কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও প্রতিবন্ধী শিশুসহ ছয় জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে আলম। শুক্রবার রাতে উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জানা যায়, বাসন্ডা গ্রামের প্রবাস ফেরত আলম পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া বাড়ির জায়গা সমানভাগে ভাতিজা মৃত আবপদুস সালামের ছেলে সবুজ গং ও চাচা জালাল উদ্দিনের নিকট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ভাতিজা সজিবরা একা সম্পূর্ণ জায়গা দাবী করে। এ বিষয়ে মিমাংসার উদ্দেশ্যে শুক্রবার রাতে বাড়িতে পারিবারিকভাবে উঠান বৈঠক বসলে সজিব, ফয়েজ আহমেদের ছেলে মো: তারেক ও রাসেল, মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে মো: ফয়েজ আহমেদ, মো: জহির আহমেদের ছেলে মো: ফারুক, তাজুল ইসলামের ছেলে নাছির উদ্দিন, আবদুল আজিজের ছেলে রিয়াজ, মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে মনু মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের হামলায় জালাল উদ্দিনের স্ত্রী নার্গিস বেগম, মো: আলমের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস, জালাল আহমেদের প্রতিবন্ধী মেয়ে জিনিয়া আক্তার ও ফারজানা, মৃত একরাত উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন, কামরুল ইসলামের ছেলে ফারহান আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।
হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সজিব বলেন, 'ঘটনার ভিতরে আরো ঘটনা আছে। আপনাদেরকে পুরো ঘটনা জানতে হবে। এরপর মোবাইল সংযোগ কেটে গেলে তিনি আর কল ধরেননি।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গুলজার আলম বলেন, 'অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও প্রতিবন্ধী শিশুসহ ছয় জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে আলম। শুক্রবার রাতে উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জানা যায়, বাসন্ডা গ্রামের প্রবাস ফেরত আলম পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া বাড়ির জায়গা সমানভাগে ভাতিজা মৃত আবপদুস সালামের ছেলে সবুজ গং ও চাচা জালাল উদ্দিনের নিকট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ভাতিজা সজিবরা একা সম্পূর্ণ জায়গা দাবী করে। এ বিষয়ে মিমাংসার উদ্দেশ্যে শুক্রবার রাতে বাড়িতে পারিবারিকভাবে উঠান বৈঠক বসলে সজিব, ফয়েজ আহমেদের ছেলে মো: তারেক ও রাসেল, মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে মো: ফয়েজ আহমেদ, মো: জহির আহমেদের ছেলে মো: ফারুক, তাজুল ইসলামের ছেলে নাছির উদ্দিন, আবদুল আজিজের ছেলে রিয়াজ, মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে মনু মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের হামলায় জালাল উদ্দিনের স্ত্রী নার্গিস বেগম, মো: আলমের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস, জালাল আহমেদের প্রতিবন্ধী মেয়ে জিনিয়া আক্তার ও ফারজানা, মৃত একরাত উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন, কামরুল ইসলামের ছেলে ফারহান আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।
হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সজিব বলেন, 'ঘটনার ভিতরে আরো ঘটনা আছে। আপনাদেরকে পুরো ঘটনা জানতে হবে। এরপর মোবাইল সংযোগ কেটে গেলে তিনি আর কল ধরেননি।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গুলজার আলম বলেন, 'অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

আপনার মতামত লিখুন