কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহর তত্ত্বাবধানে সম্পাদিত পৌরসভার আলট্রা মডার্ন হাসপাতাল থেকে জোড়পুকুরিয়া সেতু পর্যন্ত সড়কটি ৮ মাসেই চিৎপটাং। গুরুত্বপুর্ন এসড়কটি এখন ভেঙ্গে পার্শ্ববর্তী খালে বিলীনের পথে। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বিটুমিন উঠে যাওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে খানা খন্দক। ফলে যানবাহন চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে চরম ভোগান্তি। সেইসাথে গচ্ছা গেছে সরকারের কোটি কোটি টাকা। জানাগেছে, নাংগলকোট পৌরসভার আল্টা মর্ডান হাসপাতাল থেকে জোড়পুকুরিয়া সেতু পর্যন্ত ২ কিলোমিটার রাস্তা বিগত ৫ বছর ব্যবহারের অনুপোযোগী ছিলো।যাতে জনগণের ভোগান্তি অন্ত: ছিলো না। একাবাসীর দাবীর মুখে একবছর পুর্বে সড়কটি উন্নয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করে স্হানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। যাতে প্রায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। চলতি বছরের প্রথম দিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহর তত্ববধানে কাজটি শুরু হয়। ফেব্রুয়ারিতে কাজটি শেষকরে যথারীতি বিল উত্তোলনও করা হয়। কিন্তু দুই মাসের মাথায় রাস্তায় ভিটামিন উঠে যায়। এখন যা খানাখন্দকে পরিনত হয়েছে। মুলত নিম্ন মানের ইদ,সুড়কি ও ভিটুমিন ব্যাবহারের ফলেই রাস্তটির ছাল বাকলা উঠে গেছে। উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের বিরুদ্ধে এব্যাপারে যথাযথ তদারকি ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টির যথাযথ তদন্তে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
বিষয় : দূর্নীতি

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ নভেম্বর ২০২৫
কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহর তত্ত্বাবধানে সম্পাদিত পৌরসভার আলট্রা মডার্ন হাসপাতাল থেকে জোড়পুকুরিয়া সেতু পর্যন্ত সড়কটি ৮ মাসেই চিৎপটাং। গুরুত্বপুর্ন এসড়কটি এখন ভেঙ্গে পার্শ্ববর্তী খালে বিলীনের পথে। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বিটুমিন উঠে যাওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে খানা খন্দক। ফলে যানবাহন চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে চরম ভোগান্তি। সেইসাথে গচ্ছা গেছে সরকারের কোটি কোটি টাকা। জানাগেছে, নাংগলকোট পৌরসভার আল্টা মর্ডান হাসপাতাল থেকে জোড়পুকুরিয়া সেতু পর্যন্ত ২ কিলোমিটার রাস্তা বিগত ৫ বছর ব্যবহারের অনুপোযোগী ছিলো।যাতে জনগণের ভোগান্তি অন্ত: ছিলো না। একাবাসীর দাবীর মুখে একবছর পুর্বে সড়কটি উন্নয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করে স্হানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। যাতে প্রায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। চলতি বছরের প্রথম দিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহর তত্ববধানে কাজটি শুরু হয়। ফেব্রুয়ারিতে কাজটি শেষকরে যথারীতি বিল উত্তোলনও করা হয়। কিন্তু দুই মাসের মাথায় রাস্তায় ভিটামিন উঠে যায়। এখন যা খানাখন্দকে পরিনত হয়েছে। মুলত নিম্ন মানের ইদ,সুড়কি ও ভিটুমিন ব্যাবহারের ফলেই রাস্তটির ছাল বাকলা উঠে গেছে। উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের বিরুদ্ধে এব্যাপারে যথাযথ তদারকি ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টির যথাযথ তদন্তে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন