কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলায় ভিন্ন নামে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্র লীগ-যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের দোসর মাঠে সক্রিয় রয়েছে। ছাত্র লীগ ও যুবলীগের সদস্যদের সহযোগিতা করছে কিছু বিএনপি নেতা। উপজেলা যুবলীগের সদস্য জয়নাল আবেদীন জয় ও আনোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে লালমাই প্রেস ক্লাব নাম দিয়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে।
জানা যায়, ২০১৮ সাল থেকে লালমাই প্রেস ক্লাব নামে একটি সরকার অনুমোদিত সাংবাদিক সংগঠনের চলমান কমিটি রয়েছে। যার নিবন্ধন নম্বর ২১২৯/২০২০, সমাজ সেবা অধিদপ্তর।
প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে আওয়ামী লীগের দোসররা নতুন কৌশল নিয়েছে। যারা জড়িত রয়েছে তারা হলেন বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কাশেম, বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্র লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও শিশু ধর্ষণকারী জয়নাল আবেদীন জয়, উত্তর দৌলতপুর গ্রামের মৃত হারুনুর রশিদের ছেলে উপজেলা যুবলীগের সদস্য আনোয়ার হোসেন ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল মজুমদার। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারে না।
স্থানীয় জনগণের দাবি আওয়ামী লীগের দোসরদের দ্রুত আইনের আওতায় নিতে হবে।

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৫
কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলায় ভিন্ন নামে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্র লীগ-যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের দোসর মাঠে সক্রিয় রয়েছে। ছাত্র লীগ ও যুবলীগের সদস্যদের সহযোগিতা করছে কিছু বিএনপি নেতা। উপজেলা যুবলীগের সদস্য জয়নাল আবেদীন জয় ও আনোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে লালমাই প্রেস ক্লাব নাম দিয়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে।
জানা যায়, ২০১৮ সাল থেকে লালমাই প্রেস ক্লাব নামে একটি সরকার অনুমোদিত সাংবাদিক সংগঠনের চলমান কমিটি রয়েছে। যার নিবন্ধন নম্বর ২১২৯/২০২০, সমাজ সেবা অধিদপ্তর।
প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে আওয়ামী লীগের দোসররা নতুন কৌশল নিয়েছে। যারা জড়িত রয়েছে তারা হলেন বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কাশেম, বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্র লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও শিশু ধর্ষণকারী জয়নাল আবেদীন জয়, উত্তর দৌলতপুর গ্রামের মৃত হারুনুর রশিদের ছেলে উপজেলা যুবলীগের সদস্য আনোয়ার হোসেন ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল মজুমদার। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারে না।
স্থানীয় জনগণের দাবি আওয়ামী লীগের দোসরদের দ্রুত আইনের আওতায় নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন