ঢাকা    শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সবুজ পত্র

একটি গোষ্ঠী ধর্মের কথা বলে বিএনপির বিরুদ্ধে গীবত গাইছে- হাবিব উন নবী খাঁন



একটি গোষ্ঠী ধর্মের কথা বলে বিএনপির বিরুদ্ধে গীবত গাইছে- হাবিব উন নবী খাঁন

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খাঁন সোহেল বলেছেন, আজকের অনুষ্ঠানটি একটি ব্যাক্তিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান। আমাদের অহংকার এবং আশা-ভরসার প্রতিক তারেক জিয়া। বর্তমান প্রজন্ম বিগত কয়েক বছর থেকে তারেক জিয়ার দেশ গঠনে বক্তৃতা শুনে আসছেন। তারা সাম্প্রতিককালের তারেক জিয়ার বক্তব্যেও তার সম্পর্কে জানেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশের মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান এবং উপজাতীদের এক ছাতার নিচে চেষ্টা করেছেন। সে ছাতার নাম হচ্ছে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ। আজকে পাহাড়ে যে হানাহানি হচ্ছে। তারেক রহমানের হাতে বাংলাদেশ পড়লে, সে হানাহানি ভুলে সব মিলে হবো আমরা এক বাংলাদেশ। জিয়াউর রহমান বলতেন, ব্যাক্তির চেয়ে দল বড় এবং দলের চেয়ে দেশ বড়। কিন্তু তারেক জিয়া বলেছেন সবার আগে বাংলাদেশ। তিনি জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বলেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মের কথা বলে গীবতের নেট ওয়ার্ক এবং বট আইডি সৃষ্টি করে সকাল-বিকাল বিএনপির বিরুদ্ধে গীবত করেন। তারা ধর্মের কথা এবং জান্নাতের কথা বলেন। কোরআনে আছে, যারা গীবত করেন, তারা মৃত ভাইয়ের মাংস খায়। আমাদের নবিজী বলেছেন, যারা গীবত তারা জান্নাতে যেতে পারবেন না। কিন্তু তারা যেভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে গীবত করছেন, তাদের নিজেদের জান্নাতের ঠিক নেই। তারা সাধারণ মানুষকে কিভাবে জান্নাতে পাঠাবেন ? আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, তারেক জিয়ার প্রতিপক্ষ হওয়ার মতন কেউ নেই। আপনারা শ্লোগান দিচ্ছেন, নাঙ্গলকোট ও লালামাই এর মাটি ও মানুষের নেতা আব্দুল গফুর ভূঁইয়া। আরো একটি কথা বলছেন নিজের খাই, গফুর ভাই। এসময় তিনি নেতা-কর্মীদের প্রশ্ন করে বলেন, গফুর ভূঁইয়া কি আপনাদের সাথে বেঈমানি করেছেন। এসময় নেতাকর্মীরা জবাবে বলেন, তিনি আমাদের সাথে বেঈমানি করেননি।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খাঁন সোহেল গতকাল শনিবার বিকেলে নাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল সরকারি ডিগ্রী কলেজ মাঠে বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে স্টাডি অফ বাংলাদেশী ন্যাশনালিজম এর আয়োজনে সবার আগে বাংলাদেশ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা, কম্প্রেহেনসিভ টেস্ট, বক্তৃতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

হাবিব উন নবী খাঁন সোহেল একটি গানের কলি টেনে বলেন,  আলু বেচোঁ, ছোলা বেচোঁ, বাকরখানি বেঁচো, বেচোঁ-বেচোঁ না বন্ধু, চোখের মণি। বিগত ১৬ বছর আমাদের হাজার-হাজার নেতা-কর্মী জেল খেটেছেন। আমাদের ভাইদের গুম-খুন করা হয়েছে। রাজপথে নেতা-কর্মীদের রক্তের দাগ লেগে আছে। অনেকের বছরের পর বছর জেল জীবনের কারণে সোনার সংসার শেষ হয়ে গেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে আমাদের চেয়ে যাননি। ১৯৮৬ সালে এরশাদ আমলে বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার এরশাদের আমলে নির্বাচনে যাননি। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। ২০০৭ সালে শেখ হাছিনা বিদেশে পালিয়ে গিয়েছিল এবং কিন্তু আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বিএনপি হচ্ছে আমাদের চোখের মনি। ঝিনুক যেমন মুক্তাকে স্বযত্নে বুকে ধারণ করেন। আজকে আমরা যাকে দামি মনে করে বুকে ধারণ করেছি। তিনি আমাদের তারেক জিয়া। আগামীতে তাকে জাতির উদ্দেশ্যে আমরা উৎসর্গ করবো।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুজ্জামান আমিন, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ভিপি ওয়াসিম, অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা আমেরিকা প্রবাসী মামুনুর রশিদ।

