমিনুর রশীদ ইয়াছিনের জেলা কমিটির নেতৃত্বের পর এমপি পদ চলে যাচ্ছে। এই আতঙ্কে তাঁর অনুগত চাঁদাবাজ ও সিন্ডিকেট সদস্যদের মাথায় আসমান ভেঙ্গে পড়ে। কারন ইয়াছিন সাহেবকে নয়ছয় বুঝিয়ে ও জিম্মি করে রাখা সহজ। কিন্তু মনিরুল হক চৌধুরীর ক্ষেত্রে তা অসম্ভব। তাই,এখন চলছে মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুৎসা,প্রপাগাণ্ডা রটানোর মিশন। ইয়াছিন সাহেবের বেতনভুক্ত কতিপয় বিএনপি নেতা- কর্মী ও তার শিল্প কারখানার শ্রমিকে নামানো হয়েছে এই মিশনে। মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লায় 'ভাদাইম্যা',অপরিচিত, নবাগত ইত্যাদি শ্লোগান দিয়ে তারা এখন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবীদের চরিত্র হননে লিপ্ত। কিন্তু তাদের এসব প্রপাগাণ্ডা কুমিল্লাবাসীর দৃষ্টিতে পাগলের প্রালাপ ছাড়া কিছুই নয়। কারন কুমিল্লা জেলা বিএনপিতে মনিরুল হক চৌধুরী সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও মুরুব্বি। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও বয়োজ্যেষ্ঠার কারনে অনেকেই তার কর্মী সমতুল্য। যেটা ইয়াছিন সাহেবের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। উল্লেখ্য, মনিরুল হক চৌধুরী পৈত্রিকভিটা, ভোট কেন্দ্র ও তার স্বপ্নের সদর দক্ষিণ উপজেলা। যা এখন কুমিল্লা -৬ আসনের সাথে যুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। ইয়াছিন সাহেব লিখিতভাবে কুমিল্লা ১০ এলাকা থেকে চৌয়ারকে কেটে কুমিল্লা- ৬ আসনে যুক্ত করতে অনুরোধ করেছেন। সে মোতাবেক মনিরুল হক চৌধুরী এখন কুমিল্লা- ৬ নির্বাচনী এলাকার ভোটার ও প্রার্থী। এটা উনার নৈতিক অধিকার। সর্বোপরি, বিগত ১৬ বছর আওয়ামীলীগ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে রয়েছে মনিরুল হক চৌধুরী জেল,জুলুম, মামলা হামলার বার্ণাঢ্য ইতিহাস। ২৪'র জুলাই আন্দোলন কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, রাজধানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌধুরী সাহেব এবং তার সুযোগ্য মেয়ে অধ্যাপক সায়েমা ফেরদৌসের আসমান কাঁপানো আন্দোলন সংগ্রাম এখন ইতিহাসের আর্কাইভে। যা সম্পর্কে মুল্যয়ন করার যোগ্যতা ইয়াছিন সাহেবের বেতনভুক্ত তথাকথিত নেতাদের আছে?

আপনার মতামত লিখুন