আমি উন্নয়নের বিরুদ্ধে নই। কিন্তু, উন্নয়ন হতে হবে দেশের আর্ত সামাজিক অবস্থার বিবেচনায়। ৩০ হাজার কোটি টাকার মনোরেল করলে তা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কতোটুকু অবদান রাখবে বা এর ফলে দেশের জিডিপিতে কতো পয়েন্ট যোগ হবে? কতোদিনে এ টাকা উঠবে? অথচ এ টাকা দিয়ে যদি ‘কোল্ড চেইন ভেজিটেবল কোল্ড স্টোরেজ’ করা হয় তাহলে দেশে প্রতিবছর ৩/৪ হাজার কোটি টাকার কৃষিপন্য নষ্ঠের হাত হতে রক্ষা পাবে। কৃষক ভরা মৌসুমেও পন্যের ন্যায্য মূল্য পাবে, আর জনগন সারা বছর কমমূল্যে সবজি কিনতে পারবে।
আমাদের দেশে মৌসুমে সবজি দাম এমন ভাবে পড়ে যায় তখন কৃষক পানির দামে সবজি বিক্রি করার পরও প্রচুর সবজি নষ্ট হয়। আবার অফসিজনে সবজির দাম বেড়ে আকাশচুম্বী হয়ে যায় তখন আমদানী ছাড়া কোন উপায় থাকে না। অথচ, সিজনের সবজি সমূহ ভেজিটেবল কোল্ড স্টোরেজে রাখতে পারলে কৃষক ন্যায্য মূল্য পেতো আর জনগন সারাবছর একটি গড় দামে সবজি কিনতে পারতো। কিন্তু, বিশ্বে সবজি উৎপাদনে আমরা প্রথম পাঁচের মধ্যে থাকার পরও আমাদের দেশে কোন ভেজিটেবল কোল্ড চেইন কোল্ড স্টোরেজ নেই।
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট (৩,৫০০ কোটি খরচ করার পর বলা হচ্ছে এখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে চলবেনা, মানে অহেতুক বিনিয়োগ), গাজীপুর BRTA প্রজেক্ট (প্রায় ৪,৫০০ কোটি টাকা খরচের পর কয়েকদিন আগে প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে), এবং কর্নফুলী টানেল (১০,৬০০ কোটি খরচের পর এখন গাড়ীর স্বল্পতায় প্রকল্প লসে আছে)। অথচ এ ১৮,০০০ কোটি টাকা দিয়ে দেশে বেশ কয়েকটি Cold Chain Vegetable Cold storage করা যেতো। এতে দেশে প্রতিবছর ৩/৪ কোটি টাকার লাভ হতো, এবং জিডিপিতে এর অবদান আসতো চোখে পড়ার মতো। সবচেয়ে বড় কথা, কৃষক পন্যের ন্যায্যমূল্য পেতো, এবং পন্য উৎপাদনে উৎসাহ পেতো।
আমি মনে করি, চট্টগ্রাম মনোরেল করার আগে আমাদের চট্টগ্রাম অন্চলে একটি ভেজিটেবল কোল্ডস্টোরেজ করা প্রয়োজন। আমরা কৃষি প্রধান দেশ, আমাদের আগে কৃষি নিয়ে ভাবতে হবে তারপর অন্য সব কিছু।

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৫
আমি উন্নয়নের বিরুদ্ধে নই। কিন্তু, উন্নয়ন হতে হবে দেশের আর্ত সামাজিক অবস্থার বিবেচনায়। ৩০ হাজার কোটি টাকার মনোরেল করলে তা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কতোটুকু অবদান রাখবে বা এর ফলে দেশের জিডিপিতে কতো পয়েন্ট যোগ হবে? কতোদিনে এ টাকা উঠবে? অথচ এ টাকা দিয়ে যদি ‘কোল্ড চেইন ভেজিটেবল কোল্ড স্টোরেজ’ করা হয় তাহলে দেশে প্রতিবছর ৩/৪ হাজার কোটি টাকার কৃষিপন্য নষ্ঠের হাত হতে রক্ষা পাবে। কৃষক ভরা মৌসুমেও পন্যের ন্যায্য মূল্য পাবে, আর জনগন সারা বছর কমমূল্যে সবজি কিনতে পারবে।
আমাদের দেশে মৌসুমে সবজি দাম এমন ভাবে পড়ে যায় তখন কৃষক পানির দামে সবজি বিক্রি করার পরও প্রচুর সবজি নষ্ট হয়। আবার অফসিজনে সবজির দাম বেড়ে আকাশচুম্বী হয়ে যায় তখন আমদানী ছাড়া কোন উপায় থাকে না। অথচ, সিজনের সবজি সমূহ ভেজিটেবল কোল্ড স্টোরেজে রাখতে পারলে কৃষক ন্যায্য মূল্য পেতো আর জনগন সারাবছর একটি গড় দামে সবজি কিনতে পারতো। কিন্তু, বিশ্বে সবজি উৎপাদনে আমরা প্রথম পাঁচের মধ্যে থাকার পরও আমাদের দেশে কোন ভেজিটেবল কোল্ড চেইন কোল্ড স্টোরেজ নেই।
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট (৩,৫০০ কোটি খরচ করার পর বলা হচ্ছে এখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে চলবেনা, মানে অহেতুক বিনিয়োগ), গাজীপুর BRTA প্রজেক্ট (প্রায় ৪,৫০০ কোটি টাকা খরচের পর কয়েকদিন আগে প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে), এবং কর্নফুলী টানেল (১০,৬০০ কোটি খরচের পর এখন গাড়ীর স্বল্পতায় প্রকল্প লসে আছে)। অথচ এ ১৮,০০০ কোটি টাকা দিয়ে দেশে বেশ কয়েকটি Cold Chain Vegetable Cold storage করা যেতো। এতে দেশে প্রতিবছর ৩/৪ কোটি টাকার লাভ হতো, এবং জিডিপিতে এর অবদান আসতো চোখে পড়ার মতো। সবচেয়ে বড় কথা, কৃষক পন্যের ন্যায্যমূল্য পেতো, এবং পন্য উৎপাদনে উৎসাহ পেতো।
আমি মনে করি, চট্টগ্রাম মনোরেল করার আগে আমাদের চট্টগ্রাম অন্চলে একটি ভেজিটেবল কোল্ডস্টোরেজ করা প্রয়োজন। আমরা কৃষি প্রধান দেশ, আমাদের আগে কৃষি নিয়ে ভাবতে হবে তারপর অন্য সব কিছু।

আপনার মতামত লিখুন