বক্তব্য রাখেন, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শোয়েব খন্দকার, কেন্দ্রীয় যুবদল সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহআলম চৌধুরী, ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান, নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলী আক্কাছ চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক কলিমুল্লাহ চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা মাজহারুল ইসলাম ছুপু চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপি ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ প্রমুখ। 

এসময় ঢাকা মহানগর, কুমিল্লা ও নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

হাবিব উন নবী খাঁন সোহেল বলেন, আপনারা শেক হাসিনাকে দেখেছেন গত ১৬বছর কি করেছেন। তার এক বোন শেখ রেহানা । যাকে বড়-বড় ব্যবসায়ীরা শতকরা ১০ভাগ কমিশন না দিলে ব্যবসা করতে পারতেন না। শেখ হাছিনা ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়ের গ্যারেজে ৮টি গাড়ি পাওয়া গেছে। আমেরিকাতে সে সবচাইতে বেশী ধনী। টিউলিপ সিদ্দিকি লন্ডনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। তাকে সৎ মনে করতান। সে রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যয় বরাদ্ধ ৮ বিলিয়ন থেকে ১২ বিলিয়ন বাড়িয়েছে। ৪ বিলিয়ন সরিয়ে নিয়ে সবাই মিলে আত্মসাৎ করেছে। অথচ রুপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখনো চালুই হয়নি। সজিব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু স্যালেলাইটের নামে দেড় হাজার কোটি টাকার বরাদ্ধকে ৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করেছে। চোরের মা ও ছেলের বড় গলা। এসময় তিনি তরুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাসহ দেশ গঠনে তার সততা এবং সারা দেশের আনাচে-কানাচে গুরে বেড়ানো নিয়েও কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমানের উপর প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এসময় স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের  কম্প্রেহেনসিভ টেস্ট, বক্তৃতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সবুজ পত্র

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


একটি গোষ্ঠী ধর্মের কথা বলে বিএনপির বিরুদ্ধে গীবত গাইছে- হাবিব উন নবী খাঁন

প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খাঁন সোহেল বলেছেন, আজকের অনুষ্ঠানটি একটি ব্যাক্তিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান। আমাদের অহংকার এবং আশা-ভরসার প্রতিক তারেক জিয়া। বর্তমান প্রজন্ম বিগত কয়েক বছর থেকে তারেক জিয়ার দেশ গঠনে বক্তৃতা শুনে আসছেন। তারা সাম্প্রতিককালের তারেক জিয়ার বক্তব্যেও তার সম্পর্কে জানেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশের মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান এবং উপজাতীদের এক ছাতার নিচে চেষ্টা করেছেন। সে ছাতার নাম হচ্ছে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ। আজকে পাহাড়ে যে হানাহানি হচ্ছে। তারেক রহমানের হাতে বাংলাদেশ পড়লে, সে হানাহানি ভুলে সব মিলে হবো আমরা এক বাংলাদেশ। জিয়াউর রহমান বলতেন, ব্যাক্তির চেয়ে দল বড় এবং দলের চেয়ে দেশ বড়। কিন্তু তারেক জিয়া বলেছেন সবার আগে বাংলাদেশ। তিনি জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বলেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মের কথা বলে গীবতের নেট ওয়ার্ক এবং বট আইডি সৃষ্টি করে সকাল-বিকাল বিএনপির বিরুদ্ধে গীবত করেন। তারা ধর্মের কথা এবং জান্নাতের কথা বলেন। কোরআনে আছে, যারা গীবত করেন, তারা মৃত ভাইয়ের মাংস খায়। আমাদের নবিজী বলেছেন, যারা গীবত তারা জান্নাতে যেতে পারবেন না। কিন্তু তারা যেভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে গীবত করছেন, তাদের নিজেদের জান্নাতের ঠিক নেই। তারা সাধারণ মানুষকে কিভাবে জান্নাতে পাঠাবেন ? আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, তারেক জিয়ার প্রতিপক্ষ হওয়ার মতন কেউ নেই। আপনারা শ্লোগান দিচ্ছেন, নাঙ্গলকোট ও লালামাই এর মাটি ও মানুষের নেতা আব্দুল গফুর ভূঁইয়া। আরো একটি কথা বলছেন নিজের খাই, গফুর ভাই। এসময় তিনি নেতা-কর্মীদের প্রশ্ন করে বলেন, গফুর ভূঁইয়া কি আপনাদের সাথে বেঈমানি করেছেন। এসময় নেতাকর্মীরা জবাবে বলেন, তিনি আমাদের সাথে বেঈমানি করেননি।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খাঁন সোহেল গতকাল শনিবার বিকেলে নাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল সরকারি ডিগ্রী কলেজ মাঠে বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে স্টাডি অফ বাংলাদেশী ন্যাশনালিজম এর আয়োজনে সবার আগে বাংলাদেশ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা, কম্প্রেহেনসিভ টেস্ট, বক্তৃতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

হাবিব উন নবী খাঁন সোহেল একটি গানের কলি টেনে বলেন,  আলু বেচোঁ, ছোলা বেচোঁ, বাকরখানি বেঁচো, বেচোঁ-বেচোঁ না বন্ধু, চোখের মণি। বিগত ১৬ বছর আমাদের হাজার-হাজার নেতা-কর্মী জেল খেটেছেন। আমাদের ভাইদের গুম-খুন করা হয়েছে। রাজপথে নেতা-কর্মীদের রক্তের দাগ লেগে আছে। অনেকের বছরের পর বছর জেল জীবনের কারণে সোনার সংসার শেষ হয়ে গেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে আমাদের চেয়ে যাননি। ১৯৮৬ সালে এরশাদ আমলে বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার এরশাদের আমলে নির্বাচনে যাননি। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। ২০০৭ সালে শেখ হাছিনা বিদেশে পালিয়ে গিয়েছিল এবং কিন্তু আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বিএনপি হচ্ছে আমাদের চোখের মনি। ঝিনুক যেমন মুক্তাকে স্বযত্নে বুকে ধারণ করেন। আজকে আমরা যাকে দামি মনে করে বুকে ধারণ করেছি। তিনি আমাদের তারেক জিয়া। আগামীতে তাকে জাতির উদ্দেশ্যে আমরা উৎসর্গ করবো।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুজ্জামান আমিন, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ভিপি ওয়াসিম, অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা আমেরিকা প্রবাসী মামুনুর রশিদ।

বক্তব্য রাখেন, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শোয়েব খন্দকার, কেন্দ্রীয় যুবদল সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহআলম চৌধুরী, ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান, নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলী আক্কাছ চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক কলিমুল্লাহ চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা মাজহারুল ইসলাম ছুপু চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপি ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ প্রমুখ। 

এসময় ঢাকা মহানগর, কুমিল্লা ও নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

হাবিব উন নবী খাঁন সোহেল বলেন, আপনারা শেক হাসিনাকে দেখেছেন গত ১৬বছর কি করেছেন। তার এক বোন শেখ রেহানা । যাকে বড়-বড় ব্যবসায়ীরা শতকরা ১০ভাগ কমিশন না দিলে ব্যবসা করতে পারতেন না। শেখ হাছিনা ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়ের গ্যারেজে ৮টি গাড়ি পাওয়া গেছে। আমেরিকাতে সে সবচাইতে বেশী ধনী। টিউলিপ সিদ্দিকি লন্ডনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। তাকে সৎ মনে করতান। সে রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যয় বরাদ্ধ ৮ বিলিয়ন থেকে ১২ বিলিয়ন বাড়িয়েছে। ৪ বিলিয়ন সরিয়ে নিয়ে সবাই মিলে আত্মসাৎ করেছে। অথচ রুপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখনো চালুই হয়নি। সজিব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু স্যালেলাইটের নামে দেড় হাজার কোটি টাকার বরাদ্ধকে ৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করেছে। চোরের মা ও ছেলের বড় গলা। এসময় তিনি তরুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাসহ দেশ গঠনে তার সততা এবং সারা দেশের আনাচে-কানাচে গুরে বেড়ানো নিয়েও কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমানের উপর প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এসময় স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের  কম্প্রেহেনসিভ টেস্ট, বক্তৃতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।


সবুজ পত্র

প্রধান সম্পাদক: জামাল উদ্দিন স্বপন, প্রধান সম্পাদক কর্তৃক শতরূপা প্রিন্টার্স, সালাম কমপ্লেক্স দ্বিতীয় তলা, নিউ মার্কেট কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ৮২, বাইপাস সড়ক মধ্য লাকসাম, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৪, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন খান্দানি মার্কেট, লাকসাম, কুমিল্লা।

কপিরাইট © ২০২৬ সবুজ পত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত