ঢাকা    শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সবুজ পত্র

লাকসামের বহুল আলোচিত জামাই কে এই কালো দরবেশ?



লাকসামের বহুল আলোচিত জামাই কে এই কালো দরবেশ?

কালো দরবেশ উপাধি খ্যাত, লাকসামের গাজীমুড়ার বহুল আলোচিত গুম পরিবারের জামাই, রাজাপুরের দানবীব,নাসা গুপের  হেলাল সাহেব এই খ্যাতি অর্জনের মাধ্যমে দেশব্যাপী নতুনভাবে পরিচিতি লাভ করেছেন। উল্লেখ্য, নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জোর করে এবং মালিককে গুম করে গুশানের একটি বাড়ি হাতিয়ে নেওয়ার মামলায় রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ২০ নভেম্বর ২০২৫ প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নের্তৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ‘এ আর এ জুট ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড বনাম মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং অন্যান্য’ মামলায় রিভিউ পিটিশনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়। এর ফলে আপিল বিভাগের পূর্বের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে এখন পুনরায় আপিল শুনবে আপিল বিভাগ বলে জানিয়েছেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল এম. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘দেশে দুজন দরবেশ আছে। একজন সাদা, আরেকজন কালো। কালো দরবেশ হচ্ছে এই মামলার নজরুল ইসলাম মজুমদার। দুজনই এখন কারাগারে। এদের জন্যই দেশের এই অবস্থা। এরা হলেন অলিগার্ক। অর্থাৎ   দুর্নীতি সাধনে চরম ক্ষমতাচর্চায় বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত।’ সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল বলেন, ‘আমি এই মামলার আইনজীবী ছিলাম। অথচ আমাকে না জানিয়ে অস্ত্রের মুখে এবং বাদীকে গুম করে মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে।’ সিনিয়র কৌসুলি অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম বলেন, ‘ফিদা এম কামাল যে অভিযোগ করেছেন এটাই সত্য। এরপর আর কোনো অভিযোগ লাগে না। পিটিশনারকে আয়নাঘরে নিয়ে অস্ত্রের মুখে মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অপমানে এবং ভয়ে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।’ প্রসঙ্গত, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জোর করে গুলশানের একটি বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠে। রাজধানীর বনানীর বাসিন্দা আনোয়ারুল কবির খান গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনে দেওয়া অভিযোগে এ দাবি করেন। অভিযোগে আনোয়ারুল কবির খান জানান, তিনি এ আর এ জুট ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। তার বাবা অগ্রণী ব্যাংক, নারায়ণগঞ্জ শাখা থেকে ব্যবসায়িক ঋণ নিয়েছিলেন। এই ঋণের বিপরীতে তাদের গুলশানের বাড়িটি বন্ধক ছিল। পরে ব্যাংক ঋণটি খেলাপি হয়ে যায়। এরই মধ্যে বন্ধকি সম্পত্তির ওপর নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের দৃষ্টি পড়ে। তিনি অগ্রণী ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে এই বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রির একটি ভুয়া সমঝোতা দলিল তৈরি করেন। পরিবারের দুজন সদস্য দেশে না থাকলেও সমঝোতার দলিলে তাদের স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। উল্লেখ্য, লাকসাম বাজারে সংখ্যালগুদের ও রাজাপুরেও প্রতিবেশীদের অনেক জায়গা জোরজবরদস্তির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে একসময়ের জাকাতের শাড়ী লুংগীর দানবীয় খ্যাত এই শিল্পপতির বিরুদ্ধে।


আপনার মতামত লিখুন

সবুজ পত্র

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


লাকসামের বহুল আলোচিত জামাই কে এই কালো দরবেশ?

প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

কালো দরবেশ উপাধি খ্যাত, লাকসামের গাজীমুড়ার বহুল আলোচিত গুম পরিবারের জামাই, রাজাপুরের দানবীব,নাসা গুপের  হেলাল সাহেব এই খ্যাতি অর্জনের মাধ্যমে দেশব্যাপী নতুনভাবে পরিচিতি লাভ করেছেন। উল্লেখ্য, নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জোর করে এবং মালিককে গুম করে গুশানের একটি বাড়ি হাতিয়ে নেওয়ার মামলায় রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ২০ নভেম্বর ২০২৫ প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নের্তৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ‘এ আর এ জুট ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড বনাম মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং অন্যান্য’ মামলায় রিভিউ পিটিশনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়। এর ফলে আপিল বিভাগের পূর্বের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে এখন পুনরায় আপিল শুনবে আপিল বিভাগ বলে জানিয়েছেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল এম. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘দেশে দুজন দরবেশ আছে। একজন সাদা, আরেকজন কালো। কালো দরবেশ হচ্ছে এই মামলার নজরুল ইসলাম মজুমদার। দুজনই এখন কারাগারে। এদের জন্যই দেশের এই অবস্থা। এরা হলেন অলিগার্ক। অর্থাৎ   দুর্নীতি সাধনে চরম ক্ষমতাচর্চায় বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত।’ সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল বলেন, ‘আমি এই মামলার আইনজীবী ছিলাম। অথচ আমাকে না জানিয়ে অস্ত্রের মুখে এবং বাদীকে গুম করে মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে।’ সিনিয়র কৌসুলি অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম বলেন, ‘ফিদা এম কামাল যে অভিযোগ করেছেন এটাই সত্য। এরপর আর কোনো অভিযোগ লাগে না। পিটিশনারকে আয়নাঘরে নিয়ে অস্ত্রের মুখে মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অপমানে এবং ভয়ে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।’ প্রসঙ্গত, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জোর করে গুলশানের একটি বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠে। রাজধানীর বনানীর বাসিন্দা আনোয়ারুল কবির খান গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনে দেওয়া অভিযোগে এ দাবি করেন। অভিযোগে আনোয়ারুল কবির খান জানান, তিনি এ আর এ জুট ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। তার বাবা অগ্রণী ব্যাংক, নারায়ণগঞ্জ শাখা থেকে ব্যবসায়িক ঋণ নিয়েছিলেন। এই ঋণের বিপরীতে তাদের গুলশানের বাড়িটি বন্ধক ছিল। পরে ব্যাংক ঋণটি খেলাপি হয়ে যায়। এরই মধ্যে বন্ধকি সম্পত্তির ওপর নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের দৃষ্টি পড়ে। তিনি অগ্রণী ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে এই বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রির একটি ভুয়া সমঝোতা দলিল তৈরি করেন। পরিবারের দুজন সদস্য দেশে না থাকলেও সমঝোতার দলিলে তাদের স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। উল্লেখ্য, লাকসাম বাজারে সংখ্যালগুদের ও রাজাপুরেও প্রতিবেশীদের অনেক জায়গা জোরজবরদস্তির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে একসময়ের জাকাতের শাড়ী লুংগীর দানবীয় খ্যাত এই শিল্পপতির বিরুদ্ধে।



সবুজ পত্র

প্রধান সম্পাদক: জামাল উদ্দিন স্বপন, প্রধান সম্পাদক কর্তৃক শতরূপা প্রিন্টার্স, সালাম কমপ্লেক্স দ্বিতীয় তলা, নিউ মার্কেট কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ৮২, বাইপাস সড়ক মধ্য লাকসাম, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৪, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন খান্দানি মার্কেট, লাকসাম, কুমিল্লা।

কপিরাইট © ২০২৬ সবুজ পত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত