কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার লাকসাম পৌর এলাকায় লাকসাম হাউজিং স্টেটে প্রায় ৩৮ বছরে সরকারি কমিউনিটি সেন্টার ও স্কুল নির্মাণ করা হয়নি। এই নিয়ে লাকসাম হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষের দক্ষতা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। লাকসাম হাউজিং স্টেট এর সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদিকুল জাহান রিদান লিখিতভাবে জানান যে, " লাকসাম হাউজিং স্টেটে একটি স্কুল স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, হাউজিং স্টেট এলাকায় কমিউনিটি সেন্টারের পরিবর্তে একটি বানিজ্যিক ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত লাকসাম হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং বিগত সরকারের শেষ সময়ে এবিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়"। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিল্পপতি আলহাজ্ব মোকছোদ আলী ১৯৮৫ সালে লাকসাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ১৬ মার্চ ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত লাকসাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন কালে ১৯৮৭ সালে তিনি লাকসামে হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে হাউজিংয়ে বসবাসকারীদের জন্য মসজিদ ১০.১৮ ডিং, স্কুলের জন্য ১০.২২ ডিং ও কমিউনিটি সেন্টারের জন্য ২০.২৬ ডিং জায়গা রেখেছেন।
মসজিদ ছাড়া বাকি দুইটা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। একজন সমাজসেবক আলহাজ্ব মোকছোদ আলী লাকসামের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এরকম একটি মহতি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল অথচ তার এই উদ্যোগের দীর্ঘ ৩৮ বছর অতিবাহিত হলেও হাউজিং স্টেট শতভাগ বাস্তবায়ন আজও হয়নি। লাকসাম হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর নীতিমালা লঙ্ঘন করে বহু মানুষ এখানে উপকারভোগী হয়েছে, কিন্তু উপকারভোগীদের কিছু কাজ যে বাকি রয়েছে তা তারা ভুলেই গেছে। হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছরেও এখানে স্কুল ও কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। হাউজিংয়ে অনেকগুলি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে কিন্তু জায়গা বরাদ্দ থাকার পরেও অজ্ঞাত কারণে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি সেন্টার এখানে গড়ে ওঠেনি। হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠা হয়েছে, প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, হাজার হাজার মানুষ এখানে বসবাস করছে এটাই একজন সমাজসেবক আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর সফলতা। পরিতাপের বিষয় হলো আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর প্রতিষ্ঠিত হাউজিং এষ্টেটে আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর কোন স্মৃতি সংরক্ষিত নাই। শিল্পপতি আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর সকল ভালো কর্মের কারণে তিনি কাল কাল ধরে লাকসামের মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন এটা চিরসত্য তারপরেও লাকসাম হাউজিং এষ্টেটের বরাদ্দকৃত জায়গায় সরকারিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি লাকসাম হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি স্বরূপ আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এটি এখন সময়ের দাবি।
বিষয় : দূর্নীতি

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫
কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার লাকসাম পৌর এলাকায় লাকসাম হাউজিং স্টেটে প্রায় ৩৮ বছরে সরকারি কমিউনিটি সেন্টার ও স্কুল নির্মাণ করা হয়নি। এই নিয়ে লাকসাম হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষের দক্ষতা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। লাকসাম হাউজিং স্টেট এর সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদিকুল জাহান রিদান লিখিতভাবে জানান যে, " লাকসাম হাউজিং স্টেটে একটি স্কুল স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, হাউজিং স্টেট এলাকায় কমিউনিটি সেন্টারের পরিবর্তে একটি বানিজ্যিক ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত লাকসাম হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং বিগত সরকারের শেষ সময়ে এবিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়"। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিল্পপতি আলহাজ্ব মোকছোদ আলী ১৯৮৫ সালে লাকসাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ১৬ মার্চ ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত লাকসাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন কালে ১৯৮৭ সালে তিনি লাকসামে হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে হাউজিংয়ে বসবাসকারীদের জন্য মসজিদ ১০.১৮ ডিং, স্কুলের জন্য ১০.২২ ডিং ও কমিউনিটি সেন্টারের জন্য ২০.২৬ ডিং জায়গা রেখেছেন।
মসজিদ ছাড়া বাকি দুইটা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। একজন সমাজসেবক আলহাজ্ব মোকছোদ আলী লাকসামের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এরকম একটি মহতি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল অথচ তার এই উদ্যোগের দীর্ঘ ৩৮ বছর অতিবাহিত হলেও হাউজিং স্টেট শতভাগ বাস্তবায়ন আজও হয়নি। লাকসাম হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর নীতিমালা লঙ্ঘন করে বহু মানুষ এখানে উপকারভোগী হয়েছে, কিন্তু উপকারভোগীদের কিছু কাজ যে বাকি রয়েছে তা তারা ভুলেই গেছে। হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছরেও এখানে স্কুল ও কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। হাউজিংয়ে অনেকগুলি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে কিন্তু জায়গা বরাদ্দ থাকার পরেও অজ্ঞাত কারণে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি সেন্টার এখানে গড়ে ওঠেনি। হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠা হয়েছে, প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, হাজার হাজার মানুষ এখানে বসবাস করছে এটাই একজন সমাজসেবক আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর সফলতা। পরিতাপের বিষয় হলো আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর প্রতিষ্ঠিত হাউজিং এষ্টেটে আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর কোন স্মৃতি সংরক্ষিত নাই। শিল্পপতি আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর সকল ভালো কর্মের কারণে তিনি কাল কাল ধরে লাকসামের মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন এটা চিরসত্য তারপরেও লাকসাম হাউজিং এষ্টেটের বরাদ্দকৃত জায়গায় সরকারিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি লাকসাম হাউজিং এষ্টেট প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি স্বরূপ আলহাজ্ব মোকছোদ আলীর স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এটি এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন