লাকসাম পৌরশহরের জংশন লেক'র পাড়ে নির্মিত "আই লাভ লাকসাম মনুমেন্টে লাগানো উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুল জাহান রিদান'র নামফলকটি রবিবার (১২ অক্টোবর) স্থানীয় প্রশাসন অবশেষে অপসারণ করেছেন।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলন চাকমা মনুমেন্টটি উদ্বোধন করেন। এ সময় মনুমেন্টটির দু'পাশে দু'টি নামফলক লাগানো হয়। তন্মধ্যে একটিতে উদ্বোধক হিসেবে লাকসামের সাবেক ইউএনও কাউছার হামিদ'র নাম। অপরটিতে উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুল জাহান রিদান'র নাম।
এদিকে মনুমেন্ট'র সৌন্দর্য বিনষ্ট করে বিধি বহির্ভূত ভাবে একজন সরকারি কর্মকর্তার নামফলক লাগানো কতোটুকু যুক্তিযুক্ত। এনিয়ে বৃহত্তর কুমিল্লা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এসোসিয়শন'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও অনলাইন টেলিভিশন বি.কে.টিভি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল আজিম লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলন চাকমার নিকট জানতে চান। এ সময় উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুল জাহান রিদানও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁরা এ ব্যাপারে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। বরং নানাহ ভাবে সাংবাদিকের প্রশ্ন এড়িয়ে যান এবং বিরক্তবোধ করেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুল জাহান রিদান'র নামফলকটি মনুমেন্টে লাগানোর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার বিধি নিষেধ নেই। এটি লাগাতেই পারে। এ সময় তিনি বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদাহরণ তুলে ধরেন।
অপরদিকে সুশীল সমাজের একাধিক ব্যক্তি বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিজস্ব নাম টাইলস বা ফলকে খোদাই করে কোনো স্থাপনায় লাগানো অবৈধ এবং সরকারি নীতিমালা পরিপন্থী।
তাঁরা বলেন, এটি “Self Promotion” বা ব্যক্তিগত প্রচার হিসেবে ধরা হয়, যা সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার (Government Servants Conduct Rules, 1979) ২০(১) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এছাড়াও সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজের পদমর্যাদা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত প্রচারণা বা গৌরব অর্জনের উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করতে পারবেন না।
ঘটনাটি অনলাইন টেলিভিশন বি.কে.টিভিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ফলে লাকসাম উপজেলা প্রশাসন "আই লাভ লাকসাম" (I❤️LAKSAM) মনুমেন্টে লাগানো নামফলক দু'টি অপসারণ করেছেন।
এই ব্যাপারে লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলন চাকমা মনুমেন্টে লাগানো নামফলক দু'টি অপসারণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত; এই মনুমেন্টটি প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে লাকসাম উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়।

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৫
লাকসাম পৌরশহরের জংশন লেক'র পাড়ে নির্মিত "আই লাভ লাকসাম মনুমেন্টে লাগানো উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুল জাহান রিদান'র নামফলকটি রবিবার (১২ অক্টোবর) স্থানীয় প্রশাসন অবশেষে অপসারণ করেছেন।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলন চাকমা মনুমেন্টটি উদ্বোধন করেন। এ সময় মনুমেন্টটির দু'পাশে দু'টি নামফলক লাগানো হয়। তন্মধ্যে একটিতে উদ্বোধক হিসেবে লাকসামের সাবেক ইউএনও কাউছার হামিদ'র নাম। অপরটিতে উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুল জাহান রিদান'র নাম।
এদিকে মনুমেন্ট'র সৌন্দর্য বিনষ্ট করে বিধি বহির্ভূত ভাবে একজন সরকারি কর্মকর্তার নামফলক লাগানো কতোটুকু যুক্তিযুক্ত। এনিয়ে বৃহত্তর কুমিল্লা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এসোসিয়শন'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও অনলাইন টেলিভিশন বি.কে.টিভি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল আজিম লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলন চাকমার নিকট জানতে চান। এ সময় উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুল জাহান রিদানও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁরা এ ব্যাপারে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। বরং নানাহ ভাবে সাংবাদিকের প্রশ্ন এড়িয়ে যান এবং বিরক্তবোধ করেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুল জাহান রিদান'র নামফলকটি মনুমেন্টে লাগানোর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার বিধি নিষেধ নেই। এটি লাগাতেই পারে। এ সময় তিনি বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদাহরণ তুলে ধরেন।
অপরদিকে সুশীল সমাজের একাধিক ব্যক্তি বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিজস্ব নাম টাইলস বা ফলকে খোদাই করে কোনো স্থাপনায় লাগানো অবৈধ এবং সরকারি নীতিমালা পরিপন্থী।
তাঁরা বলেন, এটি “Self Promotion” বা ব্যক্তিগত প্রচার হিসেবে ধরা হয়, যা সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার (Government Servants Conduct Rules, 1979) ২০(১) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এছাড়াও সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজের পদমর্যাদা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত প্রচারণা বা গৌরব অর্জনের উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করতে পারবেন না।
ঘটনাটি অনলাইন টেলিভিশন বি.কে.টিভিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ফলে লাকসাম উপজেলা প্রশাসন "আই লাভ লাকসাম" (I❤️LAKSAM) মনুমেন্টে লাগানো নামফলক দু'টি অপসারণ করেছেন।
এই ব্যাপারে লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলন চাকমা মনুমেন্টে লাগানো নামফলক দু'টি অপসারণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত; এই মনুমেন্টটি প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে লাকসাম উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন