প্রিন্ট এর তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নাঙ্গলকোটে ঘুষের টাকা না পেয়ে ৭ দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগা
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি ||
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা ফাজিল মাদ্রাসার মার্কেটে ঘুষের টাকা না দেওয়ায় সাতটি দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল হাই ও অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। সোমবার সকালে মাদ্রাসা মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, বাঙ্গড্ডা ফাজিল মাদ্রাসার মার্কেটে ২৪টি দোকান রয়েছে। প্রতি তিন বছর পরপর দোকানগুলোর চুক্তি নবায়ন করা হয়। চলতি বছর চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে দোকান নবায়নের জন্য সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল হাই ভাড়াটিয়া নিজাম উদ্দিন ও বিল্লাল হোসেনের কাছে প্রতিটি দোকানের জন্য এক লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।দোকানভাড়াটিয়াদের দাবি, রশিদ ছাড়া কোনো টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের ওপর ক্ষুব্ধ হন আব্দুল হাই। পরে একটি নোটিশ দিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে সাতটি দোকানে তালা দেওয়া হয়।দোকান ভাড়াটিয়া নিজাম উদ্দিন ও বিল্লাল হোসেন বলেন, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই তাঁরা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। শুরুতে প্রতিটি দোকানের মাসিক ভাড়া ছিল ৩০০ টাকা। বর্তমানে তাঁরা প্রতিটি দোকানের জন্য মাসে ২ হাজার ২০০ টাকা ভাড়া দেন এবং আড়াই লাখ টাকা জামানত দিয়েছেন।তাঁদের অভিযোগ, অধ্যক্ষের নির্দেশে সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হাই তাঁদের প্রতিটি দোকানের জন্য এক লাখ টাকা দিতে বলেন। ওই টাকা দিলে মাসিক ভাড়া ২ হাজার ৫শড টাকা হবে এবং নতুন করে জামানত লাগবে না বলে জানানো হয়। তাঁরা রশিদ ছাড়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরে পাঁচ লাখ টাকা জামানত এবং মাসিক ছয় হাজার ৫০০ টাকা ভাড়া উল্লেখ করে নোটিশ দেওয়া হয়। এরপর সোমবার সাতটি দোকানে তালা দেওয়া হয়।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসার মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দোকান ভাড়াটিয়াদের চারবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা চুক্তি নবায়ন না করায় দোকানগুলোতে তালা দেওয়া হয়েছে। ঘুষের টাকা দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল হাই বলেন, তিনি মাদ্রাসার ওপরের কমিটির একজন সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কোনো অভিযোগ করলে এর প্রমাণ দিতে হবে। তিনি কোনো ভাড়াটিয়াকে চেনেন না বলেও দাবি করেন।এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউনূস বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। কেউ অভিযোগ করলে গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
প্রধান সম্পাদক: জামাল উদ্দিন স্বপন, প্রধান সম্পাদক কর্তৃক শতরূপা প্রিন্টার্স, সালাম কমপ্লেক্স দ্বিতীয় তলা, নিউ মার্কেট কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ৮২, বাইপাস সড়ক মধ্য লাকসাম, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৪৪, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন খান্দানি মার্কেট, লাকসাম, কুমিল্লা। মোবাইল: ০১৭১১৯৫০০৪০, ই-মেইল: sobujpotra.info@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ সবুজ পত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত