নাঙ্গলকোট উপজেলা সদর হতে পাটোয়ার ব্রিজের মাথা পর্যন্ত চলমান ড্রেন নির্মাণ কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত মানদণ্ড উপেক্ষা করে নিম্নমানের পণ্যসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করা হচ্ছে ড্রেন নির্মাণে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সদরের আল-ফারুক একাডেমী থেকে নাঙ্গলকোট কারিগরি স্কুল পর্যন্ত ড্রেনের ঢালাই কাজে সিলেকশন বালু ব্যবহার না করে নিম্নমানের বিট বালু ও অতিরিক্ত ইটের কনা ব্যবহার করা হচ্ছে। এ সময় সংশ্লিষ্টরা কাজ বন্ধ রেখে অনিয়মের বিষয়টি স্বীকার করেন। নিয়ম অনুযায়ী ড্রেনের ঢালাই কাজে সিলেকশন বালু ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে তা মানা হয়নি। এতে নির্মাণাধীন ড্রেনের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান নিয়ে গুরুতর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর জানান, এভাবে কাজ চলতে থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই ড্রেনটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে ড্রেনের কাজে নিয়োজিত লেবার রাসেল বলেন, সিলেকশন বালু ছাড়া কাজ করা হয়েছে এটা আমাদের ভুল। তবে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে সিমেন্টের সঙ্গে অতিরিক্ত এক ফুট ইটের কনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ভুল আর হবে না।
ম্যানেজারের নিকট ঠিকাদারের মোবাইল নম্বর চাইলে তিনি বলেন তার কাছে ঠিকাদারের কোনো নম্বর নেই। তিনি দাবি করেন, আমাদের কাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। আগে যে নিয়মে কাজ হতো, এখন সেই নিয়মেই কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।” তবে সিলেকশন বালু ছাড়া কাজ হচ্ছে এমন প্রশ্নের মুখে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এদিকে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, কাজ চলাকালে যথাযথ তদারকির ঘাটতি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় ঠিকাদার ইচ্ছেমতো কাজ করছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শামিম হোসেন বলেন, কাজ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। তবে কাজ চলমান কি না জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমার অনুমতি ছাড়া কাজ হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চিঠি ইস্যু করা হবে। নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বিথী বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত আমি দেখবো, কোন অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নাঙ্গলকোট উপজেলা সদর হতে পাটোয়ার ব্রিজের মাথা পর্যন্ত চলমান ড্রেন নির্মাণ কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত মানদণ্ড উপেক্ষা করে নিম্নমানের পণ্যসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করা হচ্ছে ড্রেন নির্মাণে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সদরের আল-ফারুক একাডেমী থেকে নাঙ্গলকোট কারিগরি স্কুল পর্যন্ত ড্রেনের ঢালাই কাজে সিলেকশন বালু ব্যবহার না করে নিম্নমানের বিট বালু ও অতিরিক্ত ইটের কনা ব্যবহার করা হচ্ছে। এ সময় সংশ্লিষ্টরা কাজ বন্ধ রেখে অনিয়মের বিষয়টি স্বীকার করেন। নিয়ম অনুযায়ী ড্রেনের ঢালাই কাজে সিলেকশন বালু ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে তা মানা হয়নি। এতে নির্মাণাধীন ড্রেনের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান নিয়ে গুরুতর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর জানান, এভাবে কাজ চলতে থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই ড্রেনটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে ড্রেনের কাজে নিয়োজিত লেবার রাসেল বলেন, সিলেকশন বালু ছাড়া কাজ করা হয়েছে এটা আমাদের ভুল। তবে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে সিমেন্টের সঙ্গে অতিরিক্ত এক ফুট ইটের কনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ভুল আর হবে না।
ম্যানেজারের নিকট ঠিকাদারের মোবাইল নম্বর চাইলে তিনি বলেন তার কাছে ঠিকাদারের কোনো নম্বর নেই। তিনি দাবি করেন, আমাদের কাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। আগে যে নিয়মে কাজ হতো, এখন সেই নিয়মেই কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।” তবে সিলেকশন বালু ছাড়া কাজ হচ্ছে এমন প্রশ্নের মুখে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এদিকে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, কাজ চলাকালে যথাযথ তদারকির ঘাটতি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় ঠিকাদার ইচ্ছেমতো কাজ করছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শামিম হোসেন বলেন, কাজ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। তবে কাজ চলমান কি না জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমার অনুমতি ছাড়া কাজ হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চিঠি ইস্যু করা হবে। নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বিথী বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত আমি দেখবো, কোন অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